Somebody said to the Prophet (during his last Hajj), "I did the slaughtering before doing the Rami.'
The Prophet (ﷺ) beckoned with his hand and said, "There is no harm in that." Then another person said. "I
got my head shaved before offering the sacrifice." The Prophet (ﷺ) beckoned with his hand saying, "There
is no harm in that."
ہم سے موسیٰ بن اسماعیل نے بیان کیا ، ان سے وہیب نے ، ان سے ایوب نے عکرمہ کے واسطے سے نقل کیا ، وہ حضرت ابن عباس رضی اللہ عنہما سے روایت کرتے ہیں کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے آپ کے ( آخری ) حج میں کسی نے پوچھا کہ میں نے رمی کرنے ( یعنی کنکر پھینکنے ) سے پہلے ذبح کر لیا ، آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے ہاتھ سے اشارہ کیا ( اور ) فرمایا کچھ حرج نہیں ۔ کسی نے کہا کہ میں نے ذبح سے پہلے حلق کرا لیا ۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے سر سے اشارہ فرما دیا کہ کچھ حرج نہیں ۔
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হাজ্জের সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞাসিত হলেন। কোন একজন বলল : আমি কঙ্কর নিক্ষেপের পূর্বেই যবেহ (কুরবানী) করে ফেলেছি। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বললেনঃ কোন অসুবিধে নেই। আর এক ব্যক্তি বলল : আমি যবেহ করার পূর্বে মাথা মুণ্ডন করে ফেলেছি। তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করলেন : কোন ক্ষতি নেই।
(১৭২১, ১৭২২, ১৭২৩, ১৭৩৪, ৬৬৬৬ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৮৪)
The Prophet (ﷺ) said, "(Religious) knowledge will be taken away (by the death of religious scholars)
ignorance (in religion) and afflictions will appear; and Harj will increase." It was asked, "What is
Harj, O Allah's Messenger (ﷺ)?" He replied by beckoning with his hand indicating "killing." (Fath-al-Bari
Page 192, Vol. 1)
ہم سے مکی ابن ابراہیم نے بیان کیا ، انہیں حنظلہ نے سالم سے خبر دی ، انھوں نے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ سے سنا ، وہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے روایت کرتے ہیں
آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ ( ایک وقت ایسا آئے گا کہ جب ) علم اٹھا لیا جائے گا ۔ جہالت اور فتنے پھیل جائیں گے اور ہرج بڑھ جائے گا ۔ آپ سے پوچھا گیا کہ یا رسول اللہ ! ہرج سے کیا مراد ہے ؟ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے اپنے ہاتھ کو حرکت دے کر فرمایا اس طرح ، گویا آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے اس سے قتل مراد لیا ۔
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ (শেষ যামানায়) ‘ইল্ম উঠিয়ে নেয়া হবে, অজ্ঞতা ও ফিতনা ছড়িয়ে পড়বে এবং ‘হার্জ’ বেড়ে যাবে। জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহর রসূল! ‘হার্জ’ কী? তিনি হাত দ্বারা ইঙ্গিত করে বললেনঃ ‘এ রকম’। যেন তিনি এর দ্বারা হত্যা বুঝিয়েছিলেন।
(১০৩৬, ১৪১২, ৩৬০৮, ৪৬৩৫, ৬০৩৭, ৬৫০৬, ৬৯৩৫, ৭০৬১, ৭১১৫, ৭১২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৮৫)
I came to `Aisha while she was praying, and said to her, "What has happened to the people?" She
pointed out towards the sky. (I looked towards the mosque), and saw the people offering the prayer.
Aisha said, "Subhan Allah." I said to her, "Is there a sign?" She nodded with her head meaning, "Yes."
I, too, then stood (for the prayer of eclipse) till I became (nearly) unconscious and later on I poured
water on my head. After the prayer, the Prophet (ﷺ) praised and glorified Allah and then said,
"Just now at this place I have seen what I have never seen before, including Paradise and Hell. No
doubt it has been inspired to me that you will be put to trials in your graves and these trials will be like
the trials of Masih-ad-Dajjal or nearly like it (the sub narrator is not sure which expression Asma'
used). You will be asked, 'What do you know about this man (the Prophet (ﷺ) Muhammad)?' Then the
faithful believer (or Asma' said a similar word) will reply, 'He is Muhammad Allah's Messenger (ﷺ) who had
come to us with clear evidences and guidance and so we accepted his teachings and followed him.
And he is Muhammad.' And he will repeat it thrice. Then the angels will say to him, 'Sleep in peace as
we have come to know that you were a faithful believer.' On the other hand, a hypocrite or a doubtful
person will reply, 'I do not know, but I heard the people saying something and so I said it.' (the same).
"
ہم سے موسیٰ بن اسماعیل نے بیان کیا ، ان سے وہیب نے ، ان سے ہشام نے فاطمہ کے واسطے سے نقل کیا ، وہ اسماء سے روایت کرتی ہیں کہ
میں عائشہ رضی اللہ عنہا کے پاس آئی ، وہ نماز پڑھ رہی تھیں ، میں نے کہا کہ لوگوں کا کیا حال ہے ؟ تو انھوں نے آسمان کی طرف اشارہ کیا ( یعنی سورج کو گہن لگا ہے ) اتنے میں لوگ ( نماز کے لیے ) کھڑے ہو گئے ۔ حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا نے کہا ، اللہ پاک ہے ۔ میں نے کہا ( کیا یہ گہن ) کوئی ( خاص ) نشانی ہے ؟ انھوں نے سر سے اشارہ کیا یعنی ہاں ! پھر میں ( بھی نماز کے لیے ) کھڑی ہو گئی ۔ حتیٰ کہ مجھے غش آنے لگا ، تو میں اپنے سر پر پانی ڈالنے لگی ۔ پھر ( نماز کے بعد ) رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے اللہ تعالیٰ کی تعریف اور اس کی صفت بیان فرمائی ، پھر فرمایا ، جو چیز مجھے پہلے دکھلائی نہیں گئی تھی آج وہ سب اس جگہ میں نے دیکھ لی ، یہاں تک کہ جنت اور دوزخ کو بھی دیکھ لیا اور مجھ پر یہ وحی کی گئی کہ تم اپنی قبروں میں آزمائے جاؤ گے ، «مثل» یا «قرب» کا کون سا لفظ حضرت اسماء نے فرمایا ، میں نہیں جانتی ، فاطمہ کہتی ہیں ( یعنی ) فتنہ دجال کی طرح ( آزمائے جاؤ گے ) کہا جائے گا ( قبر کے اندر کہ ) تم اس آدمی کے بارے میں کیا جانتے ہو ؟ تو جو صاحب ایمان یا صاحب یقین ہو گا ، کون سا لفظ فرمایا حضرت اسماء رضی اللہ عنہا نے ، مجھے یاد نہیں ۔ وہ کہے گا وہ محمد اللہ کے رسول صلی اللہ علیہ وسلم ہیں ، جو ہمارے پاس اللہ کی ہدایت اور دلیلیں لے کر آئے تو ہم نے ان کو قبول کر لیا اور ان کی پیروی کی وہ محمد صلی اللہ علیہ وسلم ہیں ۔ تین بار ( اسی طرح کہے گا ) پھر ( اس سے ) کہہ دیا جائے گا کہ آرام سے سو جا بیشک ہم نے جان لیا کہ تو محمد صلی اللہ علیہ وسلم پر یقین رکھتا تھا ۔ اور بہرحال منافق یا شکی آدمی ، میں نہیں جانتی کہ ان میں سے کون سا لفظ حضرت اسماء رضی اللہ عنہا نے کہا ۔ تو وہ ( منافق یا شکی آدمی ) کہے گا کہ جو لوگوں کو میں نے کہتے سنا میں نے ( بھی ) وہی کہہ دیا ۔ ( باقی میں کچھ نہیں جانتا ۔ )
আসমা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-র নিকট আসলাম, তিনি তখন সালাত রত ছিলেন। আমি বললাম, ‘মানুষের কী হয়েছে?’ তিনি আকাশের দিকে ইঙ্গিত করলেন ( সূর্য গ্রহণ লেগেছে )। তখন সকল লোক (সালাতুল কুসূফ এর জন্য ) দাঁড়িয়ে রয়েছে। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, সুবহানাল্লাহ! আমি বললাম, এটা কি কোন নিদর্শন? তিনি মাথা দিয়ে ইঙ্গিত করলেন, ‘হ্যাঁ।’ অতঃপর আমি (সালাতে) দাঁড়িয়ে গেলাম। এমনকি (দীর্ঘতার কারণে) আমার জ্ঞান হারিয়ে ফেলার উপক্রম হল। তাই আমি আমার মাথায় পানি ঢালতে আরম্ভ করলাম। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর হামদ ও সানা পাঠ করলেন। অতঃপর বললেনঃ যা কিছু আমাকে ইতোপূর্বে দেখানো হয়নি , তা আমি আমার এ স্থানেই দেখতে পেয়েছি। এমনকি জান্নাত ও জাহান্নামও। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা আমার নিকট ওয়াহী প্রেরণ করলেন, ‘দাজ্জালের ন্যায় (কঠিন) পরীক্ষা অথবা তাঁর কাছাকাছি বিপদ দিয়ে তোমাদেরকে কবরে পরীক্ষায় ফেলা হবে।’
ফাতিমা (রাঃ) বলেন, আসমা (রাঃ) مِثْلُ (অনুরুপ) শব্দ বলেছিলেন, না قَرِيْبُ (কাছাকাছি) শব্দ, তা ঠিক আমার মনে নেই। (কবরের মধ্যে) বলা হবে, ‘এ ব্যাক্তি সম্পর্কে তুমি কী জান?’ তখন মু’মিন ব্যাক্তি বা মু’কিন (বিশ্বাসী) ব্যাক্তি [ফাতিমা (রাঃ) বলেন ] আসমা (রাঃ) এর কোন শব্দটি বলেছিলেন আমি জানিনা], বলবে ,তিনি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), তিনি আল্লাহর রসূল। আমাদের নিকট মু’জিযা ও হিদায়াত নিয়ে এসেছিলেন। আমরা তা গ্রহণ করেছিলাম এবং তাঁর ইততিবা’ করেছিলাম। তিনি মুহাম্মাদ।’ তিনবার এরূপ বলবে। তখন তাকে বলা হবে , আরামে ঘুমিয়ে থাক , আমরা জানতে পারলাম যে, তুমি (দুনিয়ায়) তাঁর উপর বিশ্বাসী ছিলে। আর মুনাফিক অথবা মুরতাব (সন্দেহ পোষণকারী) ফাতিমা বলেন, আসমা কোনটি বলেছিলেন, আমি ঠিক মনে করতে পারছি না- বলবে, আমি কিছুই জানি না। মানুষকে (তাঁর সম্পর্কে) যা বলতে শুনেছি , আমিও তাই বলেছি।
(১৮৪, ৯২২, ১০৫৩, ১০৫৪, ১০৬১, ১২৩৫, ১৩৭৩, ২৫১৯, ২৫২০, ৭২৮৭; মুসলিম ১০/২ হাঃ ৯০৫, আহমাদ ২৬৯৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৮৬)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 1, Book 3, Hadith 86
Hadith 87
Chapter 25: The Prophet (saws) urged the people (mission) of 'Abdul Qais to memorize the faith and the (religious) knowledge (as he explained to them) and to inform (convey) to their people whom they left behind (at home) - كتاب العلم
I was an interpreter between the people and Ibn `Abbas. Once Ibn `Abbas said that a delegation of the
tribe of `Abdul Qais came to the Prophet (ﷺ) who asked them, "Who are the people (i.e. you)? (Or) who
are the delegates?" They replied, "We are from the tribe of Rabi`a." Then the Prophet (ﷺ) said to them,
"Welcome, O people (or said, "O delegation (of `Abdul Qais).") Neither will you have disgrace nor
will you regret." They said, "We have come to you from a distant place and there is the tribe of the
infidels of Mudar intervening between you and us and we cannot come to you except in the sacred
month. So please order us to do something good (religious deeds) and that we may also inform our
people whom we have left behind (at home) and that we may enter Paradise (by acting on them.)" The
Prophet ordered them to do four things, and forbade them from four things. He ordered them to
believe in Allah Alone, the Honorable the Majestic and said to them, "Do you know what is meant by
believing in Allah Alone?" They replied, "Allah and His Apostle know better." Thereupon the Prophet (ﷺ)
said, "(That means to testify that none has the right to be worshipped but Allah and that Muhammad is
His Apostle, to offer prayers perfectly, to pay Zakat, to observe fasts during the month of Ramadan,
(and) to pay Al-Khumus (one fifth of the booty to be given in Allah's cause)." Then he forbade them
four things, namely Ad-Dubba.' Hantam, Muzaffat (and) An-Naqir or Muqaiyar (These were the
names of pots in which alcoholic drinks used to be prepared). The Prophet (ﷺ) further said, "Memorize
them (these instructions) and tell them to the people whom you have left behind."
ہم سے محمد بن بشار نے بیان کیا ، ان سے غندر نے ، ان سے شعبہ نے ابوجمرہ کے واسطے سے بیان کیا کہ
میں ابن عباس رضی اللہ عنہما اور لوگوں کے درمیان ترجمانی کے فرائض انجام دیتا تھا ( ایک مرتبہ ) ابن عباس رضی اللہ عنہما نے کہا کہ قبیلہ عبدالقیس کا وفد رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں آیا ۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے دریافت فرمایا کہ کون سا وفد ہے ؟ یا یہ کون لوگ ہیں ؟ انھوں نے کہا کہ ربیعہ خاندان ( کے لوگ ہیں ) آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ مبارک ہو قوم کو ( آنا ) یا مبارک ہو اس وفد کو ( جو کبھی ) نہ رسوا ہو نہ شرمندہ ہو ( اس کے بعد ) انھوں نے عرض کیا کہ ہم ایک دور دراز کونے سے آپ صلی اللہ علیہ وسلم کے پاس آئے ہیں اور ہمارے اور آپ کے درمیان کفار مضر کا یہ قبیلہ ( پڑتا ) ہے ( اس کے خوف کی وجہ سے ) ہم حرمت والے مہینوں کے علاوہ اور ایام میں نہیں آ سکتے ۔ اس لیے ہمیں کوئی ایسی ( قطعی ) بات بتلا دیجیئے کہ جس کی ہم اپنے پیچھے رہ جانے والے لوگوں کو خبر دے دیں ۔ ( اور ) اس کی وجہ سے ہم جنت میں داخل ہو سکیں ۔ تو آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے انہیں چار باتوں کا حکم دیا اور چار سے روک دیا ۔ اول انہیں حکم دیا کہ ایک اللہ پر ایمان لائیں ۔ ( پھر ) فرمایا کہ کیا تم جانتے ہو کہ ایک اللہ پر ایمان لانے کا کیا مطلب ہے ؟ انھوں نے عرض کیا ، اللہ اور اس کا رسول زیادہ جانتے ہیں ۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ( ایک اللہ پر ایمان لانے کا مطلب یہ ہے کہ ) اس بات کا اقرار کرنا کہ اللہ کے سوا کوئی معبود نہیں اور یہ کہ محمد ( صلی اللہ علیہ وسلم ) اللہ کے سچے رسول ہیں اور نماز قائم کرنا ، زکوٰۃ ادا کرنا اور ماہ رمضان کے روزے رکھنا اور یہ کہ تم مال غنیمت سے پانچواں حصہ ادا کرو اور چار چیزوں سے منع فرمایا ، دباء ، حنتم ، اور مزفت کے استعمال سے ۔ اور ( چوتھی چیز کے بارے میں ) شعبہ کہتے ہیں کہ ابوجمرہ بسا اوقات «نقير» کہتے تھے اور بسا اوقات «مقير» ۔ ( اس کے بعد ) رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ ان ( باتوں کو ) یاد رکھو اور اپنے پیچھے ( رہ جانے ) والوں کو بھی ان کی خبر کر دو ۔
আবূ জামরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) ও লোকদের মধ্যে ভাষান্তরের কাজ করতাম। একদা ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন , ‘আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট আসলে তিনি বললেনঃ তোমরা কোন প্রতিনিধি দল? অথবা বললেন তোমরা কোন গোত্রের? তাঁরা বললো রাবী‘আহ গোত্রের। তিনি বললেনঃ ‘স্বাগতম। এ গোত্রের প্রতি অথবা এ প্রতিনিধি দলের প্রতি, এরা কোনরূপ অপদস্থ ও লাঞ্ছিত না হয়েই এসেছে। তারা বলল, ‘আমরা বহু দূর হতে আপনার নিকট এসেছি। আর আমাদের ও আপনার মধ্যে রয়েছে কাফিরদের এই ‘মুযার’ গোত্রের বাস। আমরা নিষিদ্ধ মাস ব্যতীত আপনার নিকট আসতে সক্ষম নই। সুতরাং আমাদের এমন কিছু নির্দেশ দিন, যা আমাদের পশ্চাতে যারা রয়েছে তাদের নিকট পৌঁছাতে এবং তাঁর ওয়াসীলায় আমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারি।’ তখন তিনি তাদের চারটি কাজের নির্দেশ দিলেন এবং চারটি কাজ থেকে নিষেধ করলেন। তাদের এক আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপনের আদেশ করলেন। তিনি বললেনঃ এক আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন কীরূপে হয় জান? তাঁরা বললঃ ‘আল্লাহ ও তাঁর রসূলই ভাল জানেন।’ তিনি বললেনঃ ‘তা হল এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রসূল, সালাত প্রতিষ্ঠা করা , যাকাত আদায় করা এবং রমযান-এর সিয়াম পালন করা আর তোমরা গনীমতের মাল থেকে এক-পঞ্চমাংশ দান করবে।’ আর তাদের নিষেধ করলেন শুকনো কদুর খোল, সবুজ কলস এবং আলকাতরা দ্বারা রঙ করা পাত্র ব্যবহার করতে। শু‘বা বলেন, কখনও (আবূ জামরা) খেজুর গাছ থেকে তৈরি পাত্রের কথাও বলেছেন আবার তিনি কখনও النَّقي -এর স্থলে المُقَيَّر বলেছেন। রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা এগুলো মনোযোগ সহকারে স্মরণ রাখ এবং তোমাদের পশ্চাতে যারা রয়েছে তাদের নিকট পৌঁছে দাও।
(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৮৭)
`Uqba bin Al-Harith said that he had married the daughter of Abi Ihab bin `Aziz. Later on a woman
came to him and said, "I have suckled (nursed) `Uqba and the woman whom he married (his wife) at
my breast." `Uqba said to her, "Neither I knew that you have suckled (nursed) me nor did you tell
me." Then he rode over to see Allah's Messenger (ﷺ) at Medina, and asked him about it. Allah's Messenger (ﷺ) said,
"How can you keep her as a wife when it has been said (that she is your foster-sister)?" Then `Uqba
divorced her, and she married another man.
ہم سے ابوالحسن محمد بن مقاتل نے بیان کیا ، انہیں عبداللہ نے خبر دی ، انہیں عمر بن سعید بن ابی حسین نے خبر دی ، ان سے عبداللہ بن ابی ملیکہ نے عقبہ ابن الحارث کے واسطے سے نقل کیا کہ
عقبہ نے ابواہاب بن عزیز کی لڑکی سے نکاح کیا تو ان کے پاس ایک عورت آئی اور کہنے لگی کہ میں نے عقبہ کو اور جس سے اس کا نکاح ہوا ہے ، اس کو دودھ پلایا ہے ۔ نہ تو نے کبھی مجھے بتایا ہے ۔ ( یہ سن کر ) عقبہ نے کہا ، مجھے نہیں معلوم کہ تو نے مجھے دودھ پلایا ہے اور نہ تو نے کبھی مجھے بتایا ہے ۔ تب عقبہ سوار ہو کر رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں مدینہ منورہ حاضر ہوئے اور آپ سے اس کے متعلق دریافت کیا ، تو آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ، کس طرح ( تم اس لڑکی سے رشتہ رکھو گے ) حالانکہ ( اس کے متعلق یہ ) کہا گیا تب عقبہ بن حارث نے اس لڑکی کو چھوڑ دیا اور اس نے دوسرا خاوند کر لیا ۔
‘উকবাহ ইব্নুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি আবূ ইহাব ইব্নু ‘আযীয (রাঃ) –এর কন্যাকে বিয়ে করলে তাঁর নিকট জনৈকা স্ত্রীলোক এসে বলল, আমি ‘ঊকবাহ (রাঃ) –কে এবং সে যাকে বিয়ে করেছে তাকে (আবূ ইহাবের কন্যাকে) দুধ পান করিয়েছি। ‘উকবাহ তাকে বললেন আমি জানি না তুমি আমাকে দুধ পান করিয়েছ, আর (ইতোপূর্বে) তুমি আমাকে একথা জানাও নি। অতঃপর তিনি মদীনায় আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলেন এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ কথার পর তুমি কীভাবে তাঁর সঙ্গে সংসার করবে? অতঃপর ‘উকবাহ তাঁর স্ত্রীকে আলাদা করে দিলেন এবং মহিলা অন্য স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হল।
(২০৫২, ২৬৪০, ২৬৫৯, ২৬৬০, ৫১০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৮৮)
My Ansari neighbor from Bani Umaiya bin Zaid who used to live at `Awali Al-Medina and used to
visit the Prophet (ﷺ) by turns. He used to go one day and I another day. When I went I used to bring the
news of that day regarding the Divine Inspiration and other things, and when he went, he used to do
the same for me. Once my Ansari friend, in his turn (on returning from the Prophet), knocked
violently at my door and asked if I was there." I became horrified and came out to him. He said,
"Today a great thing has happened." I then went to Hafsa and saw her weeping. I asked her, "Did
Allah's Messenger (ﷺ) divorce you all?" She replied, "I do not know." Then, I entered upon the Prophet (ﷺ) and
said while standing, "Have you divorced your wives?" The Prophet (ﷺ) replied in the negative. On that I
said, "Allahu-Akbar (Allah is Greater)." (See Hadith No. 119, Vol. 3 for details)
ہم سے ابوالیمان نے بیان کیا ، انہیں شعیب نے زہری سے خبر دی ( ایک دوسری سند سے ) حضرت امام بخاری رحمہ اللہ کہتے ہیں کہ ابن وہب کو یونس نے ابن شہاب سے خبر دی ، وہ عبیداللہ بن عبداللہ ابن ابی ثور سے نقل کرتے ہیں ، وہ عبداللہ بن عباس رضی اللہ عنہما سے ، وہ حضرت عمر رضی اللہ عنہ سے روایت کرتے ہیں کہ
میں اور میرا ایک انصاری پڑوسی دونوں اطراف مدینہ کے ایک گاؤں بنی امیہ بن زید میں رہتے تھے جو مدینہ کے ( پورب کی طرف ) بلند گاؤں میں سے ہے ۔ ہم دونوں باری باری آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت شریف میں حاضر ہوا کرتے تھے ۔ ایک دن وہ آتا ، ایک دن میں آتا ۔ جس دن میں آتا اس دن کی وحی کی اور ( رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی فرمودہ ) دیگر باتوں کی اس کو خبر دے دیتا تھا اور جب وہ آتا تھا تو وہ بھی اسی طرح کرتا ۔ تو ایک دن وہ میرا انصاری ساتھی اپنی باری کے روز حاضر خدمت ہوا ( جب واپس آیا ) تو اس نے میرا دروازہ بہت زور سے کھٹکھٹایا اور ( میرے بارے میں پوچھا کہ ) کیا عمر یہاں ہیں ؟ میں گھبرا کر اس کے پاس آیا ۔ وہ کہنے لگا کہ ایک بڑا معاملہ پیش آ گیا ہے ۔ ( یعنی رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے اپنی بیویوں کو طلاق دے دی ہے ) پھر میں ( اپنی بیٹی ) حفصہ کے پاس گیا ، وہ رو رہی تھی ۔ میں نے پوچھا ، کیا تمہیں رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے طلاق دے دی ہے ؟ وہ کہنے لگی میں نہیں جانتی ۔ پھر میں نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں حاضر ہوا ۔ میں نے کھڑے کھڑے کہا کہ کیا آپ ( صلی اللہ علیہ وسلم ) نے اپنی بیویوں کو طلاق دے دی ہے ؟ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا نہیں ۔ ( یہ افواہ غلط ہے ) تب میں نے ( تعجب سے ) کہا «الله اكبر» اللہ بہت بڑا ہے ۔
উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি ও আমার এক আনসারী প্রতিবেশী বনী উমাইয়া ইব্নু যায়দের মহল্লায় বাস করতাম। এ মহল্লাটি ছিল মদীনার উঁচু এলাকায় অবস্থিত। আমরা দু’জনে পালাক্রমে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হতাম। তিনি একদিন আসতেন আর আমি একদিন আসতাম। আমি যেদিন আসতাম, সেদিনের ওয়াহী প্রভৃতির খবর নিয়ে তাঁকে পৌঁছে দিতাম। আর তিনি যেদিন আসতেন সেদিন তিনিও তাই করতেন। অতঃপর একদা আমার আনসারী সাথী তাঁর পালার দিন আসলেন এবং (সেখান থেকে ফিরে) আমার দরজায় খুব জোরে জোরে আঘাত করতে লাগলেন। (আমার নাম নিয়ে) বলতে লাগলেন, তিনি কি এখানে আছেন? আমি ঘাবড়ে গিয়ে তাঁর দিকে গেলাম। তিনি বললেন, এক বিরাট ঘটনা ঘটে গেছে [আল্লাহর রসূল(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীগণকে তালাক দিয়েছেন]। আমি তখনি (আমার কন্যা) হাফসা (রাঃ) এর নিকট গেলাম। তিনি তখন কাঁদছিলেন। আমি বললাম, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তোমাদের তালাক দিয়ে দিয়েছেন? তিনি বললেন, ‘আমি জানি না।’ অতঃপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট গেলাম এবং দাঁড়িয়ে থেকেই বললামঃ আপনি কি আপনার স্ত্রীদের তালাক দিয়েছেন? জবাবে তিনি বললেনঃ ‘না।’ আমি তখন বললাম ‘আল্লাহ আকবর’।
(২৪৬৮, ৪৯১৩, ৪৯১৫, ৫১৯১, ৫২১৮, ৫৮৪৩, ৭২৫৬, ৭২৬৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৮৯)
Once a man said to Allah's Messenger (ﷺ) "O Allah's Messenger (ﷺ)! I may not attend the (compulsory
congregational) prayer because so and so (the Imam) prolongs the prayer when he leads us for it. The
narrator added: "I never saw the Prophet (ﷺ) more furious in giving advice than he was on that day. The
Prophet said, "O people! Some of you make others dislike good deeds (the prayers). So whoever leads
the people in prayer should shorten it because among them there are the sick the weak and the needy
(having some jobs to do).
ہم سے محمد بن کثیر نے بیان کیا انہیں سفیان نے ابوخالد سے خبر دی ، وہ قیس بن ابی حازم سے بیان کرتے ہیں ، وہ ابومسعود انصاری سے روایت کرتے ہیں کہ
ایک شخص ( حزم بن ابی کعب ) نے ( رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں آ کر ) عرض کیا ۔ یا رسول اللہ ! فلاں شخص ( معاذ بن جبل ) لمبی نماز پڑھاتے ہیں اس لیے میں ( جماعت کی ) نماز میں شریک نہیں ہو سکتا ( کیونکہ میں دن بھر اونٹ چرانے کی وجہ سے رات کو تھک کر چکنا چور ہو جاتا ہوں اور طویل قرآت سننے کی طاقت نہیں رکھتا ) ( ابومسعود راوی کہتے ہیں ) کہ اس دن سے زیادہ میں نے کبھی رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کو وعظ کے دوران اتنا غضب ناک نہیں دیکھا ۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا اے لوگو ! تم ( ایسی شدت اختیار کر کے لوگوں کو دین سے ) نفرت دلانے لگے ہو ۔ ( سن لو ) جو شخص لوگوں کو نماز پڑھائے تو وہ ہلکی پڑھائے ، کیونکہ ان میں بیمار ، کمزور اور حاجت والے ( سب ہی قسم کے لوگ ) ہوتے ہیں ۔
আবূ মাস’উদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদা জনৈক ব্যাক্তি বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল ! আমি সালাতে (জামা’আতে) শামিল হতে পারি না। কারণ অমুক ব্যাক্তি আমাদের নিয়ে খুব দীর্ঘ সালাত আদায় করেন। [আবূ মাস’উদ (রাঃ) বলেন,] আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কোন নাসীহাতের মজলিসে সেদিনের তুলনায় অধিক রাগান্বিত হতে দেখিনি। (রাগত স্বরে) তিনি বললেনঃ হে লোক সকল ! তোমরা মানুষের মধ্যে বিরক্তির সৃষ্টি কর। অতএব যে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করবে সে যেন সংক্ষেপ করে। কারণ তাঁদের মধ্যে রোগী , দুর্বল ও কর্মব্যস্ত লোকও থাকে।
(৭০২, ৭০৪, ৬১১০, ৭১৫৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৯০)
A man asked the Prophet (ﷺ) about the picking up of a "Luqata" (fallen lost thing). The Prophet (ﷺ) replied,
"Recognize and remember its tying material and its container, and make public announcement (about
it) for one year, then utilize it but give it to its owner if he comes." Then the person asked about the
lost camel. On that, the Prophet (ﷺ) got angry and his cheeks or his Face became red and he said, "You
have no concern with it as it has its water container, and its feet and it will reach water, and eat (the
leaves) of trees till its owner finds it." The man then asked about the lost sheep. The Prophet (ﷺ) replied,
"It is either for you, for your brother (another person) or for the wolf."
ہم سے عبداللہ بن محمد نے بیان کیا ، ان سے ابوعامر العقدی نے ، وہ سلیمان بن بلال المدینی سے ، وہ ربیعہ بن ابی عبدالرحمٰن سے ، وہ یزید سے جو منبعث کے آزاد کردہ تھے ، وہ زید بن خالد الجہنی سے روایت کرتے ہیں کہ
ایک شخص ( عمیر یا بلال ) نے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے پڑی ہوئی چیز کے بارے میں دریافت کیا ۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ، اس کی بندھن پہچان لے یا فرمایا کہ اس کا برتن اور تھیلی ( پہچان لے ) پھر ایک سال تک اس کی شناخت ( کا اعلان ) کراؤ پھر ( اس کا مالک نہ ملے تو ) اس سے فائدہ اٹھاؤ اور اگر اس کا مالک آ جائے تو اسے سونپ دو ۔ اس نے پوچھا کہ اچھا گم شدہ اونٹ ( کے بارے میں ) کیا حکم ہے ؟ آپ کو اس قدر غصہ آ گیا کہ رخسار مبارک سرخ ہو گئے ۔ یا راوی نے یہ کہا کہ آپ کا چہرہ سرخ ہو گیا ۔ ( یہ سن کر ) آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ۔ تجھے اونٹ سے کیا واسطہ ؟ اس کے ساتھ خود اس کی مشک ہے اور اس کے ( پاؤں کے ) سم ہیں ۔ وہ خود پانی پر پہنچے گا اور خود پی لے گا اور خود درخت پر چرے گا ۔ لہٰذا اسے چھوڑ دو یہاں تک کہ اس کا مالک مل جائے ۔ اس نے کہا کہ اچھا گم شدہ بکری کے ( بارے میں ) کیا ارشاد ہے ؟ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ، وہ تیری ہے یا تیرے بھائی کی ، ورنہ بھیڑئیے کی ( غذا ) ہے ۔
যায়দ ইব্নু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে কুড়িয়ে পাওয়া জিনিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ তাঁর বাঁধনের রশি অথবা বললেন, থলে-ঝুলি ভাল করে চিনে রাখ। অতঃপর এক বছর পর্যন্ত তার ঘোষণা দিতে থাক। তারপর (মালিক পাওয়া না গেলে) তুমি তা ব্যবহার কর। অতঃপর যদি এর প্রাপক আসে তবে তাকে তা দিয়ে দেবে। সে বলল , ‘হারানো উটের ব্যাপারে কী করতে হবে?’ এ কথা শুনে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন রাগ করলেন যে, তাঁর গাল দু’টো লাল হয়ে গেল। অথবা বর্ণণাকারী বলেন, তাঁর মুখমন্ডল লাল হয়ে গেল। তিনি বললেনঃ ‘উট নিয়ে তোমার কী হয়েছে? তার তো আছে পানির মশক ও শক্ত পা। পানির নিকট যেতে পারে এবং গাছ খেতে পারে। কাজেই তাকে ছেড়ে দাও এমন সময়ের মধ্যে তার মালিক তাকে পেয়ে যাবে।’ সে বলল, ‘হারানো ছাগল পাওয়া গেলে?’ তিনি বললেন, ‘সেটি তোমার হবে, নাহলে তোমার ভাইয়ের, না হলে বাঘের।’
(২৩৭২, ২৪২৭, ২৪২৮, ২৪২৯, ২৪৩৬, ২৪৩৮, ৫২৯২, ৬১১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৯১)
The Prophet (ﷺ) was asked about things which he did not like, but when the questioners insisted, the
Prophet got angry. He then said to the people, "Ask me anything you like." A man asked, "Who is my
father?" The Prophet (ﷺ) replied, "Your father is Hudhafa." Then another man got up and said, "Who is
my father, O Allah's Messenger (ﷺ) ?" He replied, "Your father is Salim, Maula (the freed slave) of Shaiba."
So when `Umar saw that (the anger) on the face of the Prophet (ﷺ) he said, "O Allah's Messenger (ﷺ)! We repent
to Allah (Our offending you).
ہم سے محمد بن علاء نے بیان کیا ، ان سے ابواسامہ نے برید کے واسطے سے بیان کیا ، وہ ابوبردہ سے اور وہ ابوموسیٰ سے روایت کرتے ہیں کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے کچھ ایسی باتیں دریافت کی گئیں کہ آپ صلی اللہ علیہ وسلم کو برا معلوم ہوا اور جب ( اس قسم کے سوالات کی ) آپ صلی اللہ علیہ وسلم پر بہت زیادتی کی گئی تو آپ کو غصہ آ گیا ۔ پھر آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے لوگوں سے فرمایا ( اچھا اب ) مجھ سے جو چاہو پوچھو ۔ تو ایک شخص نے دریافت کیا کہ میرا باپ کون ہے ؟ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ، تیرا باپ حذافہ ہے ۔ پھر دوسرا آدمی کھڑا ہوا اور اس نے پوچھا کہ یا رسول اللہ ! میرا باپ کون ہے ؟ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ تیرا باپ سالم شبیہ کا آزاد کردہ غلام ہے ۔ آخر حضرت عمر رضی اللہ عنہ نے آپ کے چہرہ مبارک کا حال دیکھا تو عرض کیا یا رسول اللہ ! ہم ( ان باتوں کے دریافت کرنے سے جو آپ کو ناگوار ہوں ) اللہ سے توبہ کرتے ہیں ۔
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন , একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কয়েকটি অপছন্দনীয় বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। প্রশ্নের সংখ্যা অধিক হয়ে যাওয়ায় তখন তিনি রেগে গিয়ে লোকদেরকে বললেনঃ ‘তোমরা আমার নিকট যা ইচ্ছা প্রশ্ন কর।’ জনৈক ব্যাক্তি বলল, ‘আমার পিতা কে?’ তিনি বললেনঃ ‘তোমার পিতা হুযাফাহ।’ আর এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল ! ‘আমার পিতা কে?’ তিনি বললেনঃ ‘তোমার পিতা হল শায়বার দাস সালিম।’ তখন ‘উমার (রাঃ) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর চেহারার অবস্থা দেখে বললেনঃ ‘হে আল্লাহর রসূল ! আমরা মহিমান্বিত আল্লাহর নিকট তাওবাহ করছি।’
৭২৯১; মুসলিম ৪৩/৩৭ হাঃ ২৩৬০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৯২)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 1, Book 3, Hadith 92
Hadith 93
Chapter 29: Whoever knelt down before the Imam or a (religious) preacher - كتاب العلم
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ، فَقَامَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حُذَافَةَ فَقَالَ مَنْ أَبِي فَقَالَ " أَبُوكَ حُذَافَةُ ". ثُمَّ أَكْثَرَ أَنْ يَقُولَ " سَلُونِي ". فَبَرَكَ عُمَرُ عَلَى رُكْبَتَيْهِ فَقَالَ رَضِينَا بِاللَّهِ رَبًّا، وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا، وَبِمُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم نَبِيًّا، فَسَكَتَ.
Narrated Anas bin Malik:
One day Allah's Messenger (ﷺ) came out (before the people) and `Abdullah bin Hudhafa stood up and asked
(him) "Who is my father?" The Prophet (ﷺ) replied, "Your father is Hudhafa." The Prophet (ﷺ) told them
repeatedly (in anger) to ask him anything they liked. `Umar knelt down before the Prophet (ﷺ) and said
thrice, "We accept Allah as (our) Lord and Islam as (our) religion and Muhammad as (our) Prophet."
After that the Prophet (ﷺ) became silent.
ہم سے ابوالیمان نے بیان کیا ، انہیں شعیب نے زہری سے خبر دی ، انہیں انس بن مالک نے بتلایا کہ
( ایک دن ) رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم گھر سے نکلے تو عبداللہ بن حذافہ کھڑے ہو کر پوچھنے لگے کہ حضور میرا باپ کون ہے ؟ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا : حذافہ پھر آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے باربار فرمایا کہ مجھ سے پوچھو ، تو حضرت عمر رضی اللہ عنہ نے دو زانو ہو کر عرض کیا کہ ہم اللہ کے رب ہونے پر ، اسلام کے دین ہونے ، اور محمد صلی اللہ علیہ وسلم کے نبی ہونے پر راضی ہیں ( اور یہ جملہ ) تین مرتبہ ( دہرایا ) پھر ( یہ سن کر ) رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم خاموش ہو گئے ۔
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ ইব্নু হুযাফাহ দাঁড়িয়ে বললেন, ‘আমার পিতা কে?’ তিনি বললেনঃ ‘তোমার পিতা হুযাফাহ।’ অতঃপর তিনি বারবার বলতে লাগলেন, ‘তোমরা আমাকে প্রশ্ন কর।’ ‘উমার (রাঃ) তখন জানু পেতে বসে বললেনঃ ‘আমরা আল্লাহকে প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে নবী হিসেবে সন্তুষ্ট চিত্তে গ্রহণ করে নিয়েছি।’ তিনি এ কথা তিনবার বললেন। এতে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীরব হলেন।
(৫৪০, ৭৪৯, ৪৬২১, ৬৩৬২, ৬৪৬৮, ৬৪৮৬, ৭০৮৯, ৭০৯০, ৭০৯১, ৭২৯৪, ৭২৯৫; মুসলিম ৪৩/৩৭ হাঃ ২৩৫৯, আহমাদ ১২৬৫৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৯৩)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 1, Book 3, Hadith 93
Hadith 94
Chapter 30: Repeating ones talk thrice in order to make others understand - كتاب العلم
حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا ثُمَامَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ إِذَا سَلَّمَ سَلَّمَ ثَلاَثًا، وَإِذَا تَكَلَّمَ بِكَلِمَةٍ أَعَادَهَا ثَلاَثًا.
Narrated Anas:
Whenever the Prophet (ﷺ) asked permission to enter, he knocked the door thrice with greeting and
whenever he spoke a sentence (said a thing) he used to repeat it thrice. (See Hadith No. 261, Vol. 8).
ہم سے عبدہ نے بیان کیا ، ان سے عبدالصمد نے ، ان سے عبداللہ بن مثنی نے ، ان سے ثمامہ بن عبداللہ بن انس نے ، ان سے حضرت انس رضی اللہ عنہ نے بیان کیا ، وہ نبی اکرم صلی اللہ علیہ وسلم سے روایت کرتے ہیں کہ
جب آپ صلی اللہ علیہ وسلم سلام کرتے تو تین بار سلام کرتے اور جب کوئی کلمہ ارشاد فرماتے تو اسے تین بار دہراتے یہاں تک کہ خوب سمجھ لیا جاتا ۔
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সালাম দিতেন, তিনবার সালাম দিতেন। আর যখন কোন কথা বলতেন তখন তা তিনবার বলতেন।
(৯৫, ৬২৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৯৪)
Whenever the Prophet (ﷺ) spoke a sentence (said a thing), he used to repeat it thrice so that the people
could understand it properly from him and whenever he asked permission to enter, (he knocked the
door) thrice with greeting.
ہم سے عبدہ نے بیان کیا ، ان سے عبدالصمد نے ، ان سے عبداللہ بن مثنی نے ، ان سے ثمامہ بن عبداللہ بن انس نے ، انھوں نے حضرت انس بن مالک رضی اللہ عنہ سے بیان کیا ، وہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے روایت کرتے ہیں کہ
جب آپ صلی اللہ علیہ وسلم کوئی کلمہ ارشاد فرماتے تو اسے تین بار لوٹاتے یہاں تک کہ خوب سمجھ لیا جاتا ۔ اور جب کچھ لوگوں کے پاس آپ صلی اللہ علیہ وسلم تشریف لاتے اور انہیں سلام کرتے تو تین بار سلام کرتے ۔
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোন কথা বলতেন তখন তা বুঝে নেয়ার জন্য তিনবার বলতেন। আর যখন তিনি কোন গোত্রের নিকট এসে সালাম দিতেন, তাদের প্রতি তিনবার সালাম দিতেন।
(৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৯৫)
Once Allah's Messenger (ﷺ) remained behind us in a journey. He joined us while we were performing
ablution for the `Asr prayer which was over-due. We were just passing wet hands over our feet (not
washing them properly) so the Prophet (ﷺ) addressed us in a loud voice and said twice or thrice, "Save
your heels from the fire."
ہم سے مسدد نے بیان کیا ، ان سے ابوعوانہ نے ابی بشر کے واسطے سے بیان کیا ، وہ یوسف بن ماھک سے بیان کرتے ہیں ، وہ عبداللہ بن عمرو رضی اللہ عنہما سے ، وہ کہتے ہیں کہ
ایک سفر میں رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم ہم سے پیچھے رہ گئے ۔ پھر آپ صلی اللہ علیہ وسلم ہمارے قریب پہنچے ۔ تو عصر کی نماز کا وقت ہو چکا تھا یا تنگ ہو گیا تھا اور ہم وضو کر رہے تھے ۔ ہم اپنے پیروں پر پانی کا ہاتھ پھیرنے لگے تو آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے بلند آواز سے فرمایا کہ آگ کے عذاب سے ان ایڑیوں کی ( جو خشک رہ جائیں ) خرابی ہے ۔ یہ دو مرتبہ فرمایا یا تین مرتبہ ۔
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, কোন এক সফরে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের পিছনে পড়ে গেলেন। পরে তিনি আমাদের নিকট পৌছলেন, এদিকে আমরা (আসরের) সালাত আদায় করতে বিলম্ব করে ফেলেছিলাম এবং আমরা উযূ করছিলাম। আমরা আমাদের পা কোনমতে পানি দ্বারা ভিজিয়ে নিচ্ছিলাম। তিনি উচ্চৈস্বঃরে বললেনঃ পায়ের গোড়ালিগুলোর (শুকনো থাকার) জন্য জাহান্নামের ‘আযাব রয়েছে। তিনি দু’বার বা তিনবার এ কথা বললেন।
(৬০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৯৬)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 1, Book 3, Hadith 96
Hadith 97
Chapter 31: A man teaching (religion to) his woman-slave and his family - كتاب العلم
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ـ هُوَ ابْنُ سَلاَمٍ ـ حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ حَيَّانَ، قَالَ قَالَ عَامِرٌ الشَّعْبِيُّ حَدَّثَنِي أَبُو بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
" ثَلاَثَةٌ لَهُمْ أَجْرَانِ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ آمَنَ بِنَبِيِّهِ، وَآمَنَ بِمُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم وَالْعَبْدُ الْمَمْلُوكُ إِذَا أَدَّى حَقَّ اللَّهِ وَحَقَّ مَوَالِيهِ، وَرَجُلٌ كَانَتْ عِنْدَهُ أَمَةٌ {يَطَؤُهَا} فَأَدَّبَهَا، فَأَحْسَنَ تَأْدِيبَهَا، وَعَلَّمَهَا فَأَحْسَنَ تَعْلِيمَهَا، ثُمَّ أَعْتَقَهَا فَتَزَوَّجَهَا، فَلَهُ أَجْرَانِ ".
ثُمَّ قَالَ عَامِرٌ أَعْطَيْنَاكَهَا بِغَيْرِ شَىْءٍ، قَدْ كَانَ يُرْكَبُ فِيمَا دُونَهَا إِلَى الْمَدِينَةِ.
Narrated Abu Burda's father:
Allah's Messenger (ﷺ) said "Three persons will have a double reward:
1. A Person from the people of the scriptures who believed in his
prophet (Jesus or Moses) and then believed in the Prophet (ﷺ) Muhammad (i
.e. has embraced Islam).
2. A slave who discharges his duties to Allah and his master.
3. A master of a woman-slave who teaches her good manners and educates
her in the best possible way (the religion) and manumits her and then
marries her."
ہم سے محمد بن سلام نے بیان کیا ، انھوں نے کہا ہمیں محاربی نے خبر دی ، وہ صالح بن حیان سے بیان کرتے ہیں ، انھوں نے کہا کہ عامر شعبی نے بیان کیا ، کہا ان سے ابوبردہ نے اپنے باپ کے واسطے سے نقل کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ تین شخص ہیں جن کے لیے دو گنا اجر ہے ۔ ایک وہ جو اہل کتاب سے ہو اور اپنے نبی پر اور محمد صلی اللہ علیہ وسلم پر ایمان لائے اور ( دوسرے ) وہ غلام جو اپنے آقا اور اللہ ( دونوں ) کا حق ادا کرے اور ( تیسرے ) وہ آدمی جس کے پاس کوئی لونڈی ہو ۔ جس سے شب باشی کرتا ہے اور اسے تربیت دے تو اچھی تربیت دے ، تعلیم دے تو عمدہ تعلیم دے ، پھر اسے آزاد کر کے اس سے نکاح کر لے ، تو اس کے لیے دو گنا اجر ہے ۔ پھر عامر نے ( صالح بن حیان سے ) کہا کہ ہم نے یہ حدیث تمہیں بغیر اجرت کے سنا دی ہے ( ورنہ ) اس سے کم حدیث کے لیے مدینہ تک کا سفر کیا جاتا تھا ۔
আবূ বুরদা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করে তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিন ধরনের লোকের জন্য দুটি পুণ্য রয়েছেঃ
(১) আহলে কিতাব- যে ব্যাক্তি তার নবীর উপর ঈমান এনেছে এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপরও ঈমান এনেছে।
(২) যে ক্রীতদাস আল্লাহর হক আদায় করে এবং তাঁর মালিকের হকও (আদায় করে)।
(৩) যার বাঁদী ছিল, যার সাথে সে মিলিত হত। তারপর তাঁকে সে সুন্দরভাবে আদাব-কায়দা শিক্ষা দিয়েছে এবং ভালভাবে দ্বীনী ইলম শিক্ষা দিয়েছে, অতঃপর তাঁকে আযাদ করে বিয়ে করেছে; তাঁর জন্য দু’টি পুণ্য রয়েছে। অতঃপর বর্ণনাকারী ‘আমির (রহঃ) (তাঁর ছাত্রকে) বলেন, তোমাকে কোন কিছুর বিনিময় ব্যতীতই হাদীসটি শিক্ষা দিলাম, অথচ পূর্বে এর চেয়ে ছোট হাদীসের জন্যও লোকেরা (দূর-দূরান্ত থেকে) সওয়ার হয়ে মদীনায় আসত।
(২৫৪৪, ২৫৪৭, ২৫৫১, ৩০১১, ৩৪৪৬, ৫০৮৩; মুসলিম ১/৭০ হাঃ ১৫৪, আহমাদ ১৯৭৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৯৭)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 1, Book 3, Hadith 97
Hadith 98
Chapter 32: The preaching (and teaching) of the (religious) knowledge to women by the Imam (Chief) - كتاب العلم
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَيُّوبَ، قَالَ سَمِعْتُ عَطَاءً، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، قَالَ أَشْهَدُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ـ أَوْ قَالَ عَطَاءٌ أَشْهَدُ عَلَى ابْنِ عَبَّاسٍ ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ وَمَعَهُ بِلاَلٌ، فَظَنَّ أَنَّهُ لَمْ يُسْمِعِ النِّسَاءَ فَوَعَظَهُنَّ، وَأَمَرَهُنَّ بِالصَّدَقَةِ، فَجَعَلَتِ الْمَرْأَةُ تُلْقِي الْقُرْطَ وَالْخَاتَمَ، وَبِلاَلٌ يَأْخُذُ فِي طَرَفِ ثَوْبِهِ.
وَقَالَ إِسْمَاعِيلُ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ عَطَاءٍ وَقَالَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَشْهَدُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
Narrated Ibn 'Abbas:
Once Allah's Messenger (ﷺ) came out while Bilal was accompanying him. He
went towards the women thinking that they had not heard him (i.e. his
sermon). So he preached them and ordered them to pay alms. (Hearing
that) the women started giving alms; some donated their ear-rings,
some gave their rings and Bilal was collecting them in the corner of
his garment.
ہم سے سلیمان بن حرب نے بیان کیا ، ان سے شعبہ نے ایوب کے واسطے سے بیان کیا ، انھوں نے عطاء بن ابی رباح سے سنا ، انھوں نے ابن عباس رضی اللہ عنہما سے سنا کہ
میں رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم پر گواہی دیتا ہوں ، یا عطاء نے کہا کہ میں ابن عباس پر گواہی دیتا ہوں کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم ( ایک مرتبہ عید کے موقع پر مردوں کی صفوں میں سے ) نکلے اور آپ صلی اللہ علیہ وسلم کے ساتھ بلال رضی اللہ عنہ تھے ۔ آپ کو خیال ہوا کہ عورتوں کو ( خطبہ اچھی طرح ) نہیں سنائی دیا ۔ تو آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے انہیں علیحدہ نصیحت فرمائی اور صدقے کا حکم دیا ( یہ وعظ سن کر ) کوئی عورت بالی ( اور کوئی عورت ) انگوٹھی ڈالنے لگی اور بلال رضی اللہ عنہ اپنے کپڑے کے دامن میں ( یہ چیزیں ) لینے لگے ۔ اس حدیث کو اسماعیل بن علیہ نے ایوب سے روایت کیا ، انھوں نے عطاء سے کہ ابن عباس رضی اللہ عنہما نے یوں کہا کہ میں آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم پر گواہی دیتا ہوں ( اس میں شک نہیں ہے ) امام بخاری کی غرض یہ ہے کہ اگلا باب عام لوگوں سے متعلق تھا اور یہ حاکم اور امام سے متعلق ہے کہ وہ بھی عورتوں کو وعظ سنائے ۔
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সাক্ষী রেখে বলছি, কিংবা পরবর্তী বর্ণনাকারী ‘আতা (রহঃ) বলেন, আমি ইব্নু ‘আব্বাসকে সাক্ষী রেখে বলছি যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ঈদের দিন পুরুষের কাতার থেকে) বের হলেন আর তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিলাল (রাঃ)। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ধারণা করলেন যে, দূরে থাকার জন্য তাঁর নাসীহাত মহিলাদের নিকট পৌছেনি। ফলে তিনি তাঁদের নাসীহাত করলেন এবং দান-খায়রাত করার উপদেশ দিলেন। তখন মহিলারা কানের দুল ও হাতের আংটি দান করতে লাগলেন। আর বিলাল (রাঃ) সেগুলো তাঁর কাপড়ের প্রান্তে গ্রহণ করতে লাগলেন। ইসমা‘ঈল (রহঃ) ‘আতা (রহঃ) সূত্রে বলেন যে, ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে সাক্ষী রেখে বলছি।
(৮৬৩, ৯৬২, ৯৬৪, ৯৭৫, ৯৭৭, ৯৭৯, ৯৮৯, ১৪৩১, ১৪৪৯, ৪৮৯৫, ৫২৪৯, ৫৮৮০, ৫৮৮১, ৫৮৮৩, ৭৩২৫; মুসলিম ৮/১ হাঃ ৮৮৪, আহমাদ ৩০৬৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৯৮)
I said: "O Allah's Messenger (ﷺ)! Who will be the luckiest person, who will gain your intercession on the
Day of Resurrection?" Allah's Messenger (ﷺ) said: O Abu Huraira! "I have thought that none will ask me
about it before you as I know your longing for the (learning of) Hadiths. The luckiest person who will
have my intercession on the Day of Resurrection will be the one who said sincerely from the bottom
of his heart "None has the right to be worshipped but Allah."
ہم سے عبدالعزیز بن عبداللہ نے بیان کیا ، انھوں نے کہا مجھ سے سلیمان نے عمرو بن ابی عمرو کے واسطے سے بیان کیا ۔ وہ سعید بن ابی سعید المقبری کے واسطے سے بیان کرتے ہیں ، وہ حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ سے روایت کرتے ہیں کہ
انھوں نے عرض کیا ، یا رسول اللہ ! قیامت کے دن آپ صلی اللہ علیہ وسلم کی شفاعت سے سب سے زیادہ سعادت کسے ملے گی ؟ تو رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ، اے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ مجھے یقین تھا کہ تم سے پہلے کوئی اس کے بارے میں مجھ سے دریافت نہیں کرے گا ۔ کیونکہ میں نے حدیث کے متعلق تمہاری حرص دیکھ لی تھی ۔ سنو ! قیامت میں سب سے زیادہ فیض یاب میری شفاعت سے وہ شخص ہو گا ، جو سچے دل سے یا سچے جی سے «لا إله إلا الله» کہے گا ۔
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – কে প্রশ্ন করা হলঃ হে আল্লাহর রসূল! কিয়ামতের দিন আপনার সুপারিশ লাভের ব্যাপারে কে সবচেয়ে অধিক সৌভাগ্যবান হবে? আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আবূ হুরায়রা ! আমি মনে করেছিলাম, এ বিষয়ে তোমার পূর্বে আমাকে আর কেউ জিজ্ঞেস করবে না। কেননা আমি দেখেছি হাদীসের প্রতি তোমার বিশেষ লোভ রয়েছে। কিয়ামতের দিন আমার শাফা’আত লাভে সবচেয়ে সৌভাগ্যবান হবে সেই ব্যাক্তি যে একনিষ্ঠচিত্তে (لآ إِلَهَلا إله إلا الله) (আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই) বলে।
(৬৫৭০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৯৯)
I heard Allah's Messenger (ﷺ) saying, "Allah does not take away the knowledge, by taking it away from (the
hearts of) the people, but takes it away by the death of the religious learned men till when none of the
(religious learned men) remains, people will take as their leaders ignorant persons who when
consulted will give their verdict without knowledge. So they will go astray and will lead the people
astray."
ہم سے اسماعیل بن ابی اویس نے بیان کیا ، ان سے مالک نے ہشام بن عروہ سے ، انھوں نے اپنے باپ سے نقل کیا ، انھوں نے عبداللہ بن عمرو بن العاص رضی اللہ عنہما سے نقل کیا کہ میں نے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے سنا
آپ صلی اللہ علیہ وسلم فرماتے تھے کہ اللہ علم کو اس طرح نہیں اٹھا لے گا کہ اس کو بندوں سے چھین لے ۔ بلکہ وہ ( پختہ کار ) علماء کو موت دے کر علم کو اٹھائے گا ۔ حتیٰ کہ جب کوئی عالم باقی نہیں رہے گا تو لوگ جاہلوں کو سردار بنا لیں گے ، ان سے سوالات کیے جائیں گے اور وہ بغیر علم کے جواب دیں گے ۔ اس لیے خود بھی گمراہ ہوں گے اور لوگوں کو بھی گمراہ کریں گے ۔ فربری نے کہا ہم سے عباس نے بیان کیا ، کہا ہم سے قتیبہ نے ، کہا ہم سے جریر نے ، انھوں نے ہشام سے مانند اس حدیث کے ۔
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আমর ইব্নুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অন্তর থেকে ‘ইলম উঠিয়ে নেন না, কিন্তু দ্বীনের আলিমদের উঠিয়ে নেয়ার ভয় করি। যখন কোন আলিম অবশিষ্ট থাকবে না তখন লোকেরা মূর্খদেরকেই নেতা বানিয়ে নিবে। তাঁদের জিজ্ঞেসা করা হলে না জানলেও ফতোয়া প্রদান করবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে , এবং অন্যকেও পথভ্রষ্ট করবে।
ফিরাবরী বলেন, ............ জরীর হিশামের নিকট হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(৭৩০৭; মুসলিম ৪৭/৪, হাঃ ২৬৭৩, আহমাদ ৬৫২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০১)
Some women requested the Prophet (ﷺ) to fix a day for them as the men were taking all his time. On that
he promised them one day for religious lessons and commandments. Once during such a lesson the
Prophet said, "A woman whose three children die will be shielded by them from the Hell fire." On that
a woman asked, "If only two die?" He replied, "Even two (will shield her from the Hell-fire).
ہم سے آدم نے بیان کیا ، ان سے شعبہ نے ، ان سے ابن الاصبہانی نے ، انھوں نے ابوصالح ذکوان سے سنا ، وہ حضرت ابو سعید خدری رضی اللہ عنہ سے روایت کرتے ہیں کہ
عورتوں نے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے کہا کہ ( آپ صلی اللہ علیہ وسلم سے فائدہ اٹھانے میں ) مرد ہم سے آگے بڑھ گئے ہیں ، اس لیے آپ اپنی طرف سے ہمارے ( وعظ کے ) لیے ( بھی ) کوئی دن خاص فرما دیں ۔ تو آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے ان سے ایک دن کا وعدہ فرما لیا ۔ اس دن عورتوں سے آپ نے ملاقات کی اور انہیں وعظ فرمایا اور ( مناسب ) احکام سنائے جو کچھ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے ان سے فرمایا تھا اس میں یہ بات بھی تھی کہ جو کوئی عورت تم میں سے ( اپنے ) تین ( لڑکے ) آگے بھیج دے گی تو وہ اس کے لیے دوزخ سے پناہ بن جائیں گے ۔ اس پر ایک عورت نے کہا ، اگر دو ( بچے بھیج دے ) آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ہاں ! اور دو ( کا بھی یہ حکم ہے ) ۔
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ নারীরা একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, পুরুষেরা আপনার নিকট আমাদের চেয়ে প্রাধান্য বিস্তার করে আছে। তাই আপনি নিজে আমাদের জন্য একটি দিন নির্ধারিত করে দিন। তিনি তাদের বিশেষ একটি দিনের অঙ্গীকার করলেন; সে দিন তিনি তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন এবং তাদের নাসীহাত করলেন ও নির্দেশ দিলেন। তিনি তাদের যা যা বলেছিলেন, তাঁর মধ্যে একথাও ছিল যে, তোমাদের মধ্যে যে স্ত্রীলোক তিনটি সন্তান পূর্বেই পাঠাবে [১] , তারা তার জন্য জাহান্নামের প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াবে। তখন জনৈক স্ত্রীলোক বলল , আর দু’টি পাঠালে? তিনি বললেনঃ দু’টি পাঠালেও।
(১২৪৯,৭৩১০; মুসলিম ৪৫/৪৭, হাঃ ২৬৩৩, আহমাদ ১১২৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০২)
as above (the sub narrators are different). Abu Huraira qualified the three children referred to in the
above mentioned Hadith as not having reached the age of committing sins (i.e. age of puberty) .
مجھ سے محمد بن بشار نے بیان کیا ، ان سے غندر نے ، ان سے شعبہ نے عبدالرحمٰن بن الاصبہانی کے واسطے سے بیان کیا ، وہ ذکوان سے ، وہ ابوسعید سے اور ابو سعید خدری رضی اللہ عنہ ، رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے یہی حدیث روایت کرتے ہیں ۔ اور ( دوسری سند میں ) عبدالرحمٰن الاصبہانی کہتے ہیں کہ میں نے ابوحازم سے سنا ، وہ ابوہریرہ سے نقل کرتے ہیں کہ
انھوں نے فرمایا کہ ایسے تین ( بچے ) جو ابھی بلوغت کو نہ پہنچے ہوں ۔
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবদুর রহমান আল-আসবাহানী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এমন তিনজন , যারা সাবালকত্বে পৌছেনি।
(১২৫০ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০০ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৩)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 1, Book 3, Hadith 102
Hadith 103
Chapter 36: Whoever heard something (but did not understand it) and then asked again till he understood it completely - كتاب العلم
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ أَخْبَرَنَا نَافِعُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كَانَتْ لاَ تَسْمَعُ شَيْئًا لاَ تَعْرِفُهُ إِلاَّ رَاجَعَتْ فِيهِ حَتَّى تَعْرِفَهُ، وَأَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ حُوسِبَ عُذِّبَ ". قَالَتْ عَائِشَةُ فَقُلْتُ أَوَ لَيْسَ يَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى {فَسَوْفَ يُحَاسَبُ حِسَابًا يَسِيرًا} قَالَتْ فَقَالَ " إِنَّمَا ذَلِكَ الْعَرْضُ، وَلَكِنْ مَنْ نُوقِشَ الْحِسَابَ يَهْلِكْ ".
Narrated Ibn Abu Mulaika:
Whenever `Aisha (the wife of the Prophet) heard anything which she did not understand, she used to
ask again till she understood it completely. Aisha said: "Once the Prophet (ﷺ) said, "Whoever will be
called to account (about his deeds on the Day of Resurrection) will surely be punished." I said,
"Doesn't Allah say: "He surely will receive an easy reckoning." (84.8) The Prophet (ﷺ) replied, "This
means only the presentation of the accounts but whoever will be argued about his account, will
certainly be ruined."
ہم سے سعید بن ابی مریم نے بیان کیا ، انہیں نافع بن عمر نے خبر دی ، انہیں ابن ابی ملیکہ نے بتلایا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی بیوی حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا جب کوئی ایسی باتیں سنتیں جس کو سمجھ نہ پاتیں تو دوبارہ اس کو معلوم کرتیں تاکہ سمجھ لیں ۔ چنانچہ ( ایک مرتبہ ) نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ جس سے حساب لیا گیا اسے عذاب کیا جائے گا ۔ حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا فرماتی ہیں کہ ( یہ سن کر ) میں نے کہا کہ کیا اللہ نے یہ نہیں فرمایا کہ عنقریب اس سے آسان حساب لیا جائے گا ؟ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ یہ صرف ( اللہ کے دربار میں ) پیشی کا ذکر ہے ۔ لیکن جس کے حساب میں جانچ پڑتال کی گئی ( سمجھو ) وہ غارت ہو گیا ۔
ইব্নু আবূ মুলাইকা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) কোন কথা শুনে না বুঝলে বার বার প্রশ্ন করতেন। একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “(কিয়ামতের দিন ) যার কাছ থেকে হিসেব নেয়া হবে তাঁকে শাস্তি দেয়া হবে।” ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমি জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ তা’আলা কি ইরশাদ করেননি, فَسَوْفَ يُحَاسَبُ حِسَابًا يَسِيرًا “তার হিসাব নিকাশ সহজেই নেয়া হবে” (সূরা ইনশিক্বাক ৮৪/৮)। তখন তিনি বললেনঃ তা কেবল হিসেব প্রকাশ করা। কিন্তু যারা হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে নেয়া হবে সে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।
(৪৯৩৯, ৬৫৩৬, ৬৫৩৭; মুসলিম ৫১/১৮, হাঃ ২৮৭৬, আহমাদ ২৪২৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৪)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 1, Book 3, Hadith 103
Hadith 104
Chapter 37: It is incumbent on those who are present [in a religious meeting (or conference)] to convey the knowledge to those who are absent - كتاب العلم
Abu Shuraih said, "When `Amr bin Sa`id was sending the troops to Mecca (to fight `Abdullah bin Az-
Zubair) I said to him, 'O chief! Allow me to tell you what the Prophet (ﷺ) said on the day following the
conquests of Mecca. My ears heard and my heart comprehended, and I saw him with my own eyes,
when he said it. He glorified and praised Allah and then said, "Allah and not the people has made
Mecca a sanctuary. So anybody who has belief in Allah and the Last Day (i.e. a Muslim) should
neither shed blood in it nor cut down its trees. If anybody argues that fighting is allowed in Mecca as
Allah's Messenger (ﷺ) did fight (in Mecca), tell him that Allah gave permission to His Apostle, but He did
not give it to you. The Prophet (ﷺ) added: Allah allowed me only for a few hours on that day (of the
conquest) and today (now) its sanctity is the same (valid) as it was before. So it is incumbent upon
those who are present to convey it (this information) to those who are absent." Abu- Shuraih was
asked, "What did `Amr reply?" He said `Amr said, "O Abu Shuraih! I know better than you (in this
respect). Mecca does not give protection to one who disobeys (Allah) or runs after committing
murder, or theft (and takes refuge in Mecca).
ہم سے عبداللہ بن یوسف نے بیان کیا ، ان سے لیث نے ، ان سے سعید بن ابی سعید نے ، وہ ابوشریح سے روایت کرتے ہیں کہ
انھوں نے عمرو بن سعید ( والی مدینہ ) سے جب وہ مکہ میں ( ابن زبیر سے لڑنے کے لیے ) فوجیں بھیج رہے تھے کہا کہ اے امیر ! مجھے آپ اجازت دیں تو میں وہ حدیث آپ سے بیان کر دوں ، جو رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فتح مکہ کے دوسرے دن ارشاد فرمائی تھی ، اس ( حدیث ) کو میرے دونوں کانوں نے سنا اور میرے دل نے اسے یاد رکھا ہے اور جب رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم یہ حدیث فرما رہے تھے تو میری آنکھیں آپ صلی اللہ علیہ وسلم کو دیکھ رہی تھیں ۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے ( پہلے ) اللہ کی حمد و ثنا بیان کی ، پھر فرمایا کہ مکہ کو اللہ نے حرام کیا ہے ، آدمیوں نے حرام نہیں کیا ۔ تو ( سن لو ) کہ کسی شخص کے لیے جو اللہ پر اور یوم آخرت پر ایمان رکھتا ہو جائز نہیں ہے کہ مکہ میں خون ریزی کرے ، یا اس کا کوئی پیڑ کاٹے ، پھر اگر کوئی اللہ کے رسول ( کے لڑنے ) کی وجہ سے اس کا جواز نکالے تو اس سے کہہ دو اللہ نے اپنے رسول صلی اللہ علیہ وسلم کے لیے اجازت دی تھی ، تمہارے لیے نہیں دی اور مجھے بھی دن کے کچھ لمحوں کے لیے اجازت ملی تھی ۔ آج اس کی حرمت لوٹ آئی ، جیسی کل تھی ۔ اور حاضر غائب کو ( یہ بات ) پہنچا دے ۔ ( یہ حدیث سننے کے بعد راوی حدیث ) ابوشریح سے پوچھا گیا کہ ( آپ کی یہ بات سن کر ) عمرو نے کیا جواب دیا ؟ کہا یوں کہ اے ( ابوشریح ! ) حدیث کو میں تم سے زیادہ جانتا ہوں ۔ مگر حرم ( مکہ ) کسی خطاکار کو یا خون کر کے اور فتنہ پھیلا کر بھاگ آنے والے کو پناہ نہیں دیتا ۔
আবূ শুরায়হ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি ‘আমর ইব্নু সা’ঈদ (মদীনার গভর্নর )–কে বললেন, যখন তিনি মক্কায় সেনাবাহিনী পাঠিয়েছিলেন – ‘হে আমাদের নেতা ! আমাকে অনুমতি দিলে আপনাকে এমন একটি হাদীস শুনাতে পারি যেটা মক্কা বিজয়ের পরের দিন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন। আমার দু’কান তা শ্রবণ করেছে, আমার হৃদয় তা আয়ত্ত রেখেছে, আর আমার চোখ দু’টো তা দেখেছে। তিনি আল্লাহর হামদ ও সানা বর্ণনা করে বললেনঃ মক্কাকে আল্লাহ হারাম করেছেন, কোন মানুষ তাকে হারাম করেনি। তাই যে ব্যক্তি আল্লাহয় ও আখিরাতে বিশ্বাস রাখে তাঁর জন্য সেখানে রক্তপাত করা, সেখানকার গাছ কাটা বৈধ নয়। কেউ যদি আল্লাহর রসূলের (সেখানকার) লড়াইকে দলীল হিসেবে পেশ করে তবে তোমরা বলে দাও, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাসূলকে এর অনুমতি দিয়েছিলেন; কিন্তু তোমাদেরকে তা দেননি। আমাকেও সে দিনের কিছু সময়ের জন্য অনুমতি দিয়েছিলেন। অতঃপর পূর্বের মতই আজ আবার একে তাঁর নিষিদ্ধ হবার মর্যাদা ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। উপস্থিতগণ যেন অনুপস্থিতদের নিকট (এ বাণী ) পৌঁছে দেয়।’ অতঃপর আবূ শুরায়হ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হল, ‘আপনার এ হাদীস শুনে ‘আম্র কী বললেন?’ [আবূ শুরায়হ (রাঃ) উত্তর দিলেন ] তিনি বললেনঃ ‘হে আবূ শুরায়হ ! (এ বিষয়ে ) আমি তোমার চেয়ে অধিক জানি। মক্কা কোন বিদ্রোহীকে , কোন খুনের পলাতক আসামীকে এবং চোরকে আশ্রয় দেয় না।’
(১৮৩২,৪২৯৫; মুসলিম ১৫/৮২, হাঃ ১৩৫৪, আহমাদ ১৬৩৭৩, ২৭২৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৫)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 1, Book 3, Hadith 104
Hadith 105
Chapter 37: It is incumbent on those who are present [in a religious meeting (or conference)] to convey the knowledge to those who are absent - كتاب العلم
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ، ذُكِرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " فَإِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ ـ قَالَ مُحَمَّدٌ وَأَحْسِبُهُ قَالَ وَأَعْرَاضَكُمْ ـ عَلَيْكُمْ حَرَامٌ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا فِي شَهْرِكُمْ هَذَا، أَلاَ لِيُبَلِّغِ الشَّاهِدُ مِنْكُمُ الْغَائِبَ ". وَكَانَ مُحَمَّدٌ يَقُولُ صَدَقَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ ذَلِكَ " أَلاَ هَلْ بَلَّغْتُ " مَرَّتَيْنِ.
Narrated Abu Bakra:
The Prophet (ﷺ) said. No doubt your blood, property, the sub-narrator Muhammad thought that Abu
Bakra had also mentioned and your honor (chastity), are sacred to one another as is the sanctity of this
day of yours in this month of yours. It is incumbent on those who are present to inform those who are
absent." (Muhammad the Sub-narrator used to say, "Allah's Messenger (ﷺ) told the truth.") The Prophet (ﷺ)
repeated twice: "No doubt! Haven't I conveyed Allah's message to you.
ہم سے عبداللہ بن عبدالوہاب نے بیان کیا ، ان سے حماد نے ایوب کے واسطے سے نقل کیا ، وہ محمد سے اور وہ ابن ابی بکرہ سے روایت کرتے ہیں کہ
( ایک مرتبہ ) ابوبکرہ رضی اللہ عنہ نے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کا ذکر کیا کہ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے ( یوں ) فرمایا ، تمہارے خون اور تمہارے مال ، محمد کہتے ہیں کہ میرے خیال میں آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے «وأعراضكم» کا لفظ بھی فرمایا ۔ ( یعنی ) اور تمہاری آبروئیں تم پر حرام ہیں ۔ جس طرح تمہارے آج کے دن کی حرمت تمہارے اس مہینے میں ۔ سن لو ! یہ خبر حاضر غائب کو پہنچا دے ۔ اور محمد ( راوی حدیث ) کہتے تھے کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے سچ فرمایا ۔ ( پھر ) دوبارہ فرمایا کہ کیا میں نے ( اللہ کا یہ حکم ) تمہیں نہیں پہنچا دیا ۔
আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কথা উল্লেখ করে বলেন যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের জান তোমাদের মাল; বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেন, ‘আমার মনে হয়, তিনি বলেছিলেনঃ এবং তোমাদের মান-সম্মান (অন্য মুসলমানদের জন্য) এ শহরে এ দিনের মতই মর্যাদা সম্পন্ন। শোন, (আমার এ বাণী যেন) তোমাদের মধ্যে উপস্থিত ব্যাক্তি অনুপস্থিত ব্যাক্তির নিকট পৌঁছে দেয়। বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সত্য বলেছেন, তা-ই হয়েছে। তারপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ দু’বার করে বললেন, হে লোক সকল! ‘আমি কি পৌঁছে দিয়েছি?’
(৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৬)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 1, Book 3, Hadith 105
Hadith 106
Chapter 38: The sin of a person who tells a lie against the Prophet (saws) - كتاب العلم
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، قَالَ أَخْبَرَنِي مَنْصُورٌ، قَالَ سَمِعْتُ رِبْعِيَّ بْنَ حِرَاشٍ، يَقُولُ سَمِعْتُ عَلِيًّا، يَقُولُ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
" لاَ تَكْذِبُوا عَلَىَّ، فَإِنَّهُ مَنْ كَذَبَ عَلَىَّ فَلْيَلِجِ النَّارَ ".
Narrated `Ali:
The Prophet (ﷺ) said, "Do not tell a lie against me for whoever tells a lie against me (intentionally) then
he will surely enter the Hell-fire."
ہم سے علی بن جعد نے بیان کیا ، انہیں شعبہ نے خبر دی ، انہیں منصور نے ، انھوں نے ربعی بن حراش سے سنا کہ
میں نے حضرت علی رضی اللہ عنہ کو یہ فرماتے ہوئے سنا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ مجھ پر جھوٹ مت بولو ۔ کیونکہ جو مجھ پر جھوٹ باندھے وہ دوزخ میں داخل ہو ۔
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আমার উপর মিথ্যারোপ করো না। কারণ আমার উপর যে মিথ্যারোপ করবে সে জাহান্নামে যাবে।
(মুসলিম মুকাদ্দামা, দ্বিতীয় অধ্যায়, হাঃ ২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৭)
I said to my father, 'I do not hear from you any narration (Hadith) of Allah s Apostle as I hear (his
narration) from so and so?" Az-Zubair replied. l was always with him (the Prophet) and I heard him
saying "Whoever tells a lie against me (intentionally) then (surely) let him occupy, his seat in Hellfire.
ہم سے ابوالولید نے بیان کیا ، انھوں نے کہا ہم سے شعبہ نے ، ان سے جامع بن شداد نے ، وہ عامر بن عبداللہ بن زبیر سے اور وہ اپنے باپ عبداللہ بن زبیر رضی اللہ عنہما سے روایت کرتے ہیں ۔ انھوں نے کہا میں نے اپنے باپ یعنی زبیر سے عرض کیا کہ
میں نے کبھی آپ سے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی احادیث نہیں سنیں ۔ جیسا کہ فلاں ، فلاں بیان کرتے ہیں ، کہا میں کبھی آپ سے الگ تھلگ نہیں رہا لیکن میں نے آپ کو یہ بھی فرماتے ہوئے سنا ہے کہ جو شخص مجھ پر جھوٹ باندھے گا وہ اپنا ٹھکانا جہنم میں بنا لے ۔
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু’য্-যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি আমার পিতা যুবায়রকে বললামঃ আমি তো আপনাকে অমুক অমুকের মত আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীস বর্ণনা করতে শুনি না। তিনি বললেনঃ ‘জেনে রাখ, আমি তাঁর থেকে দূরে থাকিনি, কিন্তু আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, যে আমার উপর মিথ্যারোপ করবে সে যেন জাহান্নামে তাঁর ঠিকানা বানিয়ে নিবে (এজন্য হাদীস বর্ণনা করি না)।’
(মুসলিম মুকাদ্দামা, দ্বিতীয় অধ্যায়, হাঃ ৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৮)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 1, Book 3, Hadith 107
Hadith 108
Chapter 38: The sin of a person who tells a lie against the Prophet (saws) - كتاب العلم
حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، قَالَ أَنَسٌ إِنَّهُ لَيَمْنَعُنِي أَنْ أُحَدِّثَكُمْ حَدِيثًا كَثِيرًا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" مَنْ تَعَمَّدَ عَلَىَّ كَذِبًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ ".
Narrated Anas:
The fact which stops me from narrating a great number of Hadiths to you is that the Prophet (ﷺ) said:
"Whoever tells a lie against me intentionally, then (surely) let him occupy his seat in Hell-fire."
ہم سے ابومعمر نے بیان کیا ، ان سے عبدالوارث نے عبدالعزیز کے واسطے سے نقل کیا کہ حضرت انس رضی اللہ عنہ فرماتے تھے کہ
مجھے بہت سی حدیثیں بیان کرنے سے یہ بات روکتی ہے کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ جو شخص مجھ پر جان بوجھ کر جھوٹ باندھے تو وہ اپنا ٹھکانا جہنم میں بنا لے ۔
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ এ কথাটি তোমাদের নিকট বহু হাদীস বর্ণনা করতে প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায় যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ইচ্ছাকৃতভাবে আমার উপর মিথ্যারোপ করে সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়।
(আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৯)