Narrated Al-Bara bin Azib that once he had a guest, so he told his
family (on the Day of Id-ul-Adha) that they should slaughter the
animal for sacrifice before he returned from the ('Id) prayer in order
that their guest could take his meal. So his family slaughtered (the
animal ) before the prayer. Then they mentioned that event to the
Prophet who ordered Al-Bara to slaughter another sacrifice. Al-Bara'
said to the Prophet (ﷺ) , "I have a young milch she-goat which is better
than two sheep for slaughtering." (The sub-narrator, Ibn 'Aun used to
say, "I don't know whether the permission (to slaughter a she-goat as
a sacrifice) was especially given to Al-Bara' or if it was in general
for all the Muslims.") (See Hadith No. 99, Vol. 2.)
ابوعبداللہ ( حضرت امام بخاری ) نے کہا کہ محمد بن بشار نے مجھے لکھا کہ ہم سے معاذ بن معاذ نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابن عون نے بیان کیا ، ان سے شعبی نے بیان کیا ، کہ حضرت براء بن عازب رضی اللہ عنہ نے بیان کیا ،
ان کے یہاں کچھ ان کے مہمان ٹھہرے ہوئے تھے تو انہوں نے اپنے گھر والوں سے کہا کہ ان کے واپس آنے سے پہلے جانور ذبح کر لیں تاکہ ان کے مہمان کھائیں ، چنانچہ انہوں نے نماز عیدالاضحی سے پہلے جانور ذبح کر لیا ۔ پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے اس کا ذکر کیا تو آپ نے حکم دیا کہ نماز کے بعد دوبارہ ذبح کریں ۔ براء رضی اللہ عنہ نے عرض کیا کہ یا رسول اللہ ! میرے پاس ایک سال سے زیادہ دودھ والی بکری ہے جو دو بکریوں کے گوشت سے بڑھ کر ہے ۔ ابن عوف شعبی کی حدیث کے اس مقام پر ٹھہر جاتے تھے اور محمد بن سیرین سے اسی حدیث کی طرح حدیث بیان کرتے تھے اور اس مقام پر رک کر کہتے تھے کہ مجھے معلوم نہیں ، یہ رخصت دوسرے لوگوں کے لئے بھی ہے یا صرف براء رضی اللہ عنہ کے لئے ہی تھی ۔ اس کی روایت ایوب نے ابن سیرین سے کی ہے ، ان سے انس رضی اللہ عنہ نے اور ان سے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے ۔
শা’বী (র) থেকে বর্ণিতঃ শা’বী থেকে বর্ণনা করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেছেন যে, বারাআ ইব্নু ‘আযিব (রহঃ)-এর নিকট কয়েকজন মেহমান ছিল। তিনি তাঁর পরিবার-পরিজনকে তাঁদের জন্য সলাত থেকে ফেরার আগেই কিছু যব্হ করতে হুকুম করলেন, যেন ফিরে এসে তাঁরা আহার করতে পারেন। তখন পরিবারের লোকেরা সলাত থেকে ফেরার আগেই (কুরবানীর পশু) যব্হ্ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে লোকেরা এ সম্পর্কে বর্ণনা করল। তিনি পুনরায় যব্হ্ করার জন্য হুকুম করলেন। বারাআ ইব্নু ‘আযিব (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আমার কাছে এমন একটি বক্রীর বাচ্চা আছে যা দু’টি বড় বকরির গোশতের চেয়েও উত্তম।
ইব্ন ‘আওন শাবীর মাধ্যমে বর্ণনা করতে গিয়ে এ জায়গায় থেমে যেতেন। তিনি মুহাম্মাদ ইব্নু সীরীন (রহঃ) থেকে এরকমই বর্ণনা করতেন এবং এ স্থানে থেমে যেতেন। আর বলতেন, আমার জানা নেই তিনি ব্যাতীত অন্য কারও জন্য এরূপ অনুমতি আছে কিনা?
আইউব ……. আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৭)
I witnessed the Prophet (ﷺ) offering the `Id prayer (and after finishing it) he delivered a sermon and said,
"Whoever has slaughtered his sacrifice (before the prayer) should make up for it (i.e. slaughter another
animal) and whoever has not slaughtered his sacrifice yet, should slaughter it by mentioning Allah's
Name over it."
ہم سے سلیمان بن حرب نے بیان کیا ، کہا ہم سے شعبہ نے ، ان سے اسود بن قیس نے کہا کہ میں نے جندب رضی اللہ عنہ سے سنا ، انہوں نے بیان کیا کہ
میں اس وقت تک موجود تھا جب رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے عید کی نماز پڑھائی پھر خطبہ دیا اور فرمایا کہ جس نے نماز سے پہلے ذبح کر لیا ہو اسے چاہئے کہ اس کی جگہ دوسرا جانور ذبح کرے اور جس نے ابھی ذبح نہ کیا ہو اسے چاہئے کہ اللہ کا نام لے کر جانور ذبح کرے ۔
জুন্দুব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি ঈদের সলাত আদায় করলেন। অতঃপর খুত্বাহ প্রদান করলেন। এরপর বললেনঃ যে ব্যাক্তি (সলাতের আগেই) যব্হ্ করেছে সে যেন তার স্থলে আরেকটি যব্হ করে। আর যে এখনও যব্হ করেনি সে যেন আল্লাহর নাম নিয়ে যবেহ্ করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ,৬২০৮ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৮)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 666
Hadith 6675
Chapter 16: Al-Ghamus oath - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ، أَخْبَرَنَا النَّضْرُ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا فِرَاسٌ، قَالَ سَمِعْتُ الشَّعْبِيَّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" الْكَبَائِرُ الإِشْرَاكُ بِاللَّهِ، وَعُقُوقُ الْوَالِدَيْنِ، وَقَتْلُ النَّفْسِ، وَالْيَمِينُ الْغَمُوسُ ".
Narrated `Abdullah bin `Amr:
The Prophet (ﷺ) said, "The biggest sins are: To join others in worship with Allah; to be undutiful to one's
parents; to kill somebody unlawfully; and to take an oath Al-Ghamus.
ہم سے محمد بن مقاتل نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کو نضر نے خبر دی ، کہا ہم کو شعبہ نے خبر دی ، کہا ہم سے فراس نے بیان کیا ، کہا کہ میں نے شعبی سے سنا ، انہوں نے عبداللہ بن عمرو سے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کبیرہ گناہ اللہ کے ساتھ شرک کرنا ، والدین کی نافرمانی کرنا ، کسی کی ناحق جان لینا اور یمین غموس ۔ قصداً جھوٹی قسم کھانے کو کہتے ہیں ۔
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কবীরা গুনাহ্সমূহের (অন্যতম) হচ্ছে আল্লাহ্র সঙ্গে শরীক করা, পিতামাতার নাফারমানী করা, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ্যা কসম করা। [৭০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৯)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 667
Hadith 6676
Chapter 17: "Verily, those who purchase a small gain at the cost of Allah's Covenant and their oaths ..." - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينِ صَبْرٍ، يَقْتَطِعُ بِهَا مَالَ امْرِئٍ مُسْلِمٍ، لَقِيَ اللَّهَ وَهْوَ عَلَيْهِ غَضْبَانُ ". فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَصْدِيقَ ذَلِكَ {إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللَّهِ وَأَيْمَانِهِمْ ثَمَنًا قَلِيلاً} إِلَى آخِرِ الآيَةِ. فَدَخَلَ الأَشْعَثُ بْنُ قَيْسٍ فَقَالَ مَا حَدَّثَكُمْ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ، فَقَالُوا كَذَا وَكَذَا. قَالَ فِيَّ أُنْزِلَتْ، كَانَتْ لِي بِئْرٌ فِي أَرْضِ ابْنِ عَمٍّ لِي فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " بَيِّنَتُكَ أَوْ يَمِينُهُ ". قُلْتُ إِذًا يَحْلِفُ عَلَيْهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينِ صَبْرٍ، وَهْوَ فِيهَا فَاجِرٌ، يَقْتَطِعُ بِهَا مَالَ امْرِئٍ مُسْلِمٍ، لَقِيَ اللَّهَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَهْوَ عَلَيْهِ غَضْبَانُ ".
Narrated `Abdullah:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "If somebody is ordered (by the ruler or the judge) to take an oath, and he takes a
false oath in order to grab the property of a Muslim, then he will incur Allah's Wrath when he will
meet Him." And Allah revealed in its confirmation: 'Verily! Those who purchase a small gain at the
cost of Allah's covenants and their own oaths.' (3.77) (The sub-narrator added:) Al-Ash'ath bin Qais
entered, saying, "What did Abu `Abdur-Rahman narrate to you?" They said, "So-and-so," Al-Ash'ath
said, "This verse was revealed in my connection. I had a well on the land of my cousin (and we had a
dispute about it). I reported him to Allah 's Apostle who said (to me). "You should give evidence (i.e.
witness) otherwise the oath of your opponent will render your claim invalid." I said, "Then he (my
opponent) will take the oath, O Allah's Messenger (ﷺ)." Allah's Messenger (ﷺ) said, "Whoever is ordered (by the
ruler or the judge) to give an oath, and he takes a false oath in order to grab the property of a Muslim,
then he will incur Allah's Wrath when he meets Him on the Day of Resurrection."
ہم سے موسیٰ بن اسماعیل نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابوعوانہ نے بیان کیا ، ان سے اعمش نے ، ان سے ابووائل نے اور ان سے حضرت عبداللہ بن مسعود رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جس نے جھوٹی قسم اس طور سے کھائی کہ اس کے ذریعہ کسی مسلمان کا مال ناجائز طریقہ سے حاصل کرے تو وہ اللہ تعالیٰ سے اس حال میں ملے گا کہ اللہ اس پر نہایت ہی غصہ ہو گا ۔ پھر اللہ تعالیٰ نے اس کی تصدیق وحی کے ذریعہ نازل کی کہ ” بلاشبہ وہ لوگ جو اللہ کے عہد اور اپنی قسموں کے بدلے معمولی دنیا کی پونجی خریدتے ہیں “ آخر آیت تک ۔
আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি যদি কোন মুসলিমের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে মিথ্যা শপথ করে তবে আল্লাহর সঙ্গে তার সাক্ষাত হবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ্ তার ওপর রাগান্বিত থাকবেন। আল্লাহ্ এ কথার সত্যতা প্রমাণে আয়াত ......الآية إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ অবতীর্ণ করেন। [২৩৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২০)
বর্ণনাকারী থেকে বর্ণিতঃ এরপর আশ’আস ইব্নু কায়স (রাঃ) প্রবেশ করে জিজ্ঞেস করলেন যে, আবূ ‘আবদূর রাহমান তোমাদের কাছে কী বর্ণনা করেছেন। লোকেরা বলল, এমন এমন। তখন তিনি বললেন, এ আয়াত আমার ব্যাপারে অবতীর্ণ করা হয়েছে। আমার চাচাত ভাই-এর জমিতে আমার একটি কূপ ছিল। আমি এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির হলাম। তিনি বললেনঃ তুমি প্রমাণ হাযির কর অথবা সে শপথ করুক! আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! এ কথার উপরে সে তো শপথ করেই ফেলবে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যাক্তি কোন মুসলিমের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার মানসে কসম করে, অথচ সে তাতে মিথ্যাচারী, তাহলে ক্বিয়ামতের দিন সে আল্লাহ্র সাথে সাক্ষত করবে এমতাবস্থায় যে আল্লাহ্ তার উপর রাগান্বিত থাকবেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২০)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 668
Hadith 6678
Chapter 18: To swear something not in one's power; to swear to do an act disobedience; to take an oath in anger. - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ بُرَيْدٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ أَرْسَلَنِي أَصْحَابِي إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَسْأَلُهُ الْحُمْلاَنَ فَقَالَ " وَاللَّهِ لاَ أَحْمِلُكُمْ عَلَى شَىْءٍ ". وَوَافَقْتُهُ وَهْوَ غَضْبَانُ فَلَمَّا أَتَيْتُهُ قَالَ " انْطَلِقْ إِلَى أَصْحَابِكَ فَقُلْ إِنَّ اللَّهَ ـ أَوْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ـ يَحْمِلُكُمْ ".
Narrated Abu Musa:
My companions sent me to the Prophet (ﷺ) to ask him for some mounts. He said, "By Allah! I will not
mount you on anything!" When I met him, he was in an angry mood, but when I met him (again), he
said, "Tell your companions that Allah or Allah's Messenger (ﷺ) will provide you with mounts."
مجھ سے محمد بن علاء نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابواسامہ نے بیان کیا ، ان سے برید نے ، ان سے ابوبردہ نے اور ان سے حضرت ابوموسیٰ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
میرے ساتھیوں نے مجھے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں سواری کے جانور مانگنے کے لئے بھیجا تو آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ اللہ کی قسم میں تمہارے لئے کوئی سواری کا جانور نہیں دے سکتا ( کیونکہ موجود نہیں ہیں ) جب میں آپ کے سامنے آیا تو آپ کچھ خفگی میں تھے ۔ پھر جب دوبارہ آیا تو آپ نے فرمایا کہ اپنے ساتھیوں کے پاس جا اور کہہ کہ اللہ تعالیٰ نے یا ( یہ کہا کہ ) رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے تمہارے لئے سواری کا انتظام کر دیا ۔
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমাকে আমার সাথী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে পাঠাল তাঁর কাছে বাহন চাওয়ার জন্য। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্র কসম! আমি তোমাদেরকে কোন কিছুই আরোহণের জন্য দিতে পারব না। তখন আমি তাঁকে ক্ষুদ্ধ অবস্থায় পেলাম। এরপর যখন আমি তাঁর কাছে এলাম, তিনি বললেনঃ তুমি তোমার সাথীদের কাছে চলে যাও এবং বল যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ অথবা আল্লাহ্র রাসূল তোমাদের আরোহণের জন্য বাহনের ব্যাবস্থা করবেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২১)
I heard `Urwa bin Az-Zubair, Sa`id bin Al-Musaiyab, 'Alqama bin Waqqas and 'Ubaidullah bin
`Abdullah bin `Uqba relating from `Aisha, the wife of the Prophet (ﷺ) the narration of the people (i.e. the
liars) who spread the slander against her and they said what they said, and how Allah revealed her
innocence. Each of them related to me a portion of that narration. (They said that `Aisha said), ''Then
Allah revealed the ten Verses starting with:--'Verily! Those who spread the slander..' (24.11-21)
All these verses were in proof of my innocence. Abu Bakr As-Siddiq who used to provide for Mistah
some financial aid because of his relation to him, said, "By Allah, I will never give anything (in
charity) to Mistah, after what he has said about `Aisha" Then Allah revealed:-- 'And let not those
among you who are good and are wealthy swear not to give (any sort of help) to their kins men....'
(24.22) On that, Abu Bakr said, "Yes, by Allah, I like that Allah should forgive me." and then
resumed giving Mistah the aid he used to give him and said, "By Allah! I will never withhold it from
him."
ہم سے عبدالعزیز نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابراہیم نے بیان کیا ، ان سے صالح نے ، ان سے ابن شہاب نے ( دوسری سند ) اور ہم سے حجاج نے بیان کیا ، کہا ہم سے عبداللہ بن عمر نمیری نے بیان کیا ، کہا ہم سے یونس بن یزید ایلی نے بیان کیا ، کہا کہ میں نے زہری سے سنا ، کہا کہ
میں نے عروہ بن زبیر ، سعید بن المسیب ، علقمہ بن وقاص اور عبیداللہ بن عبداللہ بن عتبہ رضی اللہ عنہم سے سنا ۔ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی زوجہ مطہرہ حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا پر بہتان کی بات کے متعلق ، جب ان پر اتہام لگانے والوں نے اتہام لگایا تھا اور اللہ تعالیٰ نے ان کو اس اتہام سے بری قرار دیا تھا ، ان سب لوگوں نے مجھ سے اس قصہ کا کوئی ایک ٹکڑا بیان کیا ( اس حدیث میں یہ بھی ہے کہ ) پھر اللہ تعالیٰ نے یہ آیت نازل کی کہ ” بلاشبہ جن لوگوں نے جھوٹی تہمت لگائی ہے “ دس آیتوں تک ۔ جو سب کی سب میری پاکی بیان کرنے کے لئے نازل ہوئی تھیں ۔ حضرت ابوبکر صدیق رضی اللہ عنہ مسطح رضی اللہ عنہ کے ساتھ قرابت کی وجہ سے ان کا خرچ اپنے ذمہ لئے ہوئے تھے ، کہا کہ اللہ کی قسم اب کبھی مسطح پر کوئی چیز ایک پیسہ خرچ نہیں کروں گا ۔ اس کے بعد کہ اس نے عائشہ رضی اللہ عنہا پر اس طرح کی جھوٹی تہمت لگائی ہے ۔ اس پر اللہ تعالیٰ نے یہ آیت نازل کی ۔ ولا يأتل أولو الفضل منكم والسعۃ أن يؤتوا أولي القربى الخ ابوبکر رضی اللہ عنہ نے اس پر کہا ، کیوں نہیں ، اللہ کی قسم میں تو یہی پسند کرتا ہوں کہ اللہ میری مغفرت کر دے ۔ چنانچہ انہوں نے پھر مسطح کو وہ خرچ دینا شروع کر دیا جو اس سے پہلے انہیں دیا کرتے تھے اور کہا کہ اللہ کی قسم میں اب خرچ دینے کو کبھی نہیں روکوں گا ۔
আবদুল আযীয ও হাজ্জাজ (র.)... যুহরী (র.) থেকে বর্ণিতঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) এর ব্যাপারে অপবাদ রটনাকারীরা যা বলেছিল তা শুনতে পেলাম। আল্লাহ্ এ মর্মে তাঁর নির্দোষিতা প্রকাশ করে দিয়েছেন। উপরোক্ত বর্ণনাকারীগণ প্রত্যেকেই আমার নিকট উল্লিখিত ঘটনার অংশ বিশেষ বর্ণনা করেছেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা {إِنَّ الَّذِينَ جَاءُوا بِالإِفْكِ} দশখানা আয়াত আমার নির্দোষিতা প্রকাশ করার জন্য অবতীর্ণ করেছেন। আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) আত্মীয়তার সম্পর্কের কারণে মিসতাহ্ ইবনু সালামাহর ভরণ-পোষণ করতেন। অপবাদ দেয়ার কারণে আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! মিসতাহ্ যখন ‘আয়িশাহর ব্যাপারে অপবাদ রটিয়েছে; এরপর আমি আর তার জন্য কখনো কিছু খরচ করব না। তখন আল্লাহ্ {وَلاَ يَأْتَلِ أُولُوا الْفَضْلِ.....}الآية এ আয়াত অবতীর্ণ করেন। আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আল্লাহ্ আমাকে ক্ষমা করে দিন এটা আমি নিশ্চয়ই পছন্দ করি। তিনি পুনরায় মিসতাহের ভরণ-পোষণের জন্য ঐ খরচ দেয়া শুরু করলেন, যা তিনি পূর্বে তাকে দিতেন এবং তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তার খরচ দেয়া কখনো বন্ধ করব না।[১] [২৫৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২২)
I went along with some men from the Ash-ariyin to Allah's Messenger (ﷺ) and it happened that I met him
while he was in an angry mood. We asked him to provide us with mounts, but he swore that he would
not give us any. Later on he said, "By Allah, Allah willing, if ever I take an oath (to do something)
and later on I find something else better than the first, then I do the better one and give expiation for
the dissolution of my oath."
ہم سے ابومعمر نے بیان کیا ، کہا ہم سے عبدالوارث نے ، کہا ہم سے ایوب نے بیان کیا ، ان سے قاسم نے ، ان سے زہدم نے بیان کیا کہ ہم ابوموسیٰ رضی اللہ عنہ کے پاس تھے تو انہوں نے بیان کیا کہ
میں قبیلہ اشعر کے چند ساتھیوں کے ساتھ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں حاضر ہوا جب میں آپ کے پاس آیا تو آپ غصہ تھے پھر ہم نے آپ سے سواری کا جانور مانگا تو آپ نے قسم کھا لی کہ آپ ہمارے لئے اس کا انتظام نہیں کر سکتے ۔ اس کے بعد فرمایا واللہ ، اللہ نے چاہا تو میں کبھی بھی اگر کوئی قسم کھا لوں گا اور اس کے سوا دوسری چیز میں بھلائی دیکھوں گا تو وہی کروں گا جس میں بھلائی ہو گی اور قسم توڑ دوں گا ۔
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি কতক আশ’আরী লোকের সাথে (বাহন চাওয়ার জন্য) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। যখন হাজির হলাম, তখন তাঁকে ক্ষুদ্ধ অবস্থায় পেলাম। আমরা তাঁর কাছে বাহন চাইলাম। তিনি কসম করে বললেন যে, আমাদেরকে বাহন দিবেন না। এরপর বললেনঃ আল্লাহ্র কসম! আমি কোন কিছুর ওপর আল্লাহ্র ইচ্ছা মুতাবিক যখন কসম করি আর তার অন্যটির মাঝে কল্যাণ দেখতে পাই; তাহলে যেটা কল্যাণকর সেটাই করি আর কসমকে ভঙ্গ করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৩)
When the death of Abu Talib approached, Allah's Messenger (ﷺ) came to him and said, "Say: La ilaha
illallah, a word with which I will be able to defend you before Allah."
ہم سے ابوالیمان نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کو شعیب نے خبر دی ، ان سے زہری نے بیان کیا ، انہیں سعید بن مسیب نے خبر دی ، ان کے والد ( حضرت مسیب رضی اللہ عنہ ) نے بیان کیا کہ
جب جناب ابوطالب کی موت کی وقت قریب ہوا تو رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم ان کے پاس آئے اور کہا کہ آپ کہہ دیجئیے کہ ” لا الہٰ الا اللہ “ تو میں آپ کے لیے اللہ سے جھگڑ سکوں گا ۔
সা’ঈদ ইব্নু মুসাইয়্যাব (রাঃ)-এর পিতা থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আবূ তালিবের যখন মৃত্যু হাযির হল, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে এলেন এবং বললেনঃ আপনি لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ কলেমাটি বলুন। আমি আল্লাহর নিকট এর দ্বারা আপনার ব্যাপারে সুপারিশ করব। [১৩৬০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৪)
Allah's Messenger (ﷺ) said, "(The following are) two words (sentences or utterances) that are very easy for the tongue to say, and very heavy in the balance (of reward), and most beloved to the Gracious Almighty (And they are): Subhan Allahi wa bi-hamdihi; Subhan Allahi-l-'Adhim,"
ہم سے قتیبہ بن سعید نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے محمد بن فضیل نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے عمارہ بن قعقاع نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ابوزرعہ نے بیان کیا اور ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا دو کلمے جو زبان پر ہلکے ہیں لیکن ترازو پر ( آخرت میں ) بھاری ہیں اور اللہ رحمن کے یہاں پسندیدہ ہیں وہ یہ ہیں ۔ سبحان اللہ و بحمدہ سبحان اللہ العظیم ۔
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি কলেমা যা জবানে অতি হাল্কা, মীযানে ভারী, আর রাহমানের নিকট খুব পছন্দনীয়; তা হচ্ছে ‘সুবহানাল্লাহ্ ওয়া বিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল আযীম’(আধুনিক প্রকাশনী-৫ ৬২১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৫)।
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 673
Hadith 6683
Chapter 19: If one says: "By Allah! I will not speak today" - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَلِمَةً وَقُلْتُ أُخْرَى
" مَنْ مَاتَ يَجْعَلُ لِلَّهِ نِدًّا أُدْخِلَ النَّارَ ". وَقُلْتُ أُخْرَى مَنْ مَاتَ لاَ يَجْعَلُ لِلَّهِ نِدًّا أُدْخِلَ الْجَنَّةَ.
Narrated `Abdullah:
Allah's Messenger (ﷺ) said a sentence and I said another. He said, "Whoever dies while he is setting up rivals
along with Allah (i.e. worshipping others along with Allah) shall be admitted into the (Hell) Fire."
And I said the other: "Whoever dies while he is not setting up rivals along with Allah (i.e.
worshipping none except Allah) shall be admitted into Paradise."
ہم سے موسیٰ بن اسماعیل نے بیان کیا ، کہا ہم سے عبدالواحد نے بیان کیا ، کہا ہم سے اعمش نے بیان کیا ، ان سے شقیق نے اور ان سے حضرت عبداللہ بن مسعود رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا اور میں نے ( اسی پر قیاس کرتے ہوئے ) دوسرا کلمہ کہا ( کہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ ) جو شخص اس حال میں مر جائے گا کہ اللہ کے ساتھ کسی کو شریک ٹھہراتا ہو گا تو وہ جہنم میں جائے گا اور میں نے دوسری بات کہی کہ ” جو شخص اس حال میں مر جائے گا کہ اللہ کے ساتھ کسی کو شریک نہ ٹھہراتا ہو گا وہ جنت میں جائے گا ۔
আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি কলেমা বললেন। আর আমি অন্যটি বললাম। তখন তিনি বললেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহ্র সঙ্গে শরীক করে মারা যাবে তাকে জাহান্নামে দাখিল করা হবে। আমি অন্যটি বললাম, যে ব্যাক্তি আল্লাহ্র সঙ্গে শরীক না করে মারা যাবে তাকে জান্নাতে দাখিল করা হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৬
Allah's Messenger (ﷺ) took an oath for abstention from his wives (for one month), and during those days he
had a sprain in his foot. He stayed in a Mashrubah (an upper room) for twenty-nine nights and then
came down. Then the people said, "O Allah's Messenger (ﷺ)! You took an oath for abstention (from your
wives) for one month." On that he said, "A (lunar) month can be of twenty-nine days."
ہم سے عبدالعزیز بن عبداللہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے سلیمان بن بلال نے بیان کیا ، ان سے حمید نے اور ان سے انس رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے اپنی بیویوں کے ساتھ ایلاء کیا ( یعنی قسم کھائی کہ
آپ ان کے یہاں ایک مہینہ تک نہیں جائیں گے ) اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے پاؤں میں موچ آ گئی تھی ۔ چنانچہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم اپنے بالا خانہ میں انتیس دن تک قیام پذیر رہے ۔ پھر وہاں سے اترے ۔ لوگوں نے کہا یا رسول اللہ ! آپ نے ایلاء ایک مہینے کے لئے کیا تھا ؟ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ یہ مہینہ انتیس دن کا ہے ۔
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদের ব্যাপারে কসম করলেন। আর তখন তাঁর পা মচকে গিয়েছিল। তিনি তখন ঊনত্রিশ দিন কুঠরিতে অবস্থান করলেন। এরপর তিনি নেমে এলেন (স্ত্রীগণের কাছে ফিরে এলেন)। লোকেরা তখন জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি তো এক মাসের কসম করেছিলেন। তখন তিনি বললেনঃ মাস তো ঊনত্রিশ দিনেও হয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৭)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 675
Hadith 6685
Chapter 21: If somebody takes an oath not to drink Nabidh - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنِي عَلِيٌّ، سَمِعَ عَبْدَ الْعَزِيزِ بْنَ أَبِي حَازِمٍ، أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، أَنَّ أَبَا أُسَيْدٍ، صَاحِبَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَعْرَسَ فَدَعَا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لِعُرْسِهِ، فَكَانَتِ الْعَرُوسُ خَادِمَهُمْ. فَقَالَ سَهْلٌ لِلْقَوْمِ هَلْ تَدْرُونَ مَا سَقَتْهُ قَالَ أَنْقَعَتْ لَهُ تَمْرًا فِي تَوْرٍ مِنَ اللَّيْلِ، حَتَّى أَصْبَحَ عَلَيْهِ فَسَقَتْهُ إِيَّاهُ.
Narrated Abu Hazim:
Sahl bin Sa`d said, "Abu Usaid, the companion of the Prophet, got married, so he invited the Prophet (ﷺ)
to his wedding party, and the bride herself served them. Sahl said to the People, 'Do you know what
drink she served him with? She infused some dates in a pot at night and the next morning she served
him with the infusion."
مجھ سے علی بن عبداللہ مدینی نے بیان کیا ، انہوں نے عبدالعزیز بن ابی حازم سے سنا ، کہا مجھ کو میرے والد نے خبر دی ، انہیں حضرت سہل بن سعد رضی اللہ عنہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے صحابی ابواسید رضی اللہ عنہ نے نکاح کیا اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کو اپنی شادی کے موقع پر بلایا ۔ دلہن ہی ان کی میزبانی کا کام کر رہی تھیں ۔ پھر حضرت سہل رضی اللہ عنہ نے لوگوں سے پوچھا ، تمہیں معلوم ہے ، میں نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کو کیا پلایا تھا ۔ کہا کہ رات میں آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے لئے میں نے کھجور ایک بڑے پیالہ میں بھگو دی تھی اور صبح کے وقت اس کا پانی آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کو پلایا تھا ۔
সাহ্ল ইব্নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবী আবূ উসায়দ (রাঃ) বিবাহ করলেন। তার (ওলীমায়) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দাওয়াত করলেন। আর তখন তাঁর নব বিবাহিতা স্ত্রী তাঁদের খেদমত করছিলেন। সাহ্ল (রাঃ) তার গোত্রের লোকেদেরকে বললেন, তোমরা কি জান সে মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কী পান করিয়েছিলেন? সে রাত্রিবেলা একটি পাত্রে তাঁর জন্য খেজুর ভিজিয়ে রেখেছিল সকাল পর্যন্ত। আর সেগুলিই সে তাঁকে পান করাল। [৭২](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৮)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 676
Hadith 6686
Chapter 21: If somebody takes an oath not to drink Nabidh - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ عَنْ سَوْدَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ مَاتَتْ لَنَا شَاةٌ فَدَبَغْنَا مَسْكَهَا ثُمَّ مَا زِلْنَا نَنْبِذُ فِيهِ حَتَّى صَارَتْ شَنًّا.
Narrated Sauda:
(the wife of the Prophet) One of our sheep died and we tanned its skin and kept on infusing dates in it
till it was a worn out water skin.
ہم سے محمد بن مقاتل نے بیان کیا ، کہا ہم کو عبداللہ بن مبارک نے خبر دی ، کہا ہم کو اسماعیل بن ابی خالد نے خبر دی ، انہیں شعبی نے ، انہیں عکرمہ نے اور انہیں حضرت ابن عباس رضی اللہ عنہما نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی بیوی صاحبہ حضرت سودہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ ان کی ایک بکری مرگئی تو اس کے چمڑے کو ہم نے دباغت دے دیا ۔ پھر ہم اس کی مشک میں نبیذ بناتے رہے یہاں تک کہ وہ پرانی ہو گئی ۔
নবী (সাঃ)-এর স্ত্রী সাওদা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার আমাদের একটি বক্রী মারা গেল। আমরা এর চামড়া দাবাগত (পাকা) করে নিলাম। এরপর থেকে তাতে সর্বদাই আমরা নবীয (খুরমা-খেজুর ভিজানো শরবত) প্রস্তুত করতাম। শেষ পর্যন্ত ওটা পুরাতন হয়ে গেল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৯)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 677
Hadith 6687
Chapter 22: If someone takes an oath that he will not eat Udm - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَابِسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ مَا شَبِعَ آلُ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم مِنْ خُبْزِ بُرٍّ مَأْدُومٍ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ حَتَّى لَحِقَ بِاللَّهِ.
وَقَالَ ابْنُ كَثِيرٍ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ لِعَائِشَةَ بِهَذَا.
Narrated `Aisha:
The family of (the Prophet) Muhammad never ate wheat-bread with meat for three consecutive days
to their fill, till he met Allah.
ہم سے محمد بن یوسف نے بیان کیا ، کہا ہم سے سفیان نے بیان کیا ، ان سے عبدالرحمٰن بن عابس نے ، ان سے ان کے والد نے اور ان سے حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ
آل محمد صلی اللہ علیہ وسلم کبھی پے درپے تین دن تک سالن کے ساتھ گیہوں کی روٹی نہیں کھا سکے یہاں تک کہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے جا ملے اور ابن کثیر نے بیان کیا کہ ہم کو سفیان نے خبر دی کہ ہم سے عبدالرحمٰن نے بیان کیا ، ان سے ان کے والد نے اور ان سے حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا نے یہی حدیث بیان کی ۔
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার তরকারী দিয়ে গমের রুটি এক নাগাড়ে তিনদিন পর্যন্ত খেয়ে তৃপ্ত হননি। এভাবে তিনি আল্লাহ্র সঙ্গে মিলিত হয়েছেন। [৭৩]
ইব্নু কাসীর (রহঃ) আবিস (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি এ হাদীসটি ‘আয়িশাহ (রাঃ) কে বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩০)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 678
Hadith 6688
Chapter 22: If someone takes an oath that he will not eat Udm - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ أَبُو طَلْحَةَ لأُمِّ سُلَيْمٍ لَقَدْ سَمِعْتُ صَوْتَ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ضَعِيفًا أَعْرِفُ فِيهِ الْجُوعَ، فَهَلْ عِنْدَكِ مِنْ شَىْءٍ فَقَالَتْ نَعَمْ. فَأَخْرَجَتْ أَقْرَاصًا مِنْ شَعِيرٍ، ثُمَّ أَخَذَتْ خِمَارًا لَهَا، فَلَفَّتِ الْخُبْزَ بِبَعْضِهِ، ثُمَّ أَرْسَلَتْنِي إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَهَبْتُ فَوَجَدْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَسْجِدِ وَمَعَهُ النَّاسُ، فَقُمْتُ عَلَيْهِمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَرْسَلَكَ أَبُو طَلْحَةَ ". فَقُلْتُ نَعَمْ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِمَنْ مَعَهُ " قُومُوا ". فَانْطَلَقُوا، وَانْطَلَقْتُ بَيْنَ أَيْدِيهِمْ حَتَّى جِئْتُ أَبَا طَلْحَةَ فَأَخْبَرْتُهُ. فَقَالَ أَبُو طَلْحَةَ يَا أُمَّ سُلَيْمٍ قَدْ جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَيْسَ عِنْدَنَا مِنَ الطَّعَامِ مَا نُطْعِمُهُمْ. فَقَالَتِ اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. فَانْطَلَقَ أَبُو طَلْحَةَ حَتَّى لَقِيَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَقْبَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبُو طَلْحَةَ حَتَّى دَخَلاَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هَلُمِّي يَا أُمَّ سُلَيْمٍ مَا عِنْدَكِ ". فَأَتَتْ بِذَلِكَ الْخُبْزِ ـ قَالَ ـ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِذَلِكَ الْخُبْزِ فَفُتَّ، وَعَصَرَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ عُكَّةً لَهَا فَأَدَمَتْهُ، ثُمَّ قَالَ فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَقُولَ، ثُمَّ قَالَ " ائْذَنْ لِعَشَرَةٍ ". فَأَذِنَ لَهُمْ فَأَكَلُوا حَتَّى شَبِعُوا، ثُمَّ خَرَجُوا، ثُمَّ قَالَ " ائْذَنْ لِعَشَرَةٍ ". فَأَذِنَ لَهُمْ، فَأَكَلَ الْقَوْمُ كُلُّهُمْ وَشَبِعُوا، وَالْقَوْمُ سَبْعُونَ أَوْ ثَمَانُونَ رَجُلاً.
Narrated Anas bin Malik:
Abu Talha said to Um Sulaim, "I heard the voice of Allah's Messenger (ﷺ) rather weak, and I knew that it
was because of hunger. Have you anything (to present to the Prophet)?" She said, "Yes." Then she
took out a few loaves of barley bread and took a veil of hers and wrapped the bread with a part of it
and sent me to Allah's Messenger (ﷺ). I went and found Allah's Messenger (ﷺ) sitting in the mosque with some
people. I stood up before him. Allah's Messenger (ﷺ) said to me, "Has Abu Talha sent you?" I said, ' Yes.
Then Allah's Messenger (ﷺ) said to those who were with him. "Get up and proceed." I went ahead of them
(as their forerunner) and came to Abu Talha and informed him about it. Abu Talha said, "O Um
Sulaim! Allah's Messenger (ﷺ) has come and we have no food to feed them." Um Sulaim said, "Allah and
His Apostle know best." So Abu Talha went out (to receive them) till he met Allah's Messenger (ﷺ).
Allah's Messenger (ﷺ) came in company with Abu Talha and they entered the house. Allah's Messenger (ﷺ) said, "O
Um Sulaim! Bring whatever you have." So she brought that (barley) bread and Allah's Messenger (ﷺ)
ordered that bread to be broken into small pieces, and then Um Sulaim poured over it some butter
from a leather butter container, and then Allah's Messenger (ﷺ) said what Allah wanted him to say, (i.e.
blessing the food). Allah's Messenger (ﷺ) then said, "Admit ten men." Abu Talha admitted them and they ate
to their fill and went out. He again said, "Admit ten men." He admitted them, and in this way all the
people ate to their fill, and they were seventy or eighty men."
ہم سے قتیبہ بن سعید نے بیان کیا ، ان سے امام مالک نے بیان کیا ، ان سے اسحاق بن عبداللہ بن ابی طلحہ نے بیان کیا ، انہوں نے حضرت انس بن مالک رضی اللہ عنہ سے سنا ، انہوں نے بیان کیا کہ
حضرت ابوطلحہ رضی اللہ عنہ نے ( اپنی بیوی ) ام سلیم رضی اللہ عنہا سے کہا کہ میں سن کر آ رہا ہوں آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی آواز ( فاقوں کی وجہ سے ) کمزور پڑ گئی ہے اور میں نے آواز سے آپ کے فاقہ کا اندازہ لگایا ہے ، کیا تمہارے پاس کھانے کی کوئی چیز ہے ؟ انہوں نے کہا ہاں ۔ چنانچہ انہوں نے جو کی چند روٹیاں نکالیں اور ایک اوڑھنی لے کر روٹی کو اس کے ایک کونے سے لپیٹ دیا اور اسے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں بھجوایا ۔ میں لے کر گیا تو میں نے دیکھا کہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم مسجد میں تشریف رکھتے ہیں اور آپ کے ساتھ کچھ لوگ ہیں ، میں ان کے پاس جاکے کھڑا ہو گیا تو آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے پوچھا ، کیا تمہیں ابوطلحہ نے بھیجا ہے ، میں نے عرض کیا جی ہاں ۔ پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے ان لوگوں سے کہا جو ساتھ تھے کہ اٹھو اور چلو ، میں ان کے آگے آگے چل رہا تھا ۔ آخر میں حضرت ابوطلحہ رضی اللہ عنہ کے یہاں پہنچا اور ان کو اطلاع دی ۔ ابوطلحہ نے کہا ام سلیم ! جناب رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم تشریف لائے ہیں اور ہمارے پاس تو کوئی ایسا کھانا نہیں ہے جو سب کو پیش کیا جا سکے ؟ انہوں نے کہا کہ اللہ اور اس کے رسول کو زیادہ علم ہے ۔ پھر حضرت ابوطلحہ رضی اللہ عنہ باہر نکلے اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے ملے ، اس کے بعد آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم اور ابوطلحہ گھر کی طرف بڑھے اور اندر گئے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ، ام سلیم ! جو کچھ تمہارے پاس ہے میرے پاس لاؤ ۔ وہ یہی روٹیاں لائیں ۔ راوی نے بیان کیا کہ پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے حکم سے ان روٹیوں کو چورا کر دیا گیا اور ام سلیم رضی اللہ عنہا نے اپنی ایک ( گھی کی ) کپی کو نچوڑا گیا یہی سالن تھا ۔ اس کے بعد آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے جیسا کہ اللہ نے چاہا دعا پڑھی اور فرمایا کہ دس دس آدمیوں کو اندر بلاؤ انہیں بلایا گیا اور اس طرح سب لوگوں نے کھایا اور خوب سیر ہو گئے ۔ حاضرین کی تعداد ستر یا اسی آدمیوں کی تھی ۔
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার আবূ ত্বলহা (রাঃ) উম্মু সুলায়ম (রাঃ)-কে বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুর্বল আওয়াজ শুনতে পেলাম, যার ফলে আমি বুঝলাম তিনি ক্ষুধার্ত। তোমার কাছে কি কিছু আছে? উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তখন তিনি যবের কয়েকটি রুটি বের করলেন। এরপর তাঁর ওড়নাটি নিলেন এবং এর একাংশে রুটিগুলি পেঁচিয়ে নিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, এরপর তিনি আমাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠিয়ে দিলেন। আমি গিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মাসজিদে পেলাম। এবং কতগুলো লোক তাঁর সঙ্গে ছিল। আমি তাঁদের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাকে কি আবূ ত্বলহা পাঠিয়েছে? আমি বললাম, জি হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গীদের বললেন, উঠ, (আবূ ত্বলহার কাছে যাও)। তখন তাঁরা আবূ ত্বলহার নিকট গেলেন। আমি তাদের আগে আগে যেতে লাগলাম। শেষে আবূ ত্বলহার কাছে এসে উপস্থিত হলাম এবং তাকে এ ব্যাপারে জানালাম। তখন আবূ ত্বলহা (রাঃ) বলল, হে উম্মু সুলায়ম! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো আমাদের কাছে এসেছেন কিন্তু আমাদের কাছে তো এমন কোন খাবার নেই যা তাদের খেতে দিতে পারি। উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বলল, আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলই (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ বিষয়ে সবচেয়ে বেশী জানেন। আবূ ত্বলহা (রাঃ) বেরিয়ে এলেন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ ত্বলহা (রাঃ) উভয়েই সামনাসামনি হলেন এবং দুজনেই একসঙ্গে ঘরে প্রবেশ করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে উম্মু সুলায়ম! তোমার কাছে যা আছে তাই নিয়ে এসো। তখন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) ঐ রুটিগুলি তাঁর সামনে পেশ করলেন। রাবী বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ রুটিগুলি ছিঁড়ার জন্য নির্দেশ করলেন। তখন রুটিগুলি টুকরা টুকরা করা হল। উম্মু সুলায়ম (রাঃ) তার ঘি-এর পাত্র থেকে ঘি বের করলেন এবং তাতে মেশালেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার উপর আল্লাহ্র ইচ্ছানুযায়ী পাঠ করলেন এবং বললেনঃ দশজন লোককে অনুমতি দাও। তিনি তাদেরকে অনুমতি দিলেন। তখন তারা সবাই আহার করলেন, এমনকি সবাই তৃপ্ত হয়ে সেখান থেকে বের হলেন। এরপর তিনি আবার বললেনঃ (আরও) দশজনকে অনুমতি দাও। তখন তাদেরকে অনুমতি দেয়া হল। এভাবে তারা সবাই আহার করলেন, এমনকি সবাই তৃপ্ত হয়ে সেখান থেকে বের হলেন। এরপর আবারো তিনি বললেনঃ আরও দশজনকে আসতে দাও। দলের লোকসংখ্যা ছিল সত্তুর বা আশি জন। [৭৪](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩১)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 679
Hadith 6689
Chapter 23: The intention in taking oaths - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، قَالَ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ، يَقُولُ أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَنَّهُ سَمِعَ عَلْقَمَةَ بْنَ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيَّ، يَقُولُ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ ـ رضى الله عنه ـ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ
" إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّةِ، وَإِنَّمَا لاِمْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا أَوِ امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا، فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ ".
Narrated `Umar bin Al-Khattab:
I heard Allah's Messenger (ﷺ) saying, "The (reward of) deeds, depend upon the intentions and every person
will get the reward according to what he has intended. So whoever emigrated for the sake of Allah and
His Apostle, then his emigration will be considered to be for Allah and His Apostle, and whoever
emigrated for the sake of worldly gain or for a woman to marry, then his emigration will be
considered to be for what he emigrated for."
ہم سے قتیبہ بن سعید نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے عبدالوہاب نے بیان کیا ، انہوں نے کہا میں نے یحییٰ بن سعید سے سنا ، انہوں نے کہا کہ مجھ سے محمد بن ابراہیم نے بیان کیا ، انہوں نے علقمہ بن وقاص لیثی سے سنا ، انہوں نے بیان کیا کہ میں نے حضرت عمر بن خطاب رضی اللہ عنہ سے سنا ، انہوں نے بیان کیا کہ
میں نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے سنا کہ بلاشبہ عمل کا دارومدار نیت پر ہے اور انسان کو وہی ملے گا جس کی وجہ نیت کرے گا پس جس کی ہجرت اللہ اور اس کے رسول کے لئے ہو گی تو واقعی وہ انہیں کے لئے ہو گی اور جس کی ہجرت دنیا حاصل کرنے کے لئے یا کسی عورت سے شادی کرنے کے لیے ہو گی تو اس کی ہجرت اسی کے لیے ہو گی جس کے لیے اس نے ہجرت کی ۔
উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই প্রতিটি আমলের গ্রহণযোগ্যতা তার নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল। কোন ব্যক্তি তা-ই লাভ করবে যা সে নিয়্যাত করে থাকে। যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্তুষ্টির জন্য হিজরাত করবে তার হিজরাত আল্লাহ্ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্তুষ্টির জন্যই হবে। আর যার হিজরাত দুনিয়া লাভের জন্য হবে অথবা কোন নারীকে বিয়ে করার জন্য হবে তা হিজরাত সে উদ্দেশ্যেই হবে যে জন্য সে হিজরাত করেছে। [৭৫](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩২)
In the last part of his narration about the three who remained behind (from the battle of Tabuk). (I
said) "As a proof of my true repentance (for not joining the Holy battle of Tabuk), I shall give up all
my property for the sake of Allah and His Apostle (as an expiation for that sin)." The Prophet (ﷺ) said (to
me), "Keep some of your wealth, for that is better for you."
ہم سے احمد بن صالح نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابن وہب نے بیان کیا ، کہا مجھ کو یونس نے خبر دی ، انہیں ابن شہاب نے ، کہا مجھے عبدالرحمٰن بن عبداللہ بن کعب بن مالک نے خبر دی ،
جب حضرت کعب رضی اللہ عنہ نابینا ہو گئے تھے تو ان کی اولاد میں ایک یہی کہیں آنے جانے میں ان کے ساتھ رہتے تھے ۔ انہوں نے بیان کیا کہ میں نے حضرت کعب بن مالک رضی اللہ عنہ سے ان کے واقعہ اور آیت ” وعلی الثلاثۃ الذین خلقوا “ کے سلسلہ میں سنا ، انہوں نے اپنی حدیث کے آخر میں کہا کہ ( میں نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے سامنے یہ پیش کش کی کہ ) اپنی توبہ کی خوشی میں میں اپنا مال اللہ اور اس کے رسول کے دین کی خدمت میں صدقہ کر دوں ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے اس پر فرمایا کہ اپنا کچھ مال اپنے پاس ہی رکھو ، یہ تمہارے لیے بہترہے ۔
‘আব্দুল্লাহ ইব্নু কা’ব ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ কা’ব (রাঃ) যখন অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন, তখন তাঁর এক পুত্র তাঁকে ধরে নিয়ে চলতেন। ‘আবদুর রাহমান বলেন, আমি (আল্লাহ্র বাণী): ‘যে তিনজন তাবূকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত হয়েছে’ সংক্রান্ত ঘটনা বর্ণনা করতে কা’ব ইব্নু মালিককে শুনেছি। তিনি তাঁর বর্ণনার শেষভাগে বলেন, আমার তাওবাহ এটাই যে আমার সমস্ত মাল আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে দান করে দিয়ে আমি মুক্ত হব। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মালের কিছুটা তোমার নিজের জন্য রাখ, এটাই তোমার জন্য কল্যাণকর। [৭৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৩)
The Prophet (ﷺ) used to stay (for a period) in the house of Zainab bint Jahsh (one of the wives of the
Prophet ) and he used to drink honey in her house. Hafsa and I decided that when the Prophet (ﷺ) entered
upon either of us, she would say, "I smell in you the bad smell of Maghafir (a bad smelling raisin).
Have you eaten Maghafir?" When he entered upon one of us, she said that to him. He replied (to her),
"No, but I have drunk honey in the house of Zainab bint Jahsh, and I will never drink it again." Then
the following verse was revealed: 'O Prophet ! Why do you ban (for you) that which Allah has made
lawful for you?. ..(up to) If you two (wives of the Prophet (ﷺ) turn in repentance to Allah.' (66.1-4) The
two were `Aisha and Hafsa And also the Statement of Allah: 'And (Remember) when the Prophet (ﷺ)
disclosed a matter in confidence to one of his wives!' (66.3) i.e., his saying, "But I have drunk
honey." Hisham said: It also meant his saying, "I will not drink anymore, and I have taken an oath, so
do not inform anybody of that."
ہم سے حسن بن محمد نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابن جریج نے بیان کیا کہ عطاء کہتے تھے کہ انہوں نے عبید بن عمیر سے سنا ، کہا میں نے حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا سے سنا ، وہ کہتی تھیں کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم ( ام المؤمنین ) حضرت زینت بنت جحش رضی اللہ عنہا کے یہاں رکتے تھے اور شہد پیتے تھے ۔ پھر میں نے اور ( ام المؤمنین ) حفصہ ( رضی اللہ عنہا ) نے عہد کیا کہ ہم میں سے جس کے پاس بھی آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم آئیں تو وہ کہے کہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے منہ سے مغافیر کی بو آتی ہے ، آپ نے مغافیر تو نہیں کھائی ہے ؟ چنانچہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم جب ایک کے یہاں تشریف لائے تو انہوں نے یہی بات آپ سے پوچھی ۔ آپ نے فرمایا کہ نہیں بلکہ میں نے شہد پیا ہے زینت بنت جحش کے یہاں اور اب کبھی نہیں پیوں گا ۔ ( کیونکہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کو یقین ہو گیا کہ واقعی اس میں مغافیر کی بو آتی ہے ) اس پر یہ آیت نازل ہوئی ۔ ” اے نبی ! آپ ایسی چیز کیوں حرام کرتے ہیں جو اللہ نے آپ کے لیے حلال کی ہے “ ۔ ” ان تتوباالی اللّٰہ “ میں عائشہ اور حفصہ رضی اللہ عنہا کی طرف اشارہ ہے اور ” اذا سرالنبی الی بعض ازواجہ “ سے اشارہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے اس ارشاد کی طرف ہے کہ ” نہیں “ میں نے شہد پیا ہے “ اور مجھ سے ابراہیم بن موسیٰ نے ہشام سے بیان کیا کہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا تھا کہ اب کبھی میں شہد نہیں پیوں گا میں نے قسم کھا لی ہے تم اس کی کسی کو خبر نہ کرنا ( پھر آپ نے اس قسم کو توڑ دیا ) ۔
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সময় যাইনাব বিন্ত জাহাশ (রাঃ)-এর কাছে অবস্থান করছিলেন এবং তাঁর কাছে মধু পান করেছিলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি এবং হাফসাহ (রাঃ) পরস্পরে পরামর্শ করলাম যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দু’জনের মধ্যে যার কাছেই আগে আসবেন আমরা তাঁকে বলব, আপনার মুখ থেকে মাগাফীরের গন্ধ পাচ্ছি। আপনি কি মাগাফীর খেয়েছেন? এরপর তিনি কোন একজনের ঘরে প্রবেশ করলেন। তখন তিনি তাঁকে ঐ কথাটা বললেন। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জবাব দিলেন, না, আমি তো যাইনাব বিন্ত জাহাশের কাছে মধু পান করেছি। এরপরে আর কক্ষনো এটা করব না। তখনই এ আয়াত অবতীর্ণ হলঃ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللهُ لَكَ إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللهِ ‘‘তোমরা উভয়ে যদি আল্লাহর কাছে তাওবাহ কর’’ এখানে সম্বোধন ‘আয়িশাহ ও হাফসাহ (রাঃ)-এর প্রতি। আর وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ নাবী যখন তাঁর কোন স্ত্রীর কাছে কথাকে গোপন করেন- এ আয়াতটি রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاً বরং আমি মধু পান করেছি-এর সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। ইব্রাহীম ইবনু মূসা (রহ.) হিশাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি কসম করেছি কাজটি আমি আর কক্ষনো করব না।’’ তুমি এ বিষয়টি কারো কাছে প্রকাশ করো না।[১] [৪৯১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৪)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 682
Hadith 6692
Chapter 26: To fulfil one's vow - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ يَقُولُ أَوَلَمْ يُنْهَوْا عَنِ النَّذْرِ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" إِنَّ النَّذْرَ لاَ يُقَدِّمُ شَيْئًا، وَلاَ يُؤَخِّرُ، وَإِنَّمَا يُسْتَخْرَجُ بِالنَّذْرِ مِنَ الْبَخِيلِ ".
Narrated Sa`id bin Al-Harith:
that he heard Ibn `Umar saying, "Weren't people forbidden to make vows?" The Prophet (ﷺ) said, 'A vow
neither hastens nor delays anything, but by the making of vows, some of the wealth of a miser is taken
out."
ہم سے یحییٰ بن صالح نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے فلیح بن سلیمان نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے سعید بن الحارث نے بیان کیا ، انہوں نے حضرت عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما سے سنا ،
انہوں نے کہا ، کیا لوگوں کو نذر سے منع نہیں کیا گیا ہے ؟ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ نذر کسی چیز کو نہ آگے کر سکتی ہے نہ پیچھے ، البتہ اس کے ذریعہ بخیل کا مال نکالا جا سکتا ہے ۔
সা’ঈদ ইব্নু হারিস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি ইব্নু ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, তোমাদের কি মানত করতে নিষেধ করা হয়নি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো বলেছেনঃ মানত কোন কিছুকে বিন্দুমাত্র এগিয়ে নিতেও পারে না এবং পিছাতেও পারে না। মানতের মাধ্যমে কৃপণের নিকট হতে (কিছু ধন মাল) বের করে নেয়া হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৫)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 683
Hadith 6693
Chapter 26: To fulfil one's vow - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا خَلاَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، نَهَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنِ النَّذْرِ وَقَالَ
" إِنَّهُ لاَ يَرُدُّ شَيْئًا، وَلَكِنَّهُ يُسْتَخْرَجُ بِهِ مِنَ الْبَخِيلِ ".
Narrated `Abdullah bin `Umar:
The Prophet (ﷺ) forbade the making of vows and said, "It (a vow) does not prevent anything (that has to
take place), but the property of a miser is spent (taken out) with it."
ہم سے خلاد بن یحییٰ نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے سفیان نے بیان کیا ، ان سے منصور نے ، انہوں نے کہا ہم کو عبداللہ بن مرہ نے خبر دی ، اور انہیں عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے نذر سے منع فرمایا تھا اور فرمایا تھا کہ وہ کسی چیز کو واپس نہیں کر سکتی ۔ البتہ اس کے ذریعہ بخیل کا مال نکالا جا سکتا ہے ۔
আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানত করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেনঃ তা কিছুই রদ করতে পারে না, কিন্তু কৃপণ থেকে (কিছু মালধন) বের করা হয়। [৭৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৬)
The Prophet (ﷺ) said, "Allah says, 'The vow, does not bring about for the son of Adam anything I have not
decreed for him, but his vow may coincide with what has been decided for him, and by this way I
cause a miser to spend of his wealth. So he gives Me (spends in charity) for the fulfillment of what has
been decreed for him what he would not give Me before but for his vow."
ہم سے ابوالیمان نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کو شعیب نے خبر دی ، کہا ہم سے ابوالزناد نے بیان کیا ، ان سے اعرج نے بیان کیا اور ان سے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا نذر انسان کو کوئی ایسی چیز نہیں دیتی جو اس کے مقدر میں نہ ہو ، البتہ اللہ تعالیٰ اس کے ذریعہ بخیل سے اس کا مال نکلواتا ہے اور اس طرح وہ چیزیں صدقہ کر دیتا ہے جس کی اس سے پہلے اس کی امید نہیں کی جا سکتی تھی ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানত আদম সন্তানকে এমন কিছু এনে দিতে পারে না, যা আমি (আল্লাহ্) তার তাক্দীরে নির্দিষ্ট করিনি। বরং মানতটি তাক্দীরের মাঝেই ঢেলে দেয়া হয় যা তার জন্য বিধিবদ্ধ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আল্লাহ্ কৃপণের নিকট হতে (সম্পদ) বের করে নিয়ে আসেন। অতঃপর তাঁকে এমন কিছু দেন যা তাকে পূর্বে দেয়া হয়নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০২২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৭)
`Imran bin Hussain said, "The Prophet (ﷺ) said, 'The best of you (people) are my generation, and the
second best will be those who will follow them, and then those who will follow the second
generation." `Imran added, "I do not remember whether he mentioned two or three (generations) after
his generation. He added, 'Then will come some people who will make vows but will not fulfill them;
and they will be dishonest and will not be trustworthy, and they will give their witness without being
asked to give their witness, and fatness will appear among them.' "
ہم سے مسدد نے بیان کیا ، ان سے یحییٰ نے ، ان سے شعبہ نے بیان کیا ، کہا مجھ سے ابوحمزہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے زہدم بن مضرب نے بیان کیا ، کہا کہ
میں نے عمران بن حصین سے سنا ، وہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے بیان کرتے تھے کہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا تم میں سب سے بہتر میرا زمانہ ہے ، اس کے بعد ان کا جو اس کے قریب ہوں گے ۔ اس کے بعد وہ جو اس سے قریب ہوں گے ۔ عمران نے بیان کیا کہ مجھے یاد نہیں آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے اپنے زمانہ کے بعد دو کا ذکر کیا تھا یا تین کا ( فرمایا کہ ) پھر ایک ایسی قوم آئے گی جو نذر مانے گی اور اسے پورا نہیں کرے گی ، خیانت کرے گی اور ان پر اعتماد نہیں رہے گا ۔ وہ گواہی دینے کے لیے تیار رہیں گے جب کہ ان سے گواہی کے لیے کہا بھی نہیں جائے گا اور ان میں مٹاپا عام ہو جائے گا ۔
ইমরান ইব্নু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে আমার যুগ সর্বোত্তম, এরপর তাদের পরবর্তী যুগ অতঃপর তাদের পরবর্তী যুগ। ‘ইমরান (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর যুগ বলার পর দু’বার বলেছেন না কি তিনবার তা আমার জানা নেই। এরপর এমন লোকেরা আসবে যারা মানত করবে কিন্তু তা পুরা করবে না। তারা খিয়ানাত করবে, আমানতদার হবে না। তারা সাক্ষ্য দেবে অথচ তাদের সাক্ষ্য চাওয়া হবে না। আর তাদের মাঝে আরাম বিলাসিতা প্রকাশ পাবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৮)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 686
Hadith 6696
Chapter 28: To vow for to be obedient to Allah - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" مَنْ نَذَرَ أَنْ يُطِيعَ اللَّهَ فَلْيُطِعْهُ، وَمَنْ نَذَرَ أَنْ يَعْصِيَهُ فَلاَ يَعْصِهِ ".
Narrated `Aisha:
The Prophet (ﷺ) said, "Whoever vows that he will be obedient to Allah, should remain obedient to Him;
and whoever made a vow that he will disobey Allah, should not disobey Him."
ہم سے ابونعیم نے بیان کیا ، کہا ہم سے امام مالک نے بیان کیا ، ان سے طلحہ بن عبدالملک نے ، ان سے قاسم نے اور ان سے حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ، جس نے اس کی نذر مانی ہو کہ اللہ کی اطاعت کرے گا تو اسے اطاعت کرنی چاہئے لیکن جس نے اللہ کی معصیت کی نذر مانی ہو اسے نہ کرنی چاہئے ۔
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এরূপ মানত করে যে, সে আল্লাহ্র আনুগত্য করবে, সে যেন আল্লাহ্র আনুগত্য করে। আর যে মানত করে, সে আল্লাহ্র না-ফরমানী করবে, সে যেন তাঁর না-ফরমানী না করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৯)
`Umar said "O Allah's Messenger (ﷺ)! I vowed to perform I`tikaf for one night in Al-Masjid-al-Haram,
during the Pre-Islamic Period of ignorance (before embracing Islam). "The Prophet (ﷺ) said, "Fulfill your
vow." Ibn `Umar said to the lady, "Pray on her behalf." Ibn `Abbas said the same.
ہم سے ابوالحسن محمد بن مقاتل نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کو عبداللہ نے خبر دی ، انہوں نے کہا ہم کو عبیداللہ بن عمرو نے خبر دی ، انہیں نافع نے ، انہیں حضرت ابن عمر رضی اللہ عنہما نے کہ
حضرت عمر رضی اللہ عنہ نے عرض کیا ، یا رسول اللہ ! میں نے جاہلیت میں نذر مانی تھی کہ مسجدالحرام میں ایک رات کا اعتکاف کروں گا ؟ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ اپنی نذر پوری کر ۔
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, ‘উমার (রাঃ) একবার বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি জাহেলিয়্যাতের যুগে মানত করেছিলাম যে, মাসজিদে হারামে এক রাত ইতি’কাফ করব। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার মানত পূর্ণ কর। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৪০)
that he consulted the Prophet (ﷺ) about a vow that had been made by his mother who died without
fulfilling it. The Prophet (ﷺ) gave his verdict that he should fulfill it on her behalf. The verdict became
Sunna (i.e. the Prophet's tradition).
ہم سے ابوالیمان نے بیان کیا ، کہا ہم کو شعیب نے خبر دی ، ان سے زہری نے ، انہیں عبیداللہ بن عبداللہ نے خبر دی ، انہیں ابن عباس رضی اللہ عنہما نے خبر دی ، انہیں سعد بن عبادہ رضی اللہ عنہ نے خبر دی کہ
انہوں نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے ایک نذر کے بارے میں پوچھا جو ان کی والدہ کے ذمہ باقی تھی اور ان کی موت نذر پوری کرنے سے پہلے ہو گئی تھی ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے انہیں فتویٰ اس کا دیا کہ نذر وہ اپنی ماں کی طرف سے پوری کر دیں ۔ چنانچہ بعد میں یہی طریقہ مسنونہ قرار پایا ۔
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ উবাইদুল্লাহ্ ইব্নু আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-কে ইব্নু আব্বাস (রাঃ) জানিয়েছেন যে, সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ আনসারী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে জানতে চেয়েছিলেন তাঁর মায়ের কোন এক মানতের ব্যাপারে, যা আদায় করার আগেই তিনি ইনতিকাল করেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে তার মায়ের পক্ষ থেকে মানত পূর্ণ করার আদেশ দিলেন। পরবর্তীতে এটাই সুন্নাত হয়ে গেল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৪১)