Chapter 4: "Do not swear by your fathers" - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ قَالَ سَالِمٌ قَالَ ابْنُ عُمَرَ سَمِعْتُ عُمَرَ، يَقُولُ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ اللَّهَ يَنْهَاكُمْ أَنْ تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ ". قَالَ عُمَرُ فَوَاللَّهِ مَا حَلَفْتُ بِهَا مُنْذُ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ذَاكِرًا وَلاَ آثِرًا. قَالَ مُجَاهِدٌ {أَوْ أَثَرَةٍ مِنْ عِلْمٍ} يَأْثُرُ عِلْمًا. تَابَعَهُ عُقَيْلٌ وَالزُّبَيْدِيُّ وَإِسْحَاقُ الْكَلْبِيُّ عَنِ الزُّهْرِيِّ. وَقَالَ ابْنُ عُيَيْنَةَ وَمَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ سَمِعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عُمَرَ.
Narrated Ibn `Umar:
I heard `Umar saying, "Allah's Messenger (ﷺ) said to me, 'Allah forbids you to swear by your fathers."
`Umar said, "By Allah! Since I heard that from the Prophet (ﷺ) , I have not taken such an oath, neither
intentionally, nor by reporting the oath of someone else."
ہم سے سعید بن عفیرنے بیان کیا ، کہا ہم سے ابن وہب نے بیان کیا ، ان سے یونس نے ، ان سے ابن شہاب نے ، ان سے سالم نے کہ ابن عمر رضی اللہ عنہما نے کہا کہ میں نے عمر رضی اللہ عنہ سے سنا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے مجھ سے فرمایا تھا کہ اللہ تعالیٰ تمہیں باپ دادوں کی قسم کھانے سے منع کیا ہے ۔ حضرت عمر رضی اللہ عنہ نے بیان کیا واللہ ! پھر میں نے ان کی آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے ممانعت سننے کے بعد کبھی قسم نہیں کھائی نہ اپنی طرف سے غیر اللہ کی قسم کھائی نہ کسی دوسرے کی زبان سے نقل کی ۔ مجاہد نے کہا سورۃ الاحقاف میں جو اثارۃ من علم ہے اس کا معنی یہ ہے کہ علم کی کوئی بات نقل کرتا ہو ۔ یونس کے ساتھ اس حدیث کو عقیل اور محمد بن ولید زبیدی اور اسحاق بن یحییٰ کلبی نے بھی زہری سے روایت کیا اور سفیان بن عیینہ اور معمر نے اس کو زہری سے روایت کیا ، انہوں نے سالم سے ، انہوں نے ابن عمر رضی اللہ عنہما سے ، انہوں نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے کہ آپ نے حضرت عمر رضی اللہ عنہ کو غیر اللہ کی قسم کھاتے سنا ۔ روایت میں لفظ اثارۃ کی تفسیر آثراً کی مناسبت سے بیان کر دی کیونکہ دونوں کا مادہ ایک ہی ہے ۔
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আমি ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! যখন থেকে আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি, তখন থেকে আমি তাদের নামে কসম করিনি মনে থাকা অবস্থাতেও না, অন্যের কথা উদ্ধৃত করেও না।
মুজাহিদ (রহ.) বলেছেন, {أَوْ أَثَارَةٍ مِنْ عِلْمٍ} দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে অবগত বিষয় উদ্ধৃত করা।
অনুরূপ ‘উকায়ল, ‘যুবায়দী ও ইসহাক কালবী (রহ.) যুহরী (রহ.) থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইবনু ‘উয়াইনাহ্. ইবনু ‘উমার (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উমার (রাঃ)-কে বলেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯২)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 642
Hadith 6648
Chapter 4: "Do not swear by your fathers" - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهُ صلى الله عليه وسلم
" لاَ تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ ".
Narrated `Abdullah bin `Umar:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "Do not swear by your fathers."
ہم سے موسیٰ بن اسماعیل نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے عبدالعزیز بن مسلم نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے عبداللہ بن دینار نے بیان کیا ، انہوں نے کہا کہ میں نے عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما سے سنا ، انہوں نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا اپنے باپ دادوں کی قسم نہ کھاؤ ۔
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের বাপ-দাদাদের নামে শপথ করো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৩)
There was a relation of love and brotherhood between this tribe of Jarm and Al-Ash`ariyin. Once we
were with Abu Musa Al-Ash`ari, and then a meal containing chicken was brought to Abu Musa, and
there was present, a man from the tribe of Taimillah who was of red complexion as if he were from
non-Arab freed slaves. Abu Musa invited him to the meal. He said, "I have seen chickens eating dirty
things, so I deemed it filthy and took an oath that I would never eat chicken." On that, Abu Musa said,
"Get up, I will narrate to you about that. Once a group of the Ash`ariyin and I went to Allah's Messenger (ﷺ)
and asked him to provide us with mounts; he said, 'By Allah, I will never give you any mounts nor do
I have anything to mount you on.' Then a few camels of war booty were brought to Allah's Messenger (ﷺ) ,
and he asked about us, saying, 'Where are the Ash-'ariyin?' He then ordered five nice camels to be
given to us, and when we had departed, we said, 'What have we done? Allah's Messenger (ﷺ) had taken the
oath not to give us any mounts, and that he had nothing to mount us on, and later he gave us that we
might ride? Did we take advantage of the fact that Allah's Messenger (ﷺ) had forgotten his oath? By Allah,
we will never succeed.' So we went back to him and said to him, 'We came to you to give us mounts,
and you took an oath that you would not give us any mounts and that you had nothing to mount us on.'
On that he said, 'I did not provide you with mounts, but Allah did. By Allah, if I take an oath to do
something, and then find something else better than it, I do that which is better and make expiation for
the dissolution of the oath.' "
ہم سے قتیبہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے عبدالوہاب نے ، ان سے ایوب نے ، ان سے ابوقلابہ اور قاسم تیمی نے اور ان سے زہدم نے بیان کیا کہ
ان قبائل جرم اور اشعر کے درمیان بھائی چارہ تھا ۔ ہم ابوموسیٰ اشعری رضی اللہ عنہ کی خدمت میں موجود تھے تو ان کے لئے کھانا لایا گیا ۔ اس میں مرغی بھی تھی ۔ ان کے پاس بنی تیم اللہ کا ایک سرخ رنگ کا آدمی بھی موجود تھا ۔ غالباً وہ غلاموں میں سے تھا ۔ ابوموسیٰ اشعری رضی اللہ عنہ نے اسے کھانے پر بلایا تو اس نے کہا کہ میں نے مرغی کو گندگی کھاتے دیکھا تو مجھے گھن آئی اور پھر میں نے قسم کھا لی کہ اب میں اس کا گوشت نہیں کھاؤں گا ۔ ابوموسیٰ اشعری رضی اللہ عنہ نے کہا کہ کھڑے ہو جاؤ تو میں تمہیں اس کے بارے میں ایک حدیث سناؤں ۔ میں رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کے پاس قبیلہ اشعر کے چند لوگوں کے ساتھ آیا اور ہم نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے سواری کا جانور مانگا ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ اللہ کی قسم میں تمہیں سواری نہیں دے سکتا اور نہ میرے پاس ایسا کوئی جانور ہے جو تمہیں سواری کے لئے دے سکوں ، پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے پاس کچھ مال غنیمت کے اونٹ آئے تو آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے پوچھا کہ اشعری لوگ کہاں ہیں پھر آپ نے ہم کو پانچ عمدہ قسم کے اونٹ دئیے جانے کا حکم فرمایا ۔ جب ہم ان کو لے کر چلے تو ہم نے کہا یہ ہم نے کیا کیا رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم تو قسم کھا چکے تھے کہ ہم کو سواری نہیں دیں گے اور درحقیقت آپ صلی اللہ علیہ وسلم کے پاس اس وقت سواری موجود بھی نہ تھی پھر آپ نے ہم کو سوار کرا دیا ۔ ہم نے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کو آپ کی قسم سے غافل کر دیا ۔ قسم اللہ کی ہم اس حرکت کے بعد کبھی فلاح نہیں پاسکیں گے ۔ پس ہم آپ کی طرف لوٹ کر آئے اور آپ سے ہم نے تفصیل بالا کو عرض کیا کہ ہم آپ کے پاس آئے تھے تاکہ آپ ہم کو سواری پر سوار کرا دیں پس آپ نے قسم کھا لی تھی کہ آپ ہم کو سوار نہیں کرائیں گے اور درحقیقت اس وقت آپ کے پاس سواری موجود بھی نہ تھی ۔ آپ نے یہ سب سن کر فرمایا کہ میں نے تم کو سوارنہیں کرایا بلکہ اللہ نے تم کو سوار کرا دیا ۔ اللہ کی قسم جب میں کوئی قسم کھا لیتا ہوں بعد میں اس سے بہتر اور معاملہ دیکھتا ہوں تو میں وہی کرتا ہوں جو بہتر ہوتا ہے اور اس قسم کا کفارہ ادا کر دیتا ہوں ۔
যাহদাম (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমাদের গোত্র জারাম এবং আশ‘আরী গোত্রের মাঝে বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্ব ছিল। আমরা (একবার) আবূ মুসা আশ‘আরীর সাথে ছিলাম। তাঁর কাছে খাবার উপস্থিত করা হল, যাতে ছিল মুরগীর গোশত। তাইমিল্লাহ্ গোত্রের এক লাল রঙের ব্যক্তি তাঁর কাছে ছিল। সে দেখতে গোলামদের মত। তিনি তাকে খাবার খেতে ডাকলেন। তখন সে লোকটি বলল, আমি মুরগীকে এমন জিনিস খেতে দেখেছি যার জন্য আমি তাকে ঘৃনা করি। তাই আমি কসম করেছি যে, মুরগী খাব না। তিনি বললেন, ওঠ, আমি এ সম্পর্কে অবশ্যই তোমাকে একখানা হাদীস বলব। একবার আমি কতক আশ‘আরীর সাথে বাহন সংগ্রহের জন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলাম। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি তোমাদেরকে বাহন দিতে পারব না। তোমাদের বাহন দেয়ার জন্য কিছুই আমার কাছে নেই। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গনীমতের কিছু উট এল। তিনি আমাদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন এবং বললেনঃ আশ‘আরী দলটি কোথায়? এরপর আমাদের জন্য পাঁচটি উত্তম সুন্দর উট দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। আমরা যখন চলে গেলাম, তখন চিন্তা করলাম আমরা এ কী করলাম? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো শপথ করেছিলেন আমাদেরকে বাহন দেবেন না। আর তাঁর কাছে কোন বাহন তো ছিলও না। কিন্তু এরপর তিনি তো আমাদেরকে আরোহণের বাহন দিলেন। আমরা রসূলুল্লাহকে (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-তাঁর কসমের ব্যাপারে অন্যমনস্ক রেখেছিলাম। আল্লাহর কসম! এ বাহন আমাদের কোন উপকারে আসবে না। কাজেই আমরা তাঁর কাছে ফিরে গেলাম এবং তাঁকে বললাম যে, আমাদেরকে আপনি আরোহণ করাবেন এ উদ্দেশ্যে আমরা তো আপনার কাছে এসেছিলাম। আপনি কসম করেছিলেন যে, আপনি আমাদেরকে কোন বাহন দিবেন না। আর আপনার কাছে এমন কোন কিছু ছিলও না, যাতে আমাদেরকে আরোহণ করাতে পারেন। তখন তিনি বলেছিলেনঃ আমি তোমাদেরকে আরোহণ করাইনি বরং আল্লাহ্ আরোহণ করিয়েছেন। আল্লাহর শপথ! আমি যখন শপথ করি আর তার অন্যটির মাঝে যদি অধিক কল্যাণ দেখতে পাই, তা হলে যা কল্যাণকর তাই বাস্তবায়িত করি এবং আমি শপথ ভঙ্গ করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৪)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 644
Hadith 6650
Chapter 5: One should not swear by Al-Lat and Al-'Uzza or by any false deities - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" مَنْ حَلَفَ فَقَالَ فِي حَلِفِهِ بِاللاَّتِ وَالْعُزَّى. فَلْيَقُلْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ. وَمَنْ قَالَ لِصَاحِبِهِ تَعَالَ أُقَامِرْكَ. فَلْيَتَصَدَّقْ ".
Narrated Abu Huraira:
The Prophet (ﷺ) said, "Whoever swears saying in his oath. 'By Al-Lat and Al-`Uzza,' should say, 'None
has the right to be worshipped but Allah; and whoever says to his friend, 'Come, let me gamble with
you,' should give something in charity."
مجھ سے عبداللہ بن محمد نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ہشام بن یوسف نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کو معمر نے خبر دی ، انہوں نے کہا ہم سے زہری نے بیان کیا ، انہیں حمید بن عبدالرحمٰن نے اور ان سے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جس نے قسم کھائی اور کہا کہ ” لات و عزیٰ کی قسم “ تو اسے پھر کلمہ لا الہ الااﷲ کہہ لینا چاہئے اور جو شخص اپنے ساتھی سے کہے کہ آؤ جوا کھیلیں تو اسے چاہئے کہ ( اس کے کفارہ میں ) صدقہ کرے ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি শপথ করে এবং বলে, ‘লাত ও উয্যার শপথ’, তখন সে যেন لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ বলে আর যে ব্যক্তি তার সঙ্গীকে বলে ‘এসো জুয়া খেলি’ তাহলে সে যেন সদাকাহ দেয়।[১] [৪৮৬০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৫)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 645
Hadith 6651
Chapter 6: The one who gives an oath regarding something although he has not been asked to give an oath - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اصْطَنَعَ خَاتَمًا مِنْ ذَهَبٍ وَكَانَ يَلْبَسُهُ، فَيَجْعَلُ فَصَّهُ فِي بَاطِنِ كَفِّهِ، فَصَنَعَ النَّاسُ خَوَاتِيمَ ثُمَّ إِنَّهُ جَلَسَ عَلَى الْمِنْبَرِ فَنَزَعَهُ، فَقَالَ " إِنِّي كُنْتُ أَلْبَسُ هَذَا الْخَاتِمَ وَأَجْعَلُ فَصَّهُ مِنْ دَاخِلٍ ". فَرَمَى بِهِ ثُمَّ قَالَ " وَاللَّهِ لاَ أَلْبَسُهُ أَبَدًا ". فَنَبَذَ النَّاسُ خَوَاتِيمَهُمْ.
Narrated Ibn `Umar:
Allah's Messenger (ﷺ) had a gold ring made for himself, and he used to wear it with the stone towards the
inner part of his hand. Consequently, the people had similar rings made for themselves. Afterwards
the Prophet; sat on the pulpit and took it off, saying, "I used to wear this ring and keep its stone
towards the palm of my hand." He then threw it away and said, "By Allah, I will never wear it."
Therefore all the people threw away their rings as well.
ہم سے قتیبہ بن سعید نے بیان کیا ، کہا ہم سے لیث بن سعد نے بیان کیا ، ان سے نافع نے ، ان سے عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے سونے کی ایک انگوٹھی بنوائی اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم اسے پہنتے تھے ، اس کا نگینہ ہتھیلی کے حصے کی طرف رکھتے تھے ۔ پھر لوگوں نے بھی ایسی انگوٹھیاں بنوالیں اس کے بعد ایک دن آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم منبر پر بیٹھے اوراپنی انگوٹھی اتاردی اور فرمایا کہ میں اسے پہنتا تھا اور اس کا نگینہ اندر کی جانب رکھتا تھا ، پھر آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے اسے اتار کر پھینک دیا اور فرمایا کہ اللہ کی قسم میں اب اسے کبھی نہیں پہنوں گا ۔ پس لوگوں نے بھی اپنی انگوٹھیاں اتار کر پھینک دیں ۔
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি স্বর্ণের আংটি তৈরী করালেন এবং তিনি সেটা ব্যবহার করতেন। ব্যবহারকালে তাঁর পাথরটি হাতের ভিতরের দিকে রাখতেন। তখন লোকেরাও এরূপ করল। এরপর তিনি মিম্বরের উপর বসে তা খুলে ফেললেন এবং বললেনঃ আমি এ আংটি পরেছিলাম এবং তার পাথর হাতের ভিতরের দিকে রেখেছিলাম। অতঃপর তিনি তা ছুঁড়ে ফেলে দিলেন। আর বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি এ আংটি আর কোনদিন ব্যবহার করব না! তখন লোকেরাও তাদের নিজেদের আংটিগুলো খুলে ফেলল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৬)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 646
Hadith 6652
Chapter 7: Whoever swears by a religion other than Islam - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا مُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ الضَّحَّاكِ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
" مَنْ حَلَفَ بِغَيْرِ مِلَّةِ الإِسْلاَمِ فَهْوَ كَمَا قَالَ ـ قَالَ ـ وَمَنْ قَتَلَ نَفْسَهُ بِشَىْءٍ عُذِّبَ بِهِ فِي نَارِ جَهَنَّمَ، وَلَعْنُ الْمُؤْمِنِ كَقَتْلِهِ، وَمَنْ رَمَى مُؤْمِنًا بِكُفْرٍ فَهْوَ كَقَتْلِهِ ".
Narrated Thabit bin Ad-Dahhak:
The Prophet (ﷺ) said, "Whoever swears by a religion other than Islam, is, as he says; and whoever
commits suicide with something, will be punished with the same thing in the (Hell) Fire; and cursing a
believer is like murdering him; and whoever accuses a believer of disbelief, then it is as if he had
killed him."
ہم سے معلی بن اسعد نے بیان کیا ، کہا ہم سے وہیب نے بیان کیا ، انہوں نے ایوب سے روایت کیا ، انہوں نے ابوقلابہ سے ، انہوں نے ثابت بن ضحاک سے ، انہوں نے کہا کہ
رسول کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جو اسلام کے سوا کسی اور مذہب پر قسم کھائے پس وہ ایسا ہی ہے جیسی کہ اس نے قسم کھائی ہے اور جو شخص اپنے نفس کو کسی چیز سے ہلاک کرے وہ دوزخ میں اسی چیز سے عذاب دیا جاتا رہے گا اور مومن پر لعنت بھیجنا اس کو قتل کرنے کے برابر ہے اور جس نے کسی مومن پر کفر کا الزام لگایا پس وہ بھی اس کے قتل کرنے کے برابر ہے ۔
সাবিত ইবনু যহ্হাক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্মের কসম করলে সেটা ঐ রকম হবে, যেমন সে বলল। তিনি (আরও বলেছেন) কেউ কোন জিনিসের দ্বারা আত্মহত্যা করলে, জাহান্নামের আগুনে তাকে ঐ জিনিস দিয়েই শাস্তি দেয়া হবে। কোন মু‘মিনকে লা‘নত করা তাকে হত্যা করা তুল্য। আর কোন মু‘মিনকে কুফরীর অপবাদ দেয়াও তাকে হত্যা করার তুল্য।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৭)
Narrated Abu Hurairah that he heard the Prophet (ﷺ) saying, "Allah decided to test three people from Bani Isra'il. So, He sent an angel who came first to the leper and said, '(I am a traveller) who has run short of all means of living, and I have nobody to help me except Allah, and then with your help.'" Abu Hurairah then mentioned the complete narration.
اور عمرو بن عاصم نے کہا ہم سے ہمام بن یحییٰ نے بیان کیا ، کہا ہم سے اسحاق بن عبداللہ نے ، کہا ہم سے عبدالرحمٰن بن ابی عمرہ نے ، ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا ،
انہوں نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے سنا ، آپ فرماتے تھے بنی اسرائیل میں تین شخص تھے اللہ نے ان کو آزمانا چاہا ( پھر سارا قصہ بیان کیا ) فرشتے کو کوڑھی کے پاس بھیجا وہ اس سے کہنے لگا میری روزی کے سارے ذریعے کٹ گئے ہیں اب اللہ ہی کا آسرا ہے پھر تیرا ( یا اب اللہ ہی کی مدد درکار ہے پھر تیری ) پھر پوری حدیث کو ذکر کیا ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, বানী ইসরাঈল গোত্রের তিন ব্যক্তিকে আল্লাহ্ পরীক্ষা করতে চাইলেন। অতঃপর একজন ফেরেশ্তা পাঠালেন। ফেরেশ্তা কুষ্ঠরোগীর কাছে এল। সে বলল, আমার সমস্ত উপায়-উপকরণ ছিন্ন হয়ে গেছে। কাজেই আমার জন্য আল্লাহ ব্যতীত, অতঃপর তুমি ব্যতীত কোন উপায় নেই। এরপর পুরো হাদীস বর্ণনা করলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৮)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 1, Book 78, Hadith 647
Hadith 6654
Chapter 9: "They swear by Allah their strongest oaths that ..." - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ سُوَيْدِ بْنِ مُقَرِّنٍ، عَنِ الْبَرَاءِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم. وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ سُوَيْدِ بْنِ مُقَرِّنٍ، عَنِ الْبَرَاءِ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ أَمَرَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِإِبْرَارِ الْمُقْسِمِ.
Narrated Al-Bara:
The Prophet (ﷺ) ordered us to help others to fulfill the oaths.
ہم سے قبیصہ بن عقبہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے سفیان ثوری نے ، انہوں نے اشعث بن ابی الشعثاء سے ، انہوں نے معاویہ بن سویدبن مقرن سے ، انہوں نے براء بن عازب سے ، انہوں نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے ( دوسری سند ) امام بخاری نے کہا اور مجھ سے محمد بن بشار نے بیان کیا ، کہا ہم سے غندر محمد بن جعفر نے ، کہا ہم سے شعبہ نے ، انہوں نے اشعث سے ، انہوں نے معاویہ بن سوید بن مقرن سے ، انہوں نے براء رضی اللہ عنہ سے ، انہوں نے کہا کہ
آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے قسم کھانے والے کو سچا کرنے کا حکم فرمایا ۔
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে কসম পূর্ণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৯)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 648
Hadith 6655
Chapter 9: "They swear by Allah their strongest oaths that ..." - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنَا عَاصِمٌ الأَحْوَلُ، سَمِعْتُ أَبَا عُثْمَانَ، يُحَدِّثُ عَنْ أُسَامَةَ، أَنَّ ابْنَةً لِرَسُولِ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم أَرْسَلَتْ إِلَيْهِ وَمَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ وَسَعْدٌ وَأُبَىٌّ أَنَّ ابْنِي قَدِ احْتُضِرَ فَاشْهَدْنَا. فَأَرْسَلَ يَقْرَأُ السَّلاَمَ وَيَقُولُ " إِنَّ لِلَّهِ مَا أَخَذَ وَمَا أَعْطَى وَكُلُّ شَىْءٍ عِنْدَهُ مُسَمًّى فَلْتَصْبِرْ وَتَحْتَسِبْ ". فَأَرْسَلَتْ إِلَيْهِ تُقْسِمُ عَلَيْهِ، فَقَامَ وَقُمْنَا مَعَهُ، فَلَمَّا قَعَدَ رُفِعَ إِلَيْهِ، فَأَقْعَدَهُ فِي حَجْرِهِ وَنَفْسُ الصَّبِيِّ تَقَعْقَعُ، فَفَاضَتْ عَيْنَا رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ سَعْدٌ مَا هَذَا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ " هَذَا رَحْمَةٌ يَضَعُهَا اللَّهُ فِي قُلُوبِ مَنْ يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ، وَإِنَّمَا يَرْحَمُ اللَّهُ مِنْ عِبَادِهِ الرُّحَمَاءَ ".
Narrated Usama:
Once a daughter of Allah's Messenger (ﷺ) sent a message to Allah's Messenger (ﷺ) while Usama, Sa`d, and my
father or Ubai were (sitting there) with him. She said, (in the message); My child is going to die;
please come to us." Allah's Messenger (ﷺ) returned the messenger and told him to convey his greetings to
her, and say, "Whatever Allah takes, is for Him and whatever He gives is for Him, and everything
with Him has a limited fixed term (in this world): so she should be patient and hope for Allah's
reward." Then she again sent for him swearing that he should come; so The Prophet (ﷺ) got up, and so did
we. When he sat there (at the house of his daughter), the child was brought to him, and he took him
into his lap while the child's breath was disturbed in his chest. The eyes of Allah's Messenger (ﷺ) started
shedding tears. Sa`d said, "What is this, O Allah's Messenger (ﷺ)?" The Prophet (ﷺ) said, "This is the mercy
which Allah has lodged in the hearts of whoever He wants of His slaves, and verily Allah is merciful
only to those of His slaves who are merciful (to others).'
ہم سے حفص بن عمر نے بیان کیا ، کہا ہم سے شعبہ نے ، کہا ہم کو عاصم الاحول نے خبر دی ، کہا میں نے ابوعثمان سے سنا ، وہ اسامہ سے نقل کرتے تھے کہ
آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی ایک صاحبزادی ( حضرت زینب ) نے آپ کو بلابھیجا اس وقت آپ کے پاس اسامہ بن زید اور سعد بن عبادہ اور ابی بن کعب رضی اللہ عنہم بھی بیٹھے تھے ۔ صاحبزادی صاحبہ نے کہلا بھیجا کہ ان کا بچہ مرنے کے قریب ہے آپ تشریف لائیے ۔ آپ نے ان کے جوابمیں یوں کہلا بھیجا میرا سلام کہو اور کہو سب اللہ کا مال ہے جو اس نے لے لیا اور جو اس نے عنایت فرمایا اور ہر چیز کا اس کے پاس وقت مقرر ہے ، صبر کرو اور اللہ سے ثواب کی امید رکھو ۔ صاحبزادی صاحبہ نے قسم دے کر پھر کہلابھیجا کہ نہیں آپ ضرور تشریف لائیے ۔ اس وقت آپ اٹھے ، ہم لوگ بھی ساتھ اٹھے جب آپ صاحبزادی صاحبہ کے گھر پر پہنچے اور وہاںجا کر بیٹھے تو بچے کو اٹھا کر آپ کے پاس لائے ۔ آپ نے اسے گودمیں بٹھالیا وہ دم توڑ رہا تھا ۔ یہ حال پر ملال دیکھ کر آپ کی آنکھوں سے آنسو بہہ نکلے ۔ سعد بن عبادہ رضی اللہ عنہ نے عرض کیا یا رسول اللہ ! یہ رونا کیسا ہے ؟ آپ نے فرمایا یہ رونا رحم کی وجہ سے ہے اور اللہ اپنے جس بندے کے دل میں چاہتا ہے رحم رکھتا ہے یا یہ ہے کہ اللہ اپنے ان ہی بندوں پر رحم کرے گا جو دوسروں پر رحم کرتے ہیں ۔
উসামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ একবার উসামাহ ইবনু যায়দ, সা‘দ ও ‘উবাই (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলেন। এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এক কন্যা তাঁর কাছে খবর পাঠালেন যে, আমার পুত্র মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। কাজেই তিনি যেন আমাদের নিকট আসেন। তিনি সালামের সঙ্গে এ কথা বলে পাঠালেন যে, আল্লাহ যা দান করেন আর যা নিয়ে নেন সব কিছুই আল্লাহর জন্য। আর সব কিছুই আল্লাহর নিকট নির্ধারিত আছে। অতএব তুমি ধৈর্য ধারণ কর এবং সাওয়াবের আশা কর। এরপর তাঁর কন্যা কসম দিয়ে আবার খবর পাঠালেন। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাওয়ার জন্য দাঁড়ালেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে দাঁড়ালাম। (সেখানে গিয়ে) তিনি যখন বসলেন, শিশুটিকে তাঁর সামনে আনা হল। তিনি তাকে নিজের কোলে নিয়ে বসালেন, আর শিশুটির শ্বাস নিঃশেষ হয়ে আসছিল। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু‘চোখ অশ্র“ প্রবাহিত করল। তখন সা‘দ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ কী ব্যাপার? তিনি বললেনঃ এ হল রহমত, যা আল্লাহ তাঁর বান্দাদের যাকে ইচ্ছা তার মনের ভিতরে দিয়ে থাকেন। আর আল্লাহ কেবলমাত্র তাঁর দয়ালু বান্দাদের ওপরই দয়া করে থাকেন। [৬৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০০)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 649
Hadith 6656
Chapter 9: "They swear by Allah their strongest oaths that ..." - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" لاَ يَمُوتُ لأَحَدٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ ثَلاَثَةٌ مِنَ الْوَلَدِ، تَمَسُّهُ النَّارُ، إِلاَّ تَحِلَّةَ الْقَسَمِ ".
Narrated Abu Huraira:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "Any Muslim who has lost three of his children will not be touched by the Fire
except that which will render Allah's oath fulfilled."
ہم سے اسماعیل بن ابی اویس نے بیان کیا ، انہوں نے کہا مجھ سے امام مالک نے ، انہوں نے ابن شہاب سے روایت کیا ، انہوں نے سعید بن مسیب سے روایت کیا ، انہوں نے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ سے روایت کیا کہ
آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جس مسلمان کے تین بچے مر جائیں تو اس کو دوزخ کی آگ نہیں چھوئے گی مگر صرف قسم اتارنے کے لئے ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে মুসলিমের তিনটি সন্তান মারা গেছে (সে যদি ধৈর্য ধরে) তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। তবে কসম পূর্ণ করার জন্য (তাকে পুলসিরাতের উপর দিয়ে নেয়া হবে)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০১)
I heard the Prophet (ﷺ) saying, "Shall I tell you of the people of Paradise? They comprise every poor
humble person, and if he swears by Allah to do something, Allah will fulfill it; while the people of the
fire comprise every violent, cruel arrogant person."
ہم سے محمد بن مثنیٰ نے بیان کیا ، کہا مجھ سے غندر نے بیان کیا ، کہا ہم سے شعبہ نے بیان کیا ، ان سے معبد بن خالد نے ، کہا میں نے حارثہ بن وہب سے سنا ، کہا
میں نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے سنا ، آپ فرماتے تھے کہ میں تم کو بتلاؤں بہشتی کون لوگ ہیں ۔ ہر ایک غریب ناتواں جو اگر اللہ کے بھروسے پر قسم کھا بیٹھے تو اللہ اس کو سچا کرے ( اس کی قسم پوری کر دے ) اور دوزخی کون لوگ ہیں ہر ایک موٹا ، لڑاکا ، مغرور ، فسادی ۔
হারিসাহ ইবনু ওয়াহব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আমি কি তোমাদেরকে জান্নাতী লোকদের সম্পর্কে জানাব না? তারা হবে (দুনিয়াতে) দুর্বল, মাযলুম। তারা যদি আল্লাহর ওপর কসম করে, তবে আল্লাহ তা পূর্ণ করে দেন। আর জাহান্নামের অধিবাসী হবে অবাধ্য, ঝগড়াটে ও অহংকারীরা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০২)
The Prophet (ﷺ) was asked, "Who are the best people?" He replied: The people of my generation, and
then those who will follow (come after) them, and then those who will come after the later; after that
there will come some people whose witness will precede their oaths and their oaths will go ahead of
their witness." Ibrahim (a sub-narrator) said, "When we were young, our elder friends used to prohibit
us from taking oaths by saying, 'I bear witness swearing by Allah, or by Allah's Covenant."'
ہم سے سعد بن حفص نے بیان کیا ، کہا ہم سے شیبان نے بیان کیا ، ان سے منصور نے ، ان سے ابراہیم نے ، ان سے عبیدہ نے اور ان سے عبداللہ بن مسعود رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے پوچھا گیا کہ کون لوگ اچھے ہیں ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ میرا زمانہ ، پھر وہ لوگ جو اس سے قریب ہوں گے پھر وہ لوگ جو اس سے قریب ہوں گے ۔ اس کے بعد ایک ایسی قوم پیدا ہو گی جس کی گواہی قسم سے پہلے زبان پر آجایا کرے گی اور قسم گواہی سے پہلے ۔ ابراہیم نے کہا کہ ہمارے اساتذہ جب ہم کم عمر تھے تو ہمیں قسم کھانے سے منع کیا کرتے تھے کہ ہم گواہی یا عہد میں قسم کھائیں ۔
আবদুল্লাহ ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একবার জিজ্ঞেস করা হল, কোন মানুষ সর্বোত্তম? তিনি বললেনঃ আমার সময়ের মানুষ। এরপর তাদের পরবর্তী লোকেরা, এরপর তাদের পরবর্তী লোকেরা। এরপরে এমন লোক আসবে যে তাদের সাক্ষ্য কসমের উপর অগ্রগামী হবে, আর কসম সাক্ষ্যের উপর অগ্রগামী হবে। রাবী ইবরাহীম বলেন যে, আমরা যখন বালক ছিলাম তখন আমাদের সঙ্গীরা সাক্ষ্য এবং অঙ্গীকারের সঙ্গে কসম করতে নিষেধ করতেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৩)
The Prophet (ﷺ) said, "Whoever swears falsely in order to grab the property of a Muslim (or of his
brother), Allah will be angry with him when he meets Him." Allah then revealed in confirmation of
the above statement:--'Verily those who purchase a small gain at the cost of Allah's Covenant and
their own oaths.' (3.77) Al-Ash'ath said, "This Verse was revealed regarding me and a companion of
mine when we had a dispute about a well."
مجھ سے محمد بن بشار نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے محمد بن ابی عدی نے بیان کیا ، ان سے شعبہ نے ، ان سے سلیمان و منصور نے بیان کیا ، ان سے ابووائل نے بیان کیا ، اور ان سے عبداللہ بن مسعود رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جس نے جھوٹی قسم اس مقصدسے کھائی کہ کسی مسلمان کا مال اس کے ذریعہ ناجائز طریقے پر حاصل کرے تو وہ اللہ تعالیٰ سے اس حال میں ملے گا کہ وہ اس پر غضب ناک ہو گا ۔ پھر اللہ تعالیٰ نے اس کی تصدیق نازل کی ( قرآن مجید میں کہ ) بلاشبہ وہ لوگ جو اللہ کے عہد کے ذریعہ خریدتے ہیں ۔
سلیمان نے بیان کیا کہ پھر اشعث بن قیس رضی اللہ عنہ وہاں سے گزرے اور پوچھا کہ عبداللہ تم سے کیا بیان کر رہے تھے ۔ ہم نے ان سے بیان کیا تو اشعث رضی اللہ عنہ نے کہا کہ یہ آیت میرے اور میرے ایک ساتھی کے بارے میں نازل ہوئی تھی ۔ ایک کنویں کے سلسلے میں ہم دونوں کا جھگڑا تھا ۔
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কোন মুসলিমের মাল আত্মসাৎ করার জন্য অথবা বলেছেনঃ তার ভাইয়ের মাল আত্মসাৎ করার জন্য যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম করবে, আল্লাহ্র সাথে তার সাক্ষাত ঘটবে এমন অবস্থায় যে আল্লাহ্ তার উপর রাগান্বিত থাকবেন। এ কথারই সত্যতায় আল্লাহ তা‘আলা-অবতীর্ণ করেনঃ নিশ্চয় যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মুল্যে বিক্রয় করে, এরা আখিরাতের নি’মাতের কোন অংশই পাবে না।
বর্ণনাকারী থেকে বর্ণিতঃ রাবী সুলায়মান তাঁর বর্ণিত হাদীসে বলেন, আশ‘আস ইবনু কায়স্ (রাঃ) যখন পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন জিজ্ঞেস করেন, ‘আবদুল্লাহ তোমাদের কাছে কী বর্ণনা করেছেন? জবাবে লোকেরা তাঁকে কিছু বলল। তখন আশ‘আস (রাঃ) বললেন, এ আয়াত আমার আর আমার এক সাথী সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। আমাদের দু‘জনের মাঝে একটি কুপ নিয়ে বিবাদ ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৪)
The Prophet (ﷺ) said, "The Hell Fire will keep on saying: 'Are there anymore (people to come)?' Till the
Lord of Power and Honor will put His Foot over it and then it will say, 'Qat! Qat! (sufficient!
sufficient!) by Your Power and Honor. And its various sides will come close to each other (i.e., it will
contract). "
ہم سے آدم بن ابی ایاس نے بیان کیا ، کہا ہم سے شیبان نے بیان کیا ، کہا ہم سے قتادہ نے بیان کیا ، ان سے انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جہنم برابر یہی کہتی رہے گی کہ کیا کچھ اور ہے کیا کچھ اور ہے ؟ آخر اللہ تبارک و تعالیٰ اپنا قدم اس میں رکھ دے گا تو وہ کہہ اٹھے گی بس بس میں بھر گئی ، تیری عزت کی قسم ! اور اس کا بعض حصہ بعض کو کھانے لگے گا ۔ اس روایت کو شعبہ نے قتادہ سے نقل کیا ۔
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নাম সর্বদাই বলতে থাকবে-আরও কি আছে? এমন কি রাব্বুল ইযযত তাতে তাঁর পা রাখবেন। ‘বাস, বাস‘ জাহান্নাম বলবে, তোমার ইযযতের কসম! সেদিন তার একাংশ অন্য অংশের সঙ্গে মিলিত হয়ে যাবে। শু‘বা, ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন।[৪৮৪৮; মুসলিম ৫১/১৩, হাঃ ২৮৪৮, আহমাদ ১২৩৮৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৬)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 654
Hadith 6662
Chapter 13: "La 'amrullah" - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا الأُوَيْسِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، ح وَحَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ النُّمَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ سَمِعْتُ الزُّهْرِيَّ، قَالَ سَمِعْتُ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، وَسَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، وَعَلْقَمَةَ بْنَ وَقَّاصٍ، وَعُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ حَدِيثِ، عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حِينَ قَالَ لَهَا أَهْلُ الإِفْكِ مَا قَالُوا، فَبَرَّأَهَا اللَّهُ، وَكُلٌّ حَدَّثَنِي طَائِفَةً مِنَ الْحَدِيثِ ـ فَقَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَاسْتَعْذَرَ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُبَىٍّ، فَقَامَ أُسَيْدُ بْنُ حُضَيْرٍ فَقَالَ لِسَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ لَعَمْرُ اللَّهِ لَنَقْتُلَنَّهُ.
Narrated Az-Zuhri:
I heard `Urwa bin Az-Zubair, Sa`id bin Al-Musaiyab, 'Alqama bin Waqqas and 'Ubaidullah bin
`Abdullah narrating from `Aisha, the wife of the Prophet, the story about the liars who said what they
said about her and how Allah revealed her innocence afterwards. Each one of the above four narrators
narrated to me a portion of her narration. (It was said in it), "The Prophet (ﷺ) stood up, saying, 'Is there
anyone who can relieve me from `Abdullah bin Ubai?' On that, Usaid bin Hudair got up and said to
Sa`d bin 'Ubada, La`Amrullahi (By the Eternity of Allah), we will kill him!' "
ہم سے اویسی نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابراہیم نے بیان کیا ، ان سے صالح نے ، ان سے ابن شہاب نے ( دوسری سند ) اور ہم سے حجاج نے بیان کیا ، کہا ہم سے عبداللہ بن عمر نمیری نے بیان کیا ، کہا ہم سے یونس نے بیان کیا ، کہا کہ میں نے زہری سے سنا ، کہا کہ
میں نے عروہ بن زبیر ، سعید بن مسیب ، علقمہ بن وقاص اور عبیداللہ بن عبداللہ رضی اللہ عنہما سے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی زوجہ مطہرہ حضرت صدیقہ رضی اللہ عنہا کی بات کے متعلق سنا کہ جب تہمت لگانے والے نے ان پر تہمت لگائی تھی اور اللہ تعالیٰ نے ان کو اس سے بری قرار دیا تھا ۔ اور ہر شخص نے مجھ سے پوری بات کا کوئی ایک حصہ ہی بیان کا ۔ پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کھڑے ہوئے اور عبداللہ بن ابی کے بارے میں مدد چاہی ۔ پھر اسید بن حضیر رضی اللہ عنہ کھڑے ہوئے اور سعد بن عبادہ رضی اللہ عنہ سے کہا کہ خدا کی قسم ( لعمراللہ ) ہم ضرور اسے قتل کر دیں گے ۔ مفصل حدیث پیچھے گزر چکی ہے ۔
উরঅয়া বিন আয যুবায়ের (র) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর অপবাদ বিষয়ক হাদীস বর্ণনা করেন। অপবাদ রটনাকারীরা যখন তাঁর সম্পর্কে যা ইচ্ছে তাই অপবাদ রটালো, তখন আল্লাহ তাঁকে পূত-পবিত্র বলে প্রকাশ করে দিলেন। রাবী বলেন, উপর্যুক্ত বর্ণনাকারীগণ প্রত্যেকেই হাদীসের এক একটি অংশ আমার কাছে বর্ণনা করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উবাই এর মিথ্যা রটনা থেকে নিরাপত্তা চাইলেন। এরপর উসায়দ ইবনু হুযায়র (রাঃ) দাঁড়ালেন এবং সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ সম্পর্কে বললেন, আল্লাহ্র কসম, অবশ্য অবশ্যই আমরা তাকে হত্যা করব।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৭)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 655
Hadith 6663
Chapter 14: "Allah will not call you to account for that which is unintentional in your oaths ..." - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ هِشَامٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها {لاَ يُؤَاخِذُكُمُ اللَّهُ بِاللَّغْوِ} قَالَ قَالَتْ أُنْزِلَتْ فِي قَوْلِهِ لاَ، وَاللَّهِ بَلَى وَاللَّهِ.
Narrated `Aisha:
regarding: 'Allah will not call you to account for that which is unintentional in your oaths...' (2.225)
This Verse was revealed concerning such oath formulas as: 'No, by Allah!' and 'Yes, by Allah!'
something against his oath due to forgetfulness should he make expiation?). And the Statement of
Allah: 'And there is no blame on you if you make a mistake therein.' (33.5) And Allah said:-- '(Moses
said to Khadir): Call me not to account for what I forgot.' (18.73)
مجھ سے محمد بن مثنیٰ نے بیان کیا ، کہا ہم سے یحییٰ قطان نے بیان کیا ، ان سے ہشام بن عروہ نے ، کہا کہ مجھے میرے والد نے خبر دی ، انہیں حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا نے کہ
آیت ” اللہ تعالیٰ تم سے لغوقسموں کے بارے میں پکڑ نہیں کرے گا “ ۔ راوی نے بیان کیا کہ حضرت ام المؤمنین نے کہا کہ یہ آیت لاواﷲ بلی واﷲ ( بے ساختہ جو قسمیں عادت بنا لی جاتی ہیں ) کے بارے میں نازل ہوئی تھی ۔
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, {لاَ يُؤَاخِذُكُمْ اللهُ} আয়াতটি- لاَ وَاللهِ (না, আল্লাহর শপথ) এবং بَلَى وَاللهِ
(হ্যাঁ, আল্লাহর শপথ) এ জাতীয় কথা বলা সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়। [৪৬১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৮)
The Prophet (ﷺ) said, "Allah forgives my followers those (evil deeds) their souls may whisper or suggest
to them as long as they do not act (on it) or speak."
ہم سے خلاد بن یحییٰ نے بیان کیا ، کہا ہم سے مسعر بن کدام نے بیان کیا ، کہا ہم سے قتادہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے زرارہ بن اوفی نے بیان کیا ، ان سے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے کہ اللہ تعالیٰ نے میری امت کی ان غلطیوں کو معاف کیا ہے جن کا صرف دل میں وسوسہ گذرے یا دل میں اس کے کرنے کی خواہش پیدا ہو ، مگر اس کے مطابق عمل نہ ہو اور نہ بات کی ہو ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। আর আবূ হুরায়রা (রাঃ) অন্যত্র হাদীস মারফু‘ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি {নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)} বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ আমার উম্মাতের ঐ সকল ওয়াস্ওয়াসা ক্ষমা করে দিয়েছেন যা তাদের মনে উদিত হয় বা যে সব কথা মনে মনে বলে থাকে; যতক্ষন না তা বাস্তবে করে বা সে সম্পর্কে কথা বলে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৯)
While the Prophet (ﷺ) was delivering a sermon on the Day of Nahr (i.e., 10th Dhul-Hijja-Day of
slaughtering the sacrifice), a man got up saying, "I thought, O Allah's Messenger (ﷺ), such-and-such a thing
was to be done before such-and-such a thing." Another man got up, saying, "O Allah's Messenger (ﷺ)! As
regards these three (acts of Hajj), thought so-and-so." The Prophet (ﷺ) said, "Do, and there is no harm,"
concerning all those matters on that day. And so, on that day, whatever question he was asked, he
said, "Do it, do it, and there is no harm therein."
ہم سے عثمان بن الہیثم نے بیان کیا یا ہم سے محمد بن یحییٰ ذہلی نے عثمان بن الہیثم سے بیان کیا ، ان سے ابن جریج نے کہا کہ میں نے ابن شہاب سے سنا ، کہا کہ مجھ سے عیسیٰ بن طلحہ نے بیان کیا ، ان سے عبداللہ بن عمرو بن العاص نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم ( حجۃ الوداع میں ) قربانی کے دن خطبہ دے رہے تھے کہ ایک صحابی کھڑے ہوئے اور عرض کیا ، یا رسول اللہ ! میں فلاں فلاں ارکان کو فلاںفلاں ارکان سے پہلے خیال کرتا تھا ( اس غلطی سے ان کو آگے پیچھے ادا کیا ) اس کے بعد دوسرے صاحب کھڑے ہوئے اور عرض کیا یا رسول اللہ ! میں فلاں فلاں ارکان حج کے متعلق یونہی خیال کرتا تھا ان کا اشارہ ( حلق ، رمی اور نحر ) کی طرف تھا ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا یونہی کر لو ( تقدیم و تاخیر کرنے میں ) آج ان میں سے کسی کام میں کوئی حرج نہیں ہے ۔ چنانچہ اس دن آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے جس مسئلہ میں بھی پوچھا گیا تو آپ نے یہی فرمایا کہ کر لو کوئی حرج نہیں ۔
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন খুতবা দিচ্ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়িয়ে নিবেদন করল, হে আল্লাহর রসূল! আমি ধারণা করলাম যে, অমুক অমুক রুকনের পূর্বে অমুক অমুক রুকন হবে। এরপর আরেক জন উঠে দাঁড়াল এবং বলল, হে আল্লাহর রসূল! অমুক অমুক আমলের পূর্বে অমুক আমাল হবে, (অর্থাৎ তারা যবহ, হলক ও তাওয়াফ) এ তিনটি কাজ সম্পর্কে জানতে চাইল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ করতে পার, কোন দোষ নেই। ঐ দিন যে সম্পর্কে তিনি জিজ্ঞেসিত হলেন, বললেনঃ করতে পার, কোন দোষ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১০)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 658
Hadith 6666
Chapter 15: If someone does something against his oath due to forgetfulness - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ رُفَيْعٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ قَالَ رَجُلٌ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم زُرْتُ قَبْلَ أَنْ أَرْمِيَ. قَالَ " لاَ حَرَجَ ". قَالَ آخَرُ حَلَقْتُ قَبْلَ أَنْ أَذْبَحَ. قَالَ " لاَ حَرَجَ ". قَالَ آخَرُ ذَبَحْتُ قَبْلَ أَنْ أَرْمِيَ. قَالَ " لاَ حَرَجَ ".
Narrated Ibn `Abbas:
A man said to the Prophet (while he was delivering a sermon on the Day of Nahr), "I have performed
the Tawaf round the Ka`ba before the Rami (throwing pebbles) at the Jamra." The Prophet (ﷺ) said,
"There is no harm (therein)." Another man said, "I had my head shaved before slaughtering (the
sacrifice)." The Prophet (ﷺ) said, "There is no harm." A third said, "I have slaughtered (the sacrifice)
before the Rami (throwing pebbles) at the Jamra." The Prophet (ﷺ) said, "There is no harm."
ہم سے احمد یونس نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ابوبکر بن عیاش نے بیان کیا ، ان سے عبدالعزیز بن رفیع نے بیان کیا ، ان سے عطاء بن ابی رباح نے بیان کیا اور ان سے حضرت عبداللہ بن عباس رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ
ایک صحابی نے نبی کریم صلیاللہ علیہ وسلم سے کہا ، میں نے رمی کرنے سے پہلے طواف زیارت کر لیا ہے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ کوئی حرج نہیں ۔ تیسرے نے کہا کہ میں نے رمی کرنے سے پہلے ہی ذبح کر لیا ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کوئی حرج نہیں ۔
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বলল যে, আমি পাথর নিক্ষেপের আগে যিয়ারাত করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। আরেক ব্যক্তি বলল, আমি তো যবহ করার আগে মাথা মুন্ডন করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। আরেক জন বলল, আমি পাথর নিক্ষেপের আগে যবহ্ করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১১)
A man entered the mosque and started praying while Allah's Messenger (ﷺ) was sitting somewhere in the
mosque. Then (after finishing the prayer) the man came to the Prophet (ﷺ) and greeted him. The Prophet (ﷺ)
said to him, "Go back and pray, for you have not prayed. The man went back, and having prayed, he
came and greeted the Prophet. The Prophet (ﷺ) after returning his greetings said, "Go back and pray, for
you did not pray." On the third time the man said, "(O Allah's Messenger (ﷺ)!) teach me (how to pray)." The
Prophet said, "When you get up for the prayer, perform the ablution properly and then face the Qibla
and say Takbir (Allahu Akbar), and then recite of what you know of the Qur'an, and then bow, and
remain in this state till you feel at rest in bowing, and then raise your head and stand straight; and then
prostrate till you feel at rest in prostration, and then sit up till you feel at rest while sitting; and then
prostrate again till you feel at rest in prostration; and then get up and stand straight, and do all this in
all your prayers."
مجھ سے اسحاق بن منصور نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابواسامہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے عبیداللہ بن عمر نے بیان کیا ، ان سے سعید بن ابی سعید نے اور ان سے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے کہ
ایک صحابی مسجدنبوی میں نماز پڑھنے کے لئے آئے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم مسجد کے ایک کنارے تشریف رکھتے تھے ۔ پھر وہ صحابی آئے اور سلام کیا تو آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ جا پھر نماز پڑھ ، اس لئے کہ تو نے نماز نہیں پڑھی ۔ وہ واپس گئے اور پھر نماز پڑھ کر آئے اور سلام کیا ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے اس مرتبہ بھی ان سے یہی فرمایا کہ واپس جا اور نماز پڑھ کیونکہ تو نے نماز نہیں پڑھی ۔ آخر تیسری مرتبہ میں وہ صحابی بولے کہ پھر مجھے نماز کا طریقہ سکھا دیجئیے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ جب تم نماز کے لئے کھڑے ہوا کرو تو پہلے پوری طرح وضو کر لیا کرو ، پھر قبلہ رو ہو کر تکبیر کہو اور جو کچھ قرآن مجید میں تمہیں یاد ہے اور تم آسانی کے ساتھ پڑھ سکتے ہو اسے پڑھا کرو ، پھر رکوع کرو اور سکون کے ساتھ رکوع کرچکو تو اپنا سر اٹھاؤ اور جب سیدھے کھڑے ہو جاؤ تو سجدہ کرو ، جب سجدے کی حالت میں اچھی طرح ہو جاؤ تو سجدہ سے سراٹھاؤ ، یہاں تک کہ سیدھے ہو جاؤ اور اطمینان سے بیٹھ جاؤ ، پھر سجدہ کرو اور جب اطمینان سے سجدہ کر لو تو سر اٹھاؤ یہاں تک کہ سیدھے کھڑے ہو جاؤ ، یہ عمل تم اپنی پوری نماز میں کرو ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ এক ব্যাক্তি মাসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করছিল। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন মাসজিদের এক কোণে অবস্থান করছিলেন। লোকটি এসে তাঁকে সালাম করল। তিনি বললেনঃ ফিরে যাও এবং সালাত আদায় কর। কেননা তুমি সালাত আদায় করনি। তখন সে ফিরে গেল এবং সালাত আদায় করল। আবার এসে তাঁকে সালাম দিল। তিনি বললেনঃ তোমার উপরেও সালাম। তুমি ফিরে যাও এবং সালাত আদায় কর। কারণ, তুমি সলাত আদায় করনি। তৃতীয়বারে লোকটি বলল, আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ যখন তুমি সালাতে দন্ডায়মান হবে তখন খুব ভালভাবে ‘উযূ করবে। এরপর কিব্লামুখী হবে। তারপর তাকবীর বলবে। এরপর কুরআন থেকে যা তোমার জন্য সহজ তা তিলাওয়াত করবে। এরপর ধীরস্থিরভাবে রুকূ করবে। এরপর মাথা উঠাবে। এমনকি সঠিকভাবে দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর সাজ্দাহ করবে ধীরস্থিরভাবে। এরপর মাথা তুলে সোজা হবে এবং ধীরস্থিরভাবে বসে যাবে। এরপর আবার ধীরস্থিরভাবে সাজদাহ করবে। তারপর সিজ্দা থেকে মাথা উঠিয়ে স্থির হয়ে বসবে। তারপর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর তোমার পুরো সালাতেই এরূপ করবে। [৬৮](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১২)
When the pagans were defeated during the (first stage) of the battle of Uhud, Satan shouted, "O
Allah's slaves! Beware of what is behind you!" So the front files of the Muslims attacked their own
back files. Hudhaifa bin Al-Yaman looked and on seeing his father he shouted: "My father! My
father!" By Allah! The people did not stop till they killed his father. Hudhaifa then said, "May Allah
forgive you." `Urwa (the sub-narrator) added, "Hudhaifa continued asking Allah forgiveness for the
killers of his father till he met Allah (till he died).
ہم سے فروہ بن ابی المغراء نے بیان کیا ، کہا ہم سے علی بن مسہر نے ، ان سے ہشام بن عروہ نے ، ان سے ان کے والد نے اور ان سے عائشہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ
جب احد کی لڑائی میں مشرک شکست کھا گئے اور اپنی شکست ان میں مشہور ہو گئی تو ابلیس نے چیخ کر کہا ( مسلمانوں سے ) کہ اے للہ کے بندو ! پیچھے دشمن ہے چنانچہ آگے کے لوگ پیچھے کی طرف پل پڑے اور پیچھے والے ( مسلمانوں ہی سے ) لڑ پڑے ۔ اس حالت میں حذیفہ بن الیمان رضی اللہ عنہ نے دیکھا کہ لوگ ان کے مسلمان والد کو بےخبری میں مار رہے ہیں تو انہوں نے مسلمانوں سے کہا کہ یہ تو میرے والد ہیں جو مسلمان ہیں ، میرے والد ! عائشہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ اللہ کی قسم لوگ پھر بھی باز نہیں آئے اور آخر انہیں قتل کر ہی ڈالا ۔ حذیفہ نے کہا ، اللہ تمہاری مغفرت کرے ۔ عروہ نے بیان کیا کہ حذیفہ رضی اللہ عنہ کو اپنے والد کی اس طرح شہادت کا آخر وقت تک رنج اور افسوس ہی رہا یہاں تک کہ وہ اللہ سے جا ملے ۔
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, উহূদের যুদ্ধে মুশরিকরা প্রকাশ্যতঃ পরাজিত হলে ইব্লিস চিৎকার করে বলল, হে আল্লাহ্র বান্দারা! তোমরা পিছনের দিকে ফির। এতে সামনের লোকগুলো পিছনের দিকে ফিরল। তারপর পিছনের লোকগুলোর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। হুযাইফা ইব্নু ইয়ামান (রাঃ) হঠাৎ তাঁর পিতাকে দেখে (মুসলিমদের প্রতি লক্ষ্য করে) বললেন, এ তো আমার পিতা, আমার পিতা। আল্লাহ্র কসম! তারা ফিরল না। শেষে তারা তাঁকে হত্যা করল। হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্ তোমাদের ক্ষমা করুন। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বললেন যে, আল্লাহ্র কসম! মৃত্যু পর্যন্ত হুযাইফাহ (রাঃ)-এর মাঝে এ ব্যাপারটি বিদ্যমান ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৩)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 78, Hadith 661
Hadith 6669
Chapter 15: If someone does something against his oath due to forgetfulness - كتاب الأيمان والنذور
حَدَّثَنِي يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي عَوْفٌ، عَنْ خِلاَسٍ، وَمُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
" مَنْ أَكَلَ نَاسِيًا وَهْوَ صَائِمٌ فَلْيُتِمَّ صَوْمَهُ، فَإِنَّمَا أَطْعَمَهُ اللَّهُ وَسَقَاهُ ".
Narrated Abu Huraira:
The Prophet (ﷺ) said, "If somebody eats something forgetfully while he is fasting, then he should
complete his fast, for Allah has made him eat and drink."
مجھ سے یوسف بن موسیٰ نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ابواسامہ نے بیان کیا ، انہوں نے کہا کہ مجھ سے عوف اعرابی نے بیان کیا ، ان سے خلاص بن عمرو اور محمد بن سیرین نے کہا کہ حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جس نے روزہ رکھا ہو اور بھول کر کھا لیا ہو تو اسے اپنا روزہ پورا کر لینا چاہئے کیونکہ اسے اللہ نے کھلایا پلایا ہے ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সায়িম ভুলে কিছু খায় সে যেন তার সওম পূর্ণ করে। কেননা, আল্লাহ্ তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন। [৬৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৪)
Once Allah's Messenger (ﷺ) led us in prayer, and after finishing the first two rak`at, got up (instead of sitting
for at-Tahiyyat) and then carried on with the prayer. When he had finished his prayer, the people were
waiting for him to say Taslim, but before saying Tasiim, he said Takbir and prostrated; then he raised
his head, and saying Takbir, he prostrated (SAHU) and then raised his head and finished his prayer
with Taslim.
ہم سے آدم بن ابی ایاس نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے محمد بن عبدالرحمٰن بن ابی ذئب نے بیان کیا ، ان سے زہری نے بیان کیا ، ان سے اعرج نے اور ان سے حضرت عبداللہ بن بجینہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے ہمیں نماز پڑھائی اور پہلی دو رکعات کے بعد بیٹھنے سے پہلے ہی اٹھ گئے اور نماز پوری کر لی ۔ جب نماز پڑھ چکے تو لوگوں نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے سلام کا انتظار کیا ۔ پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے تکبیر کہی اورسلام پھیرنے سے پہلے سجدہ کیا ، پھر سجدہ سے سر اٹھایا اور دوبارہ تکبیر کہہ کر سجدہ کیا ۔ پھر سجدہ سے سر اٹھایا اورسلام پھیرا ۔
আবদুল্লাহ্ ইবনু বুহাইনাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। প্রথম দু’রাকআতে বসার পূর্বেই তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। এভাবেই সলাত আদায় করতে থাকলেন। সলাত শেষ করলে লোকেরা তাঁর সালামের অপেক্ষা করছিল। তিনি আল্লাহু আকবর বলে সালামের পূর্বে সাজদাহ করলেন। এরপর তিনি তার মাথা উঠালেন। আবার আল্লাহু আকবর বলে সাজদাহ করলেন। এরপর আবার মাথা উঠালেন এবং সালাম ফিরালেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৫)
that Allah's Prophet led them in the Zuhr prayer and he offered either more or less rak`at, and it was
said to him, "O Allah's Messenger (ﷺ) ! Has the prayer been reduced, or have you forgotten?" He asked,
"What is that?" They said, "You have prayed so many rak`at." So he performed with them two more
prostrations and said, "These two prostrations are to be performed by the person who does not know
whether he has prayed more or less (rak`at) in which case he should seek to follow what is right. And
then complete the rest (of the prayer) and perform two extra prostrations."
مجھ سے اسحاق بن ابراہیم نے بیان کیا ، انہوں نے عبدالعزیز بن عبدالصمد سے سنا ، کہا ہم سے منصور بن معتمر نے بیان کیا ، ان سے ابراہیم نخعی نے ، ان سے علقمہ نے اور ان سے ابن مسعود رضی اللہ عنہما نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے انہیں ظہر کی نماز پڑھائی اور نماز میں کوئی چیز زیادہ یا کم کر دی ۔ منصور نے بیان کیا کہ مجھے معلوم نہیں ابراہیم کو شبہ ہوا تھا یا علقمہ کو ۔ بیان کیا کہ پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے کہا گیا کہ یا رسول اللہ ! نماز میں کچھ کمی کر دی گئی ہے یا آپ بھول گئے ہیں ؟ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے دریافت فرمایا ، کیا بات ہے ؟ لوگوں نے کہا کہ آپ نے اس اس طرح نماز پڑھائی ہے ۔ بیان کیا کہ پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے ان کے ساتھ دو سجدے ( سہو کے ) کئے اور فرمایا یہ دو سجدے اس شخص کے لئے ہیں جسے یقین نہ ہو کہ اس نے اپنی نماز میں کمی یا زیادہ کر دی ہے اسے چاہئے کہ صحیح بات تک پہنچنے کے لئے ذہن پر زور ڈالے اور جو باقی رہ گیا ہو اسے پورا کرے پھر دو سجدے ( سہوکے ) کر لے ۔
ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার তাঁদের নিয়ে যুহুরের সলাত আদায় করলেন। তিনি সালাতে কিছু বেশি করলেন বা কিছু কম করলেন। মানসূর বলেন, এই কম-অধিকের ব্যাপারে সন্দেহ ইব্রাহীমের না ‘আলক্বামাহ্র তা আমার জানা নেই। রাবী বলেন, জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহ্র রসূল! (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের মাঝে কি কিছু কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, না আপনি ভুলে গেছেন? তিনি বললেনঃ কী হয়েছে? সহাবাগন বললেন, আপনি এভাবে এভাবে সলাত আদায় করেছেন। রাবী বলেন, তখন তিনি তাদেরকে নিয়ে দু’টি সাজদাহ করেন। এরপর বললেন, এ দু’টি সাজদাহ ঐ ব্যাক্তির জন্য যার স্মরণ নেই যে, সালাতে সে কি অধিক কিছু করেছে, না কম করেছে। এমন অবস্থায় সে চিন্তা করে (নির্ভুলটি স্থির করার চেষ্টা করবে)। আর যা বাকি থাকবে তা পুরা করে নেবে। এরপর দু’টি সাজদাহ করবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৬)
that he heard Allah's Messenger (ﷺ) saying, "(Moses) said, 'Call me not to
account for what I forget and be not hard upon me for my affair (with
you)' (18.73) the first excuse of Moses was his forgetfulness."
ہم سے حضرت امام حمیدی نے بیان کیا ، کہا ہم سے حضرت سفیان بن عیینہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے عمرو بن دینار نے بیان کیا ، کہا مجھ کو سعید بن جبیر نے خبر دی ، کہا کہ میں نے حضرت ابن عباس رضی اللہ عنہما سے پوچھا تو انہوں نے بیان کیا کہ ہم سے ابی بن کعب رضی اللہ عنہ نے بیان کیا ،
انہوں نے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے سنا ، آیت ” لا تؤاخذني بما نسيت ولا ترهقني من أمري عسرا “ کے متعلق کہ پہلی مرتبہ اعتراض موسیٰ علیہ السلام سے بھول کر ہوا تھا ۔
উবাহ ইব্নু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আল্লাহর বাণীঃ لاَ تُؤَاخِذْنِي بِمَا نَسِيتُ وَلاَ تُرْهِقْنِي مِنْ أَمْرِي عُسْرًا (মূসা বলল, ‘আমার ভুলের জন্য আমাকে পাকড়াও করবেন না, আর আমার ব্যাপারে আপনি অধিক কড়াকড়ি করবেন না) সম্পর্কে শুনেছেন। তিনি বলেছেনঃ মূসা (আঃ)-এর প্রথমটি ভুলবশত হয়েছিল। [৭৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৭)