The Prophet (ﷺ) said, "I will be at my Lake-Fount (Kauthar) waiting for whoever will come to me. Then
some people will be taken away from me whereupon I will say, 'My followers!' It will be said, 'You
do not know they turned Apostates as renegades (deserted their religion).'" (Ibn Abi Mulaika said,
"Allah, we seek refuge with You from turning on our heels from the (Islamic) religion and from being
put to trial").
ہم سے علی بن عبداللہ مدینی نے بیان کیا ، کہا ہم سے بشر بن سری نے بیان کیا ، کہا ہم سے نافع بن عمر نے بیان کیا ، ان سے ابن ابی ملیکہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ( قیامت کے دن ) میں حوض کوثر پر ہوں گا اور اپنے پاس آنے والوں کا انتظار کرتا رہوں گا پھر ( حوض کوثر ) پر کچھ لوگوں کو مجھ تک پہنچنے سے پہلے ہی گرفتار کر لیا جائے گا تو میں کہوں گا کہ یہ تو میری امت کے لوگ ہیں ۔ جواب ملے گا کہ آپ کو معلوم نہیں یہ لوگ الٹے پاؤں پھر گئے تھے ۔ ابن ابی ملیکہ اس حدیث کو روایت کرتے وقت دعا کرتے ” اے اللہ ! ہم تیری پناہ مانگتے ہیں کہ ہم الٹے پاؤں پھر جائیں یا فتنہ میں پڑ جائیں “ ۔
আসমা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আসমা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি আমার হাউজের কাছে আগমনকারী লোকদের অপেক্ষায় থাকব। তখন আমার সামনে থেকে কতক লোককে ধরে নিয়ে যাওয়া হবে। আমি বলব, এরা তো আমার উম্মাত। তখন বলা হবে, আপনি জানেন না, এরা (আপনার পথ থেকে) পিছনে চলে গিয়েছিল।
(বর্ণনাকারী) ইব্নু আবূ মুলাইকাহ বলেনঃ হে আল্লাহ্! পিছনে ফিরে যাওয়া কিংবা ফিত্নায় পড়া থেকে আমরা আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৭২)
The Prophet (ﷺ) said, "I am your predecessor at the Lake-Fount (Kauthar) and some men amongst you
will be brought to me, and when I will try to hand them some water, they will be pulled away from me
by force whereupon I will say, 'O Lord, my companions!' Then the Almighty will say, 'You do not
know what they did after you left, they introduced new things into the religion after you.'"
ہم سے موسیٰ بن اسماعیل نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابوعوانہ نے ، ان سے ابووائل کے غلام مغیرہ ابن مقسم نے بیان کیا اور ان سے عبداللہ بن مسعود رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا حوض کوثر پر تم لوگوں کا پیش خیمہ ہوں گا اور تم میں سے کچھ لوگ میری طرف آئیں گے جب میں انہیں ( حوض کا پانی ) دینے کے لیے جھکوں گا تو انہیں میرے سامنے سے کھینچ لیا جائے گا ۔ میں کہوں گا اے میرے رب ! یہ تو میری امت کے لوگ ہیں ۔ اللہ تعالیٰ فرمائے گا آپ کو معلوم نہیں کہ انہوں نے آپ کے بعد دین میں کیا کیا نئی باتیں نکال لی تھیں ۔
আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি হাউজে কাউসারের নিকট তোমাদের আগেই হাজির থাকব। তোমাদের থেকে কিছু লোককে আমার নিকট পেশ করা হবে। কিন্তু আমি যখন তাদের পান করাতে উদ্যত হব, তখন তাদেরকে আমার নিকট হতে ছিনিয়ে নেয়া হবে। আমি বলব, হে রব! এরা তো আমার সাথী। তখন তিনি বলবেন, আপনার পর তারা নতুন কী ঘটিয়েছে তা আপনি জানেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৭৩)
I heard the Prophet (ﷺ) saying, "I am your predecessor at the Lake-Fount (Kauthar), and whoever will
come to it, will drink from it, and whoever will drink from it, will never become thirsty after that.
There will come to me some people whom I know and they know me, and then a barrier will be set up
between me and them."
ہم سے یحییٰ بن بکیر نے بیان کیا ، کہا ہم سے یعقوب بن عبدالرحمٰن نے بیان کیا ، ان سے ابوحازم سلمہ بن دینار نے بیان کیا ، کہا کہ میں نے سہل بن سعد سے سنا ، وہ کہتے تھے کہ
میں نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے سنا ، آپ فرماتے تھے کہ میں حوض کوثر پر تم سے پہلے رہوں گا جو وہاں پہنچے گا تو اس کا پانی پئے گا اور جو اس کا پانی پی لے گا وہ اس کے بعد کبھی پیاسا نہیں ہو گا ۔ میرے پاس ایسے لوگ بھی آئیں گے جنہیں میں پہچانتا ہوں گا اور وہ مجھے پہچانتے ہوں گے پھر میرے اور ان کے درمیان پردہ ڈال دیا جائے گا ۔
সাহ্ল ইব্নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – কে বলতে শুনেছি যে, আমি হাউজের ধারে তোমাদের আগে হাজির থাকব। যে সেখানে হাজির হবে, সে সেখান থেকে পান করার সুযোগ পাবে। আর যে একবার সে হাউজ থেকে পান করবে সে কখনই পিপাসিত হবে না। অবশ্যই এমন কিছু দল আমার কাছে হাজির হবে যাদের আমি (আমার উম্মাত বলে) চিনতে পারব এবং তারাও আমাকে চিনতে পারবে। কিন্তু এরপরই তাদের ও আমার মাঝে প্রতিবন্ধকতা দাড় করে দেয়া হবে।
Abu Sa`id Al-Khudri added that the Prophet (ﷺ) further said:
"I will say those
people are from me. It will be said, 'You do not know what changes and new things they did after
you.' Then I will say, 'Far removed (from mercy), far removed (from mercy), those who changed (the
religion) after me!"
ابوحازم نے بیان کیا کہ نعمان بن ابی عیاش نے بھی سنا کہ میں ان سے یہ حدیث بیان کر رہا ہوں تو انہوں نے کہا کہ کیا تو نے سہل رضی اللہ عنہ سے اسی طرح یہ حدیث سنی تھی ؟ میں نے کہا کہ ہاں ۔ انہوں نے کہا کہ میں گواہی دیتا ہوں کہ میں نے ابو سعید خدری رضی اللہ عنہ سے یہ حدیث اسی طرح سنی تھی ۔ ابوسعید اس میں اتنا بڑھاتے تھے کہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ یہ لوگ مجھ میں سے ہیں ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے اس وقت کہا جائے گا کہ آپ کو معلوم نہیں کہ آپ کے بعد انہوں نے کیا تبدیلیاں کر دی تھیں ؟ میں کہوں گا کہ دوری ہو دوری ہو ان کے لیے جنہوں نے میرے بعد دین میں تبدیلیاں کر دی تھیں ۔
আবূ হাযিম (রহঃ) বলেন, আমি হাদীস বর্ণনা করছিলাম, এমন সময় নু’মান ইব্নু আবূ আয়াস আমার নিকট হতে এ হাদীসটি শুনে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি সাহ্ল থেকে হাদীসটি এরূপ শুনেছেন। আমি বললাম, হ্যাঁ। তখন সে বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ) - কে এ হাদীসে অতিরিক্ত বলতে শুনেছি যে, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বলবেনঃ এরা তো আমারই অনুসারী। তখন বলা হবে, আপনি নিশ্চয় জানেন না যে, আপনার পরে এরা দ্বীনের মধ্যে কি পরিবর্তন করেছে। এ শুনে আমি বলব, যারা আমার পরে পরিবর্তন করেছে, তারা দূর হোক, দূর হোক।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৭৪)
Allah's Messenger (ﷺ) said to us, "You will see after me, selfishness (on the part of other people) and other
matters that you will disapprove of." They asked, "What do you order us to do, O Allah's Messenger (ﷺ)?
(under such circumstances)?" He said, "Pay their rights to them (to the rulers) and ask your right from
Allah."
ہم سے مسدد نے بیان کیا ، کہا ہم سے یحییٰ بن سعید نے بیان کیا ، کہا ہم سے اعمش نے بیان کیا ، ان سے زید بن وہب نے بیان کیا ، انہوں نے عبداللہ رضی اللہ عنہ سے سنا ، انہوں نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے ہم سے فرمایا ، تم میرے بعد بعض کام ایسے دیکھو گے جو تم کو برے لگیں گے ۔ صحابہ نے عرض کیا یا رسول اللہ ! آپ اس سلسلے میں کیا حکم فرماتے ہیں ؟ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا انہیں ان کا حق ادا کرو اور اپنا حق اللہ سے مانگو ۔
আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বলেছেনঃ আমার পরে তোমরা অবশ্যই ব্যক্তিস্বার্থকে প্রাধান্য দেয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করবে। এবং এমন কিছু বিষয় দেখতে পাবে, যা তোমরা পছন্দ করবে না। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তাহলে আমাদের জন্য কী হুকুম করছেন? উত্তরে তিনি বললেনঃ তাদের হক পূর্ণরূপে আদায় করবে, আর তোমাদের হক আল্লাহ্র কাছে চাইবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৭৫)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 175
Hadith 7053
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، عَنْ عَبْدِ الْوَارِثِ، عَنِ الْجَعْدِ، عَنْ أَبِي رَجَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" مَنْ كَرِهَ مِنْ أَمِيرِهِ شَيْئًا فَلْيَصْبِرْ، فَإِنَّهُ مَنْ خَرَجَ مِنَ السُّلْطَانِ شِبْرًا مَاتَ مِيتَةً جَاهِلِيَّةً ".
Narrated Ibn `Abbas:
The Prophet (ﷺ) said, "Whoever disapproves of something done by his ruler then he should be patient, for
whoever disobeys the ruler even a little (little = a span) will die as those who died in the Pre-lslamic
Period of Ignorance. (i.e. as rebellious Sinners).
ہم سے مسدد نے بیان کیا ، ان سے عبدالوارث بن سعید نے بیان کیا ، ان سے جعد صیرفی نے ، ان سے ابورجاء عطاردی نے اور ان سے ابن عباس رضی اللہ عنہما نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جو شخص اپنے امیر میں کوئی ناپسند بات دیکھے تو صبر کرے ( خلیفہ ) کی اطاعت سے اگر کوئی بالشت بھر بھی باہر نکلا تو اس کی موت جاہلیت کی موت ہو گی ۔
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন লোক যদি ‘আমীরের কোন কিছু অপছন্দ করে, তাহলে সে যেন ধৈর্য ধারণ করে। কেননা, যে লোক সুলতানের আনুগত্য থেকে এক বিঘতও সরে যাবে, তার মৃত্যু হবে জাহিলী যুগের মৃত্যুর মত। [১৫৪][৭০৫৪, ৭১৪৩; মুসলিম ৩৩/১৩, হাঃ ১৮৪৯, আহমাদ ২৪৮৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৭৬)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 176
Hadith 7054
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنِ الْجَعْدِ أَبِي عُثْمَانَ، حَدَّثَنِي أَبُو رَجَاءٍ الْعُطَارِدِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" مَنْ رَأَى مِنْ أَمِيرِهِ شَيْئًا يَكْرَهُهُ فَلْيَصْبِرْ عَلَيْهِ، فَإِنَّهُ مَنْ فَارَقَ الْجَمَاعَةَ شِبْرًا فَمَاتَ، إِلاَّ مَاتَ مِيتَةً جَاهِلِيَّةً ".
Narrated Ibn `Abbas:
The Prophet (ﷺ) said, "Whoever notices something which he dislikes done by his ruler, then he should be
patient, for whoever becomes separate from the company of the Muslims even for a span and then
dies, he will die as those who died in the Pre-lslamic period of Ignorance (as rebellious sinners).
(Fath-ul-Bari page 112, Vol. 16)
ہم سے ابوالنعمان نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے حماد بن زید نے بیان کیا ، ان سے جعد ابی عثمان نے بیان کیا ، ان سے ابورجاء العطاردی نے بیان کیا ، انہوں نے کہا کہ
میں نے ابن عباس رضی اللہ عنہما سے سنا ، ان سے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جس نے اپنے امیر کی کوئی ناپسند چیز دیکھی تو اسے چاہے کہ صبر کرے اس لیے کہ جس نے جماعت سے ایک بالشت بھر جدائی اختیار کی اور اسی حال میں مرا تو وہ جاہلیت کی سی موت مرے گا ۔
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক নিজ আমীরের কাছ থেকে অপছন্দনীয় কিছু দেখবে সে যেন তাতে ধৈর্য ধারণ করে। কেননা, যে লোক জামাআত থেকে এক বিঘতও বিচ্ছিন্ন হবে তার মৃত্যু হবে জাহিলী মৃত্যুর মত। [৭০৫৩; মুসলিম ৩৩/১৩, হাঃ ১৮৪৯, আহমাদ ২৪৮৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৭৭)
We entered upon 'Ubada bin As-Samit while he was sick. We said, "May Allah make you healthy.
Will you tell us a Hadith you heard from the Prophet (ﷺ) and by which Allah may make you benefit?" He
said, "The Prophet (ﷺ) called us and we gave him the Pledge of allegiance for Islam, and among the
conditions on which he took the Pledge from us, was that we were to listen and obey (the orders) both
at the time when we were active and at the time when we were tired, and at our difficult time and at
our ease and to be obedient to the ruler and give him his right even if he did not give us our right, and
not to fight against him unless we noticed him having open Kufr (disbelief) for which we would have
a proof with us from Allah."
ہم سے اسماعیل بن ابی اویس نے بیان کیا ، کہا مجھ سے عبداللہ بن وہب نے بیان کیا ، ان سے عمرو بن حارث نے ، ان سے بکیر بن عبداللہ نے ، ان سے بسر بن سعید نے ، ان سے جنادہ بن ابی امیہ نے بیان کیا کہ
ہم عبادہ ابن صامت رضی اللہ عنہ کی خدمت میں پہنچے وہ مریض تھے اور ہم نے عرض کیا اللہ تعالیٰ آپ کو صحت عطا فرمائے ۔ کوئی حدیث بیان کیجئے جس کا نفع آپ کو اللہ تعالیٰ پہنچائے ۔ انہوں نے بیان کیا کہ میں نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے لیلۃالعقبہ میں سنا ہے کہ آپ نے ہمیں بلایا اور ہم نے آپ سے بیعت کی ۔
انہوں ( عبادہ بن صامت ) نے بیان کیا کہ جن باتوں کا آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے ہم سے عہد لیا تھا ان میں یہ بھی تھا کہ خوشی و ناگواری ، تنگی اور کشادگی اور اپنی حق تلفی میں بھی اطاعت و فرمانبرداری کریں اور یہ بھی کہ حکمرانوں کے ساتھ حکومت کے بارے میں اس وقت تک جھگڑا نہ کریں جب تک ان کو اعلانیہ کفر کرتے نہ دیکھ لیں ۔ اگر وہ اعلانیہ کفر کریں تو تم کو اللہ کے پاس سے دلیل مل جائے گی ۔
জুনাদাহ ইব্নু আবূ উমাইয়াহ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা ‘উবাদাহ ইব্নু সামিত (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম। তখন তিনি অসুস্থ ছিলেন। আমরা বললাম, আল্লাহ্ আপনাকে সুস্থ করে দিন। আপনি আমাদের এমন একটি হাদীস বর্ণনা করুন, যদ্দ্বারা আল্লাহ আপনাকে উপকৃত করবেন এবং যা আপনি নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছেন। তিনি বলেন নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের আহবান করলেন। আমরা তাঁর কাছে বাই’আত করলাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৬৫ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৭৮)
জুনাদাহ ইব্নু আবূ উমাইয়াহ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ এরপর তিনি (‘উবাদাহ) বললেন, আমাদের থেকে যে ওয়াদা তিনি গ্রহণ করেছিলেন তাতে ছিল যে, আমরা আমাদের সুখে-দুঃখে, বেদনায় ও আনন্দে এবং আমাদের উপর অন্যকে আগ্রাধিকার দিলেও পূর্ণরূপে শোনা ও মানার উপর বাই’আত করলাম। আরো (বাই’আত করলাম) যে আমার ক্ষমতা সংক্রান্ত বিষয়ে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে ঝগড়া করব না। কিন্তু যদি স্পষ্ট কুফ্রী দেখ, তোমাদের কাছে আল্লাহ্র তরফ থেকে যে বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রমাণ বিদ্যমান, তাহলে আলাদা কথা।[৭২০০; মুসলিম ২৯/৯, হাঃ ১৭০৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৬৫ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৭৮)
A man came to the Prophet (ﷺ) and said, "O Allah's Messenger (ﷺ)! You appointed such-and-such person and
you did not appoint me?" The Prophet (ﷺ) said, "After me you will see rulers not giving you your right
(but you should give them their right) and be patient till you meet me."
ہم سے محمد بن عرعرہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے شعبہ نے بیان کیا ، ان سے قتادہ نے ، ان سے انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے اور ان سے اسید بن حضیر رضی اللہ عنہ نے ،
ایک صاحب ( خود اسید ) نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں حاضر ہوئے اور عرض کیا یا رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم ! آپ نے فلاں عمرو بن عاص کو حاکم بنا دیا اور مجھے نہیں بنایا ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ تم لوگ انصاری میرے بعد اپنی حق تلفی دیکھو گے تو قیامت تک صبر کرنا یہاں تک کہ تم مجھ سے آ ملو ۔
উসায়দ ইব্নু হুযায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, এক লোক নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি অমুক লোককে হাকাম নিযুক্ত করলেন, অথচ আমাকে নিযুক্ত করলেন না। তখন নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ নিশ্চয়ই তোমরা আমার পর নিজের অগ্রাধিকার পাওয়ার চেষ্টা করবে। সে সময় তোমরা ধৈর্য ধরবে, যতক্ষণ না আমার সাথে মিলিত হও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৭৯)
I heard the truthful and trusted by Allah (i.e., the Prophet (ﷺ) ) saying, "The destruction of my followers
will be through the hands of young men from Quraish."
ہم سے موسیٰ بن اسماعیل نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے عمرو بن یحییٰ بن سعید نے بیان کیا ، انہوں نے کہا کہ مجھے میرے دادا سعید نے خبر دی ، کہا کہ
میں ابوہریرہ رضی اللہ عنہ کے پاس مدینہ منورہ میں نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی مسجد میں بیٹھا تھا اور ہمارے ساتھ مروان بھی تھا ۔ ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے کہا کہ میں نے صادق و مصدوق سے سنا ہے آپ نے فرمایا کہ میری امت کی تباہی قریش کے چند لڑکوں کے ہاتھ سے ہو گی ۔ مروان نے اس پر کہا ان پر اللہ کی لعنت ہو ۔ ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے کہا کہ اگر میں ان کے خاندان کے نام لے کر بتلانا چاہوں تو بتلا سکتا ہوں ۔ پھر جب بنی مروان شام کی حکومت پر قابض ہو گئے تو میں اپنے دادا کے ساتھ ان کی طرف جاتا تھا ۔ جب وہاں انہوں نے نوجوان لڑکوں کو دیکھا تو کہا کہ شاید یہ انہی میں سے ہوں ۔ ہم نے کہا کہ آپ کو زیادہ علم ہے ۔
আম্র ইব্নু ইয়াহ্ইয়া ইব্নু সা‘ঈদ ইব্নু ‘আম্র ইব্নু সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমার দাদা আমাকে জানিয়েছেন যে, আমি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সঙ্গে মদিনায় নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাসজিদে উপবিষ্ট ছিলাম। আমাদের সঙ্গে মারওয়ানও ছিল। এ সময় আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, আমি ‘আস্-সাদিকুল মাস্দুক’ (সত্যবাদী ও সত্যবাদী হিসাবে স্বীকৃত) - কে বলতে শুনেছি আমার উম্মাতের ধ্বংস কুরাইশের কতক বালকের হাতে হবে। তখন মারওয়ান বলল, এ সব বালকের প্রতি আল্লাহ্র ‘লা’নত’ বর্ষিত হোক। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, আমি যদি বলার ইচ্ছা করি যে তারা অমুক অমুক গোত্রের লোক তাহলে বলতে সক্ষম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮০)
‘আম্র ইব্নু ইয়াহ্ইয়া বলেন, মারওয়ান যখন সিরিয়ায় ক্ষমতায় আসীন হল, তখন আমি আমার দাদার সাথে তাদের সেখানে গেলাম। তিনি যখন তাদের কম বয়সের বালক দেখতে পেলেন, তখন তিনি আমাদের বললেন, সম্ভবত এরা ঐ দলেরই লোক। আমরা বললাম, এ ব্যাপারে আপনিই ভাল জানেন।
The Prophet (ﷺ) got up from his sleep with a flushed red face and said, "None has the right to be
worshipped but Allah. Woe to the Arabs, from the Great evil that is nearly approaching them. Today a
gap has been made in the wall of Gog and Magog like this." (Sufyan illustrated by this forming the
number 90 or 100 with his fingers.) It was asked, "Shall we be destroyed though there are righteous
people among us?" The Prophet (ﷺ) said, "Yes, if evil increased."
ہم سے مالک بن اسماعیل نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے سفیان بن عیینہ نے بیان کیا ‘ انہوں نے زہری سے سنا ‘ انہوں نے عروہ سے ‘ انہوں نے زینب بنت ام سلمہ رضی اللہ عنہا سے ‘ انہوں نے ام حبیبہ رضی اللہ عنہا سے اور انہوں نے زینب بنت جحش رضی اللہ عنہا سے کہ
انہوں نے بیان کیا نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نیند سے بیدار ہوئے تو آپ کا چہرہ سرخ تھا اور آپ فرما رہے تھے اللہ کے سوا کوئی معبود نہیں ۔ عربوں کی تباہی اس بلا سے ہو گی جو قریب ہی آلگی ہے ۔ آج یاجوج ماجوج کی دیوار میں سے اتنا سوراخ ہو گیا اور سفیان نے نوے یا سو کے عدد کے لئے انگلی باندھی پوچھا گیا کیا ہم ا سکے باوجود ہلاک ہو جائیں گے کہ ہم میں صالحین بھی ہوں گے ؟ فرمایا ہاں جب برائی بڑھ جائے گی ( تو ایسا ہی ہو گا ) ۔
যাইনাব বিন্ত জাহাশ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রক্তবর্ণ চেহারা নিয়ে ঘুম থেকে জাগলেন এবং বলতে লাগলেন, ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ্’! আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই। নিকটবর্তী এক দুর্যোগে আরব ধ্বংস হয়ে যাবে। ইয়াজূজ-মা‘জূজের (প্রতিরোধ) প্রাচীর আজ এতটুকু পরিমাণ খুলে গেছে। সুফ্ইয়ান নব্বই কিংবা একশ’র রেখায় আঙ্গুল রেখে গিঁট বানিয়ে দেখলেন। জিজ্ঞাসা করা হল, আমরা কি ধ্বংস হয়ে যাব অথচ আমাদের মাঝে নেককার লোকও থাকবে? নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ, যখন পাপাচার বেড়ে যাবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮১)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 181
Hadith 7060
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ،. وَحَدَّثَنِي مَحْمُودٌ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْد ٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ أَشْرَفَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَلَى أُطُمٍ مِنْ آطَامِ الْمَدِينَةِ فَقَالَ " هَلْ تَرَوْنَ مَا أَرَى ". قَالُوا لاَ. قَالَ " فَإِنِّي لأَرَى الْفِتَنَ تَقَعُ خِلاَلَ بُيُوتِكُمْ كَوَقْعِ الْقَطْرِ ".
Narrated Usama bin Zaid:
Once the Prophet (ﷺ) stood over one of the high buildings of Medina and then said (to the people), "Do
you see what I see?" They said, "No." He said, "I see afflictions falling among your houses as rain
drops fall."
ہم سے ابونعیم فضل بن دکین نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے سفیان بن عیینہ نے بیان کیا ‘ ان سے زہری نے ( دوسری سند ) امام بخاری نے کہا کہ اور مجھ سے محمود بن غیلان نے بیان کیا ‘ کہا ہم کو عبدالرزاق نے خبر دی ‘ انہیں معمر نے خبر دی ‘ انہیں زہری نے ‘ انہیں عروہ نے اور ان سے اسامہ بن زید رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم مدینہ کے ٹیلوں میں سے ایک ٹیلے پر چڑھے پھر فرمایا کہ میں جو کچھ دیکھتا ہوں تم بھی دیکھتے ہو ؟ لوگوں نے کہا کہ نہیں ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ میں فتنوں کو دیکھتا ہوں کہ وہ بارش کے قطروں کی طرح تمہارے گھروں میں داخل ہو رہے ہیں ۔
উসামাহ ইব্নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাহর টিলাসমূহের একটির উপর উঠে বললেন, আমি যা দেখি তোমরা কি তা দেখতে পাও? উত্তরে সাহাবা-ই-কিরাম বললেন, না। তখন নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ অবশ্যই আমি দেখতে পাচ্ছি, তোমাদের ঘরগুলোর ফাঁকে ফাঁকে ফিত্না বৃষ্টির মতো পতিত হচ্ছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮২)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 182
Hadith 7061
حَدَّثَنَا عَيَّاشُ بْنُ الْوَلِيدِ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " يَتَقَارَبُ الزَّمَانُ، وَيَنْقُصُ الْعَمَلُ، وَيُلْقَى الشُّحُّ، وَتَظْهَرُ الْفِتَنُ، وَيَكْثُرُ الْهَرْجُ ". قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّمَ هُوَ. قَالَ " الْقَتْلُ الْقَتْلُ ".
وَقَالَ شُعَيْبٌ وَيُونُسُ وَاللَّيْثُ وَابْنُ أَخِي الزُّهْرِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
Narrated Abu Huraira:
The Prophet (ﷺ) said, "Time will pass rapidly, good deeds will decrease, miserliness will be thrown (in the
hearts of the people) afflictions will appear and there will be much 'Al-Harj." They said, "O Allah's
Apostle! What is "Al-Harj?" He said, "Killing! Killing!" (See Hadith No. 63, Vol. 8)
ہم سے عیاش بن الولید نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم کو عبد الاعلیٰ نے خبر دی ‘ انہوں نے کہا ہم سے معمر نے بیان کیا ‘ ان سے زہری نے ‘ان سے سوید بن مسیب نے بیان کیا ‘ ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا زمانہ قریب ہوتا جائے گا اور عمل کم ہوتا جائے گا اور لالچ دلوں میں ڈال دیا جائے گا اور فتنے ظاہر ہونے لگیں گے اور ہرج کی کثرت ہو جائے گی ۔ لوگوں نے سوال کیا یا رسول اللہ ! یہ ہرج کیا چیز ہے ؟ آنحضور صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ قتل ! قتل ! اور یونس اور لیث اور زہری کے بھتیجے نے بیان کیا ‘ ان سے زہری نے ‘ ان سے حمید نے ‘ ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সময় নিকটতর হতে থাকবে, আর ‘আমাল কমে যেতে থাকবে, কৃপণতা ছড়িয়ে দেয়া হবে, ফিত্নার বিকাশ ঘটবে এবং হারজ ব্যাপকতর হবে। সাহাব-ই-কিরাম জিজ্ঞেস করলেন, হারজ সেটা কী? নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হত্যা, হত্যা। [৮৫]
শু‘আয়ব, ইউনুস, লায়স এবং যুহরীর ভ্রাতুষ্পুত্র আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৩)
The Prophet (ﷺ) said, "Near the establishment of the Hour there will be days during which Religious
ignorance will spread, knowledge will be taken away (vanish) and there will be much Al-Harj, and Al-
Harj means killing."
ہم سے عبیداللہ بن موسیٰ نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے اعمش نے ‘ ان سے شقیق نے بیان کیا کہ میں عبداللہ بن مسعود اور ابوموسیٰ رضی اللہ عنہما کے ساتھ تھا ۔ ان دونوں حضرات نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا قیامت کے دن سے پہلے ایسے دن ہوں گے جن میں جہالت اترے پڑے گی اور علم اٹھا لیا جائے گا اور ہرج بڑھ جائے گا اور ہرج قتل ہے ۔
শাকিক থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ্ ও আবূ মূসা (রাঃ) -এর সঙ্গে ছিলাম। তাঁরা বলেন, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অবশ্যই ক্বিয়ামাতের আগে এমন একটি সময় আসবে যখন সব জায়গায় মূর্খতা ছড়িয়ে পড়বে এবং ইল্ম উঠিয়ে নেয়া হবে। সে সময় ‘হারজ্’ বর্ধিত হবে। আর ‘হারজ্’ হল (মানুষ) হত্যা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৪)
The Prophet (ﷺ) said, "Near the establishment of the Hour there will be days during which (religious)
knowledge will be taken away (vanish) and general ignorance will spread, and there will be Al-Harj in
abundance, and Al-Harj means killing."
ہم سے عمر بن حفص نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا مجھ سے میرے والد نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم سے اعمش نے بیان کیا ‘ ان سے شقیق نے بیان کیا کہ
عبداللہ بن مسعود اور ابوموسیٰ رضی اللہ عنہما بیٹھے اور گفتگو کرتے رہے پھر ابوموسیٰ رضی اللہ عنہ نے کہا کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا قیامت سے پہلے ایسے دن آئیں گے جن میں علم اٹھا لیا جائے گا اور جہالت اتر ے پڑے گی اور ہرج کی کثرت ہو جائے گی اور ہرج قتل ہے ۔
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাতের আগে এমন একটি সময় আসবে যখন ইল্ম উঠিয়ে নেয়া হবে এবং সর্বত্র মূর্খতা ছড়িয়ে পড়বে, আর তখন হারজ বেড়ে যাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৫)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 185
Hadith 7065
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَالَ إِنِّي لَجَالِسٌ مَعَ عَبْدِ اللَّهِ وَأَبِي مُوسَى ـ رضى الله عنهما ـ فَقَالَ أَبُو مُوسَى سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ، وَالْهَرْجُ بِلِسَانِ الْحَبَشَةِ الْقَتْلُ.
Narrated Abu Musa:
The Prophet (ﷺ) said...(as above, 185). And Harj, in the Ethiopian language, means killing.
ہم سے قتیبہ نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم سے جریر نے بیان کیا ‘ ان سے اعمش نے بیان کیا اور ان سے ابووائل نے بیان کیا کہ
میں عبداللہ بن مسعود اور ابوموسیٰ رضی اللہ عنہما کے ساتھ بیٹھا ہوا تھا تو ابوموسیٰ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ میں نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے سنا اسی طرح ۔ حرج حبشہ کی زبان میں قتل کو کہتے ہیں ۔
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে পূর্বে উল্লেখিত হাদীসের মত একটি হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। আর হাবশী ভাষায় হারজ অর্থ (মানুষ) হত্যা। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৫)
The Prophet (ﷺ) said, "Near the establishment of the Hour, there will be the days of Al-Harj, and the
religious knowledge will be taken away (vanish i.e. by the death of Religious scholars) and general
ignorance will spread." Abu Musa said, "Al-Harj, in the Ethiopian language, means killing."
ہم سے محمد بن بشار نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے غندر نے ‘ کہا ہم سے شعبہ نے ‘ ان سے واصل نے ‘ ان سے ابووائل نے اور ان سے عبداللہ بن مسعود رضی اللہ عنہما نے اور میرا خیال ہے کہ
اس حدیث کو انہوں نے مرفوعاً بیان کیا ‘ کہا کہ قیامت سے پہلے ہرج کے دن ہوں گے ‘ ان میں علم ختم ہو جائے گا اور جہالت غالب ہو گی ۔ ابوموسیٰ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ حبشی زبان میں ہرج بمعنی قتل ہے ۔
আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তার সম্পর্কে আমার ধারণা, তিনি হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ক্বিয়ামাতের আগে হারজ অর্থাৎ হত্যার যুগ শুরু হবে। তখন ইল্ম বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং মূর্খতা প্রকাশিত হয়ে পড়বে। আবূ মূসা (রাঃ) বলেন, হাবশী ভাষায় ‘হারজ’ অর্থ (মানুষ) হত্যা।(আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৬)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 187
Hadith 7067
وَقَالَ أَبُو عَوَانَةَ عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنِ الأَشْعَرِيِّ، أَنَّهُ قَالَ لِعَبْدِ اللَّهِ تَعْلَمُ الأَيَّامَ الَّتِي ذَكَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَيَّامَ الْهَرْجِ. نَحْوَهُ. قَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ
" مِنْ شِرَارِ النَّاسِ مَنْ تُدْرِكُهُمُ السَّاعَةُ وَهُمْ أَحْيَاءٌ ".
Ibn Mas`ud added:
I heard Allah's Messenger (ﷺ) saying; (It will be) from among the most wicked people who
will be living at the time when the Hour will be established."
اور ابو عوانہ نے بیان کیا ‘ ان سے عاصم نے ‘ ان سے ابووائل نے اور ان سے ابوموسیٰ اشعری رضی اللہ عنہ نے کہ انہوں نے عبداللہ رضی اللہ عنہ سے کہا ۔
آپ وہ حدیث جانتے ہیں جو آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے ہرج کے دنوں وغیرہ کے متعلق بیان کی ۔ ابن مسعود رضی اللہ عنہما نے کہا کہ میں نے آپ کو یہ فرماتے سنا تھا کہ وہ بدبخت ترین لوگوں میں سے ہوں گے جن کی زندگی میں قیامت آئے گی ۔
আবূ মূসা আশ্‘আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ আওয়ানা তাঁর বর্ণনাসূত্রে আবূ মূসা আশ্‘আরী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন যে, তিনি ‘আবদুল্লাহ্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে যুগকে ‘হারজ’-এর যুগ বলেছেন সে যুগ সম্পর্কে আপনি কিছু জানেন কি? এর উত্তরে তিনি আগে উল্লেখিত হাদীসটি বর্ণনা করেন।
ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি যে, ক্বিয়ামাত যাদের জীবনকালে সংঘটিত হবে তারাই সবচেয়ে নিকৃষ্ট লোক। [১৫৫] [মুসলিম ৫২/২৬, হাঃ ২৯৪৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৭)
We went to Anas bin Malik and complained about the wrong we were suffering at the hand of Al-
Hajjaj. Anas bin Malik said, "Be patient till you meet your Lord, for no time will come upon you but
the time following it will be worse than it. I heard that from the Prophet."
ہم سے محمد بن یوسف نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے سفیان نے ‘ ان سے زبیر بن عدی نے بیان کیا کہ ‘
ہم انس بن مالک رضی اللہ عنہ کے پاس آئے اور ان سے حجاج کے طرز عمل کی شکایت کی ‘ انہوں نے کہا کہ صبر کرو کیونکہ تم پر جو دور بھی آتا ہے تو اس کے بعد آنے والا دور اس سے بھی برا ہو گا یہاں تک کہ تم اپنے رب سے جا ملو ۔ میں نے یہ تمہارے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے سنا ہے ۔
যুবায়র ইব্নু আদী (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা আনাস্ ইব্নু মালিক (রাঃ)-এর নিকট গেলাম এবং হাজ্জাজের নিকট থেকে মানুষ যে জ্বালাতন ভোগ করছে সে সম্পর্কে অভিযোগ পেশ করলাম। তিনি বললেন, ধৈর্য ধর। কেননা, মহান প্রতিপালকের সাথে মিলিত হবার পূর্ব পর্যন্ত (অর্থাৎ মৃত্যুর পূর্বে) তোমাদের উপর এমন কোন যুগ অতীত হবে না, যার পরের যুগ তার চেয়েও বেশী খারাপ নয়। তিনি বলেন, এ কথাটি আমি তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৮)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 188
Hadith 7069
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، حَدَّثَنِي أَخِي، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عَتِيقٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ هِنْدٍ بِنْتِ الْحَارِثِ الْفِرَاسِيَّةِ، أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتِ اسْتَيْقَظَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيْلَةً فَزِعًا يَقُولُ
" سُبْحَانَ اللَّهِ مَاذَا أَنْزَلَ اللَّهُ مِنَ الْخَزَائِنِ وَمَاذَا أُنْزِلَ مِنَ الْفِتَنِ، مَنْ يُوقِظُ صَوَاحِبَ الْحُجُرَاتِ ـ يُرِيدُ أَزْوَاجَهُ ـ لِكَىْ يُصَلِّينَ، رُبَّ كَاسِيَةٍ فِي الدُّنْيَا، عَارِيَةٍ فِي الآخِرَةِ ".
Narrated Um Salama:
(the wife of the Prophet) Allah's Messenger (ﷺ) woke up one night in a state of terror and said, "Subhan
Allah, How many treasures Allah has sent down! And how many afflictions have been sent down!
Who will go and wake the lady dwellers (wives of the Prophet) up of these rooms (for prayers)?" He
meant his wives, so that they might pray. He added, "A well-dressed (soul) in this world may be naked
in the Hereafter."
ہم سے ابو الیمان نے بیان کیا ‘ کہا ہم کو شعیب نے خبر دی ‘ انہیں زہری نے ۔ ( دوسری سند امام بخاری نے کہا ) اور ہم سے اسماعیل نے بیان کیا ‘ ان سے ان کے بھائی نے بیان کیا ‘ ان سے سلیمان نے ‘ ان سے محمد بن عقیق نے ‘ ان سے ابن شہاب نے ‘ ان سے ہند بنت الحارث الفراسیہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی زوجہ مطہرہ ام سلمہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ ایک رات رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم گھبرائے ہوئے بیدار ہوئے اور فرمایااللہ کی ذات پاک ہے ۔ اللہ تعالیٰ نے کیا خزانے نازل کئے ہیں اور کتنے فتنے اتارے ہیں ان حجرہ والیوں کو کوئی بیدار کیوں نہ کرے آپ کی مراد ازواج مطہرات سے تھی تاکہ یہ نماز پڑھیں ۔ بہت سے دنیا میں کپڑے باریک پہننے والیاں آخرت میں ننگی ہوں گی ۔
নাবী সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন এক রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভীত অবস্থায় ঘুম থেকে জেগে বলতে লাগলেন, সুবহানাল্লাহ্, আল্লাহ্ তা‘আলা কতই না খাযানা অবতীর্ণ করেছেন আর কতই না ফিত্না অবতীর্ণ হয়েছে। কে আছে যে হুজরাবাসিনীদেরকে জাগিয়ে দেবে, যেন তারা সলাত আদায় করে। এ বলে তিনি তাঁর স্ত্রীদেরকে উদ্দেশ্য করেছিলেন। তিনি আরও বললেনঃ দুনিয়ার মধ্যে বহু বস্ত্র পরিহিতা পরকালে উলঙ্গ থাকবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৯)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 189
Hadith 7070
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" مَنْ حَمَلَ عَلَيْنَا السِّلاَحَ فَلَيْسَ مِنَّا ".
Narrated `Abdullah bin `Umar:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "Whoever takes up arms against us, is not from us."
ہم سے عبداللہ بن یوسف نے بیان کیا ‘ انہیں امام مالک نے خبر دی ‘ انہیں نافع نے اور انہیں عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جس نے ہم مسلمانوں پر ہتھیار اٹھایا وہ ہم سے نہیں ہے ۔
আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক আমাদের উপর অস্ত্র তুলবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়।[৬৮৭৪; মুসলিম ১/৪২, হাঃ ৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৯০)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 191
Hadith 7071
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ بُرَيْدٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" مَنْ حَمَلَ عَلَيْنَا السِّلاَحَ فَلَيْسَ مِنَّا ".
Narrated Abu Musa:
The Prophet (ﷺ) said, "Whoever takes up arms against us, is not from us."
ہم سے محمد بن العلاء نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے ابواسامہ نے بیان کیا ‘ ان سے برید نے ‘ ان سے ابوبردہ نے اور ان سے ابوموسیٰ رضی اللہ عنہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جس نے ہم مسلمانوں پر ہتھیار اٹھایا وہ ہم سے نہیں ہے ۔
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের উপর অস্ত্র উঠাবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৯১)
The Prophet (ﷺ) said, "None of you should point out towards his Muslim brother with a weapon, for he
does not know, Satan may tempt him to hit him and thus he would fall into a pit of fire (Hell)"
ہم سے محمد بن یحییٰ ذہلی ( یا محمد بن رافع ) نے بیان کیا ‘ کہا ہم کو عبدالرزاق نے خبر دی ‘ انہیں معمر نے ‘ انہیں ہمام نے ‘ انہوں نے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ سے سنا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ‘ کوئی شخص اپنے کسی دینی بھائی کی طرف ہتھیار سے اشارہ نہ کرے ‘ کیونکہ وہ نہیں جانتا ممکن ہے شیطان اسے اس کے ہاتھ سے چھڑوا دے اور پھر وہ کسی مسلمان کو مار کر اس کی وجہ سے جہنم کے گڑھے میں گر پڑے ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার অন্য কোন ভাইয়ের প্রতি অস্ত্র উঠিয়ে ইশারা না করে। কারণ সে জানে না হয়ত শয়তান তার হাতে ধাক্কা দিয়ে বসবে, ফলে (এক মুসলিমকে হত্যার কারণে) সে জাহান্নামের গর্তে পতিত হবে।[মুসলিম ৪৫/৩৫, হাঃ ২৬১৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৯২)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 193
Hadith 7073
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ قُلْتُ لِعَمْرٍو يَا أَبَا مُحَمَّدٍ سَمِعْتَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ مَرَّ رَجُلٌ بِسِهَامٍ فِي الْمَسْجِدِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
" أَمْسِكْ بِنِصَالِهَا ". قَالَ نَعَمْ.
Narrated Sufyan:
I said to `Amr, "O Abu Muhammad! Did you hear Jabir bin `Abdullah saying, 'A man carrying arrows
passed through the mosque and Allah's Messenger (ﷺ) said to him, 'Hold the arrows by their heads! "`Amr
replied, "Yes."
ہم سے علی بن عبداللہ مدینی نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے سفیان بن عیینہ نے بیان کیا ‘ کہا کہ
میں نے عمرو بن دینار سے کہا ابو محمد ! تم نے جابر بن عبداللہ رضی اللہ عنہ سے سنا ہے کہ انہوں نے بیان کیا کہ ایک صاحب تیر لے کر مسجد میں سے گزرے تو ان سے رسول کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ تیر کی نوک کا خیال رکھو ۔ عمرو نے کہا ہاں میں نے سنا ہے ۔
সুফ্ইয়ান ইব্নু ‘উয়াইনাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ‘আম্রকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আবূ মুহাম্মাদ! আপনি কি জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্কে বলতে শুনেছেন যে, এক লোক মাসজিদে কতকগুলো তীর নিয়ে যাচ্ছিল, তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তীরের লৌহ ফলাগুলো মুষ্টিবদ্ধ করে রাখো। উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৯৩
A man passed through the mosque and he was carrying arrows, the heads of which were exposed
(protruding). The man was ordered (by the Prophet) to hold the iron heads so that it might not scratch
(injure) any Muslim.
ہم سے ابو النعمان نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے حماد بن زید نے بیان کیا ‘ ان سے عمرو بن دینار نے اور ان سے جابر رضی اللہ عنہ نے کہ
ایک صاحب مسجد میں تیر لے کر گزرے جن کے پھل باہر کو نکلے ہوئے تھے تو انہیں حکم دیا گیا کہ ان کی نوک کا خیال رکھیں کہ وہ کسی مسلمان کو زخمی نہ کر دیں ۔
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, এক লোক কতকগুলো তীর নিয়ে মাসজিদে এলো। সেগুলোর ফলা খোলা অবস্থায় ছিল। তখন তাকে নির্দেশ দেয়া হল, যেন সে তার তীরের ফলাগুলো ধরে রাখে, যাতে কোন মুসলিমের গায়ে আঘাত না লাগে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৯৪)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 195
Hadith 7075
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ بُرَيْدٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" إِذَا مَرَّ أَحَدُكُمْ فِي مَسْجِدِنَا أَوْ فِي سُوقِنَا وَمَعَهُ نَبْلٌ فَلْيُمْسِكْ عَلَى نِصَالِهَا ـ أَوْ قَالَ فَلْيَقْبِضْ بِكَفِّهِ ـ أَنْ يُصِيبَ أَحَدًا مِنَ الْمُسْلِمِينَ مِنْهَا شَىْءٌ ".
Narrated Abu Musa:
The Prophet (ﷺ) said, "If anyone of you passed through our mosque or through our market while carrying
arrows, he should hold the iron heads," or said, "..... he should hold (their heads) firmly with his hand
lest he should injure one of the Muslims with it."
ہم سے محمد بن العلاء نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے ابواسامہ نے بیان کیا ‘ ان سے برید نے ‘ ان سے ابوبردہ نے اور ان سے ابوموسیٰ رضی اللہ عنہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جب تم میں سے کوئی ہماری مسجد میں یا ہمارے بازار میں گزرے اور اس کے پاس تیر ہوں تو اسے چاہئیے کہ اس کی نوک کا خیال رکھے یا آپ نے فرمایا کہ اپنے ہاتھ سے انہیں تھامے رہے ۔ کہیں کسی مسلمان کو اس سے کوئی تکلیف نہ پہنچے ۔
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি তীর সাথে নিয়ে আমাদের মাসজিদে কিংবা বাজারে যায়, তাহলে সে যেন তীরের ফলাগুলো ধরে রাখে, কিংবা তিনি বলেছিলেনঃ তাহলে সে যেন তা মুষ্টিবদ্ধ করে রাখে, যাতে সে তীর কোন মুসলিমের গায়ে না লাগে। [৪৫২; মুসলিম ৪৫/৩৪, হাঃ ২৬১৫, আহমাদ ১৯৫৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৯৫)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 196
Hadith 7076
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، حَدَّثَنَا شَقِيقٌ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
" سِبَابُ الْمُسْلِمِ فُسُوقٌ، وَقِتَالُهُ كُفْرٌ ".
Narrated `Abdullah:
The Prophet, said, "Abusing a Muslim is Fusuq (evil doing) and killing him is Kufr (disbelief).
ہم سے عمر بن حفص نے بیان کیا ‘ کہا مجھ سے میرے والد نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے اعمش نے بیان کیا ‘ ان سے شقیق نے بیان کیا ‘ کہا کہ عبداللہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا مسلمان کو گالی دینا فسق ہے اور اس کو قتل کرنا کفرہے ۔
আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ কোন মুসলিমকে গাল দেয়া ফাসিকী কাজ (জঘন্য পাপ) আর কোন মুসলিমকে হত্যা করা কুফ্রী। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৯৬)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 197
Hadith 7077
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنِي وَاقِدٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ
" لاَ تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّارًا، يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ ".
Narrated Ibn `Umar:
I heard the Prophet (ﷺ) saying, "Do not revert to disbelief after me by striking (cutting) the necks of one
another."
ہم سے حجاج بن منہال نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم سے شعبہ نے بیان کیا ‘ کہا مجھ کو واقد نے خبر دی ‘ انہیں ان کے والد نے اور انہیں ابن عمر رضی اللہ عنہما نے ‘
انہوں نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے سنا ‘آپ نے فرمایا کہ میرے بعد کفر کی طرف نہ لوٹ جانا کہ ایک دوسرے کی گردن مارنے لگو ۔
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছেন যে, আমার পরে তোমরা পরস্পরে হানাহানি করে কুফরির দিকে ফিরে যেও না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৯৭)
Allah's Messenger (ﷺ) addressed the people saying, "Don't you know what is the day today?" They replied,
"Allah and His Apostle know better." We thought that he might give that day another name. The
Prophet said, "Isn't it the day of An-Nahr?" We replied, "Yes. O Allah's Messenger (ﷺ)." He then said, "What
town is this? Isn't it the forbidden (Sacred) Town (Mecca)?" We replied, "Yes, O Allah's Messenger (ﷺ)." He
then said, "Your blood, your properties, your honors and your skins (i.e., bodies) are as sacred to one
another like the sanctity of this day of yours in this month of yours in this town of yours. (Listen)
Haven't I conveyed Allah's message to you?" We replied, "Yes" He said, "O Allah! Be witness (for it).
So it is incumbent upon those who are present to convey it (this message of mine) to those who are
absent because the informed one might comprehend what I have said better than the present audience
who will convey it to him.)" The narrator added: In fact, it was like that. The Prophet (ﷺ) added, "Beware!
Do not renegade as disbelievers after me by striking (cutting) the necks of one another."
ہم سے مسدد نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے یحییٰ قطان نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے قرہ بن خالد نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے ابن سیرین نے بیان کیا ‘ ان سے عبدالرحمٰن بن ابی بکرہ نے بیان کیا
اور ایک دوسرے شخص ( حمید بن عبدالرحمٰن ) سے بھی سنا جو میری نظر میں عبدالرحمٰن بن ابی بکرہ سے اچھے ہیں اور ان سے ابو بکرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ رسول صلی اللہ علیہ وسلم نے لوگوں کو یوم النحر کو خطبہ دیا اور فرمایا تمہیں معلوم ہے یہ کون سا دن ہے ؟ لوگوں نے کہا کہ اللہ اور اس کے رسول کو زیادہ علم ہے ۔ بیان کیا کہ ( اس کے بعد آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی خاموشی سے ) ہم یہ سمجھے کہ آپ صلی اللہ علیہ وسلم اس کا کوئی اور نام رکھیں گے ۔ لیکن آپ نے فرمایا کیا یہ قربانی کا دن ( یوم النحر ) نہیں ہے ؟ ہم نے عرض کیا کیوں نہیں یا رسول اللہ ! آپ نے پھر پوچھا یہ کون سا شہر ہے ؟ کیا یہ البلدہ ( مکہ مکرمہ ) نہیں ہے ؟ ہم نے عرض کیا کیوں نہیں یا رسول اللہ ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا پھر تمہارا خون ‘ تمہارے مال ‘ تمہاری عزت اور تمہاری کھال تم پر اسی طرح حرمت والے ہیں جس طرح اس دن کی حرمت اس مہینے اور اس شہر میں ہے ۔ کیا میں نے پہنچا دیا ؟ ہم نے کہا جی ہاں ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا اے اللہ ! گواہ رہنا ۔ پس میرا یہ پیغام موجود لوگ غیر موجود لوگوں کو پہنچا دیں کیونکہ بہت سے پہنچانے والے اس پیغام کو اس تک پہنچائیں گے جو اس کو زیادہ محفوظ رکھنے والا ہو گا ۔ چنانچہ ایسا ہی ہوا اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا میرے بعد کافر نہ ہو جانا کہ بعض بعض کی گردن مارنے لگو ۔ پھر جب وہ دن آیا جب عبداللہ عمرو بن حضرمی کو جاریہ بن قدامہ نے ایک مکان میں گھیر کر جلا دیا تو جاریہ نے اپنے لشکر والوں سے کہا ذار ابوبکرہ کو تو جھانکو وہ کس خیال میں ہے ۔ انہوں نے کہا یہ ابوبکرہ موجود ہیں تم کو دیکھ رہے ہیں ۔ عبدالرحمٰن بن ابی بکرہ کہتے ہیں مجھ سے میری والدہ ہالہ بنت غلیظ نے کہا کہ ابوبکرہ نے کہا اگر یہ لوگ ( تین جاریہ کے لشکر والے ) میرے گھر میں بھی گھس آئیں اور مجھ کو مارنے لگیں تو میں ان پر ایک بانس کی چھڑی بھی نہیں چلاؤں گا ۔
আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ (একবার) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনতার উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন। তিনি (নবী সাঃ) বললেনঃ তোমরা কি জান না আজ কোন্ দিন? তারা বললেন, আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলই এ সম্পর্কে বেশি জানেন। (বর্ণনাকারী বলেন) এতে আমরা মনে করলাম হয়ত তিনি অন্য কোন নামে এ দিনটির নামকরণ করবেন। এরপর তিনি (নবী সাঃ) বললেনঃ এটি কি ইয়াওমন নাহর (কুরবানীর দিন) নয়? আমরা বললাম হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল। এরপর তিনি বললেনঃ এটি কোন্ নগর? এটি ‘হারাম নগর’ (সম্মানিত নগর) নয়? আমরা বললাম হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন নিঃসন্দেহ তোমাদের এ নগরে, এ মাসের এ দিনটি তোমাদের জন্য যেমন হারাম, তোমাদের (একের) রক্ত, সম্পদ, ইয্যত ও চামড়া অপরের জন্য তেমনি হারাম। শোন! আমি কি তোমাদের নিকট পৌঁছিয়েছি? আমরা বললাম, হ্যাঁ। তখন তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্! তুমি সাক্ষী থাক। (তারপর তিনি বললেন) উপস্থিত ব্যক্তি যেন (আমার বাণী) অনুপস্থিতের নিকট পৌঁছিয়ে দেয়। কারণ অনেক প্রচারক এমন লোকের নিকট (আমার বাণী) পৌঁছাবে যারা তার চেয়ে বেশি সংরক্ষণকারী হবে।[১] আসলে ব্যাপারটি তাই। এরপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমার পরে একে অন্যের গর্দান উড়িয়ে কুফ্রীর দিকে ফিরে যেয়ো না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৯৮)
যে দিন জারিয়্যাহ্ ইবনু কুদামাহ কর্তৃক ‘আলা ইবনু হাযরামীকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়, সেদিন জারিয়্যাহ্ তার বাহিনীকে বলেছিল, আবূ বাকরাহর খবর নাও। তারা বলেছিল এই তো আবূ বকরাহ (রাঃ) আপনাকে দেখছেন। ‘আবদুর রহমান বলেন, আমার মা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবূ বকরাহ (রাঃ) বলেছেন, (সেদিন) যদি তারা আমার গৃহে প্রবেশ করত, তাহলে আমি তাদেরকে একটি বাঁশের লাঠি নিক্ষেপ (প্রতিহত) করতাম না। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ বলেন, হাদীসের ব্যবহৃত بَهَشْتُ শব্দের অর্থ رميت অর্থাৎ আমি নিক্ষেপ করেছি।
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 199
Hadith 7079
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِشْكَابٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
" لاَ تَرْتَدُّوا بَعْدِي كُفَّارًا، يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ ".
Narrated Ibn `Abbas:
The Prophet (ﷺ) said, "Beware! Do not renegade as (disbelievers) after me by striking (cutting) the necks
of one another."
ہم سے احمد بن اشکاب نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم سے محمد بن فضیل نے بیان کیا ‘ ان سے ان کے والد نے بیان کیا ‘ ان سے عکرمہ نے بیان کیا اور ان سے عبداللہ بن عباس رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ‘ میرے بعد کافر نہ ہو جانا کہ تم میں بعض بعض کی گردن مارنے لگے ۔
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার পরে তোমরা একে অন্যের গর্দান উড়িয়ে কুফরির দিকে ফিরে যেও না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৯৯)
The Prophet (ﷺ) said to me during Hajjat-al-Wada`, "Let the people keep quiet and listen." Then he said
(addressing the people), "Beware! Do not renegade as disbelievers after me by striking (cutting) the
necks of one another."
ہم سے سلیمان بن حرب نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم سے شعبہ نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم سے علی بن مدرک نے بیان کیا ‘ کہا میں نے ابو زرعہ بن عمرو بن جریر سے سنا ‘ ان سے ان کے دادا جریر رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے مجھ سے حجۃ الوداع کے موقع پر فرمایا لوگوں کو خاموش کر دو ۔ پھر آپ نے فرمایا میرے بعد کافر نہ ہو جانا کہ تم ایک دوسرے کی گردن مارنے لگ جاؤ ۔
জারীর (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন যে, বিদায় হাজ্জে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ লোকদেরকে চুপ থাকতে বল। তারপর তিনি বললেনঃ আমার পরে তোমরা একে অন্যের গর্দান উড়িয়ে কুফরির দিকে ফিরে যেও না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬০০)
Allah's Messenger (ﷺ) said, "There will be afflictions (in the near future) during which a sitting person will
be better than a standing one, and the standing one will be better than the walking one, and the
walking one will be better than the running one, and whoever will expose himself to these afflictions,
they will destroy him. So whoever can find a place of protection or refuge from them, should take
shelter in it."
ہم سے محمد بن عبیداللہ نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے ابراہیم بن سعد نے بیان کیا ‘ ان سے ان کے والد نے ‘ ان سے ابوسلمہ بن عبدالرحمٰن نے اور ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ ابراہیم بن سعد نے کہا کہ مجھ سے صالح بن کیسان نے بیان کیا ‘ ان سے ابن شہاب نے ‘ ان سے سعید بن المسیب نے اور ان سے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا عنقریب ایسے فتنے برپا ہوں گے جن میں بیٹھنے والا کھڑے ہونے والے سے بہتر ہو گا اور کھڑا ہونے والا ان میں چلنے والے سے بہتر ہو گا اور چلنے والا ان میں دوڑنے والے سے بہتر ہو گا ‘ جو دور سے ان کی طرف جھانک کر بھی دیکھے گا تو وہ ان کو بھی سمیٹ لیں گے ۔ اس وقت جس کسی کو کوئی پناہ کی جگہ مل جائے یا بچاؤ کامقام مل سکے وہ اس میں چلا جائے ۔
আবূ হুরাইরাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শীঘ্রই অনেক ফিতনা দেখা দেবে। তখন উপবিষ্ট ব্যক্তি দাঁড়ানো ব্যক্তির চেয়ে উত্তম। দাঁড়ানো ব্যক্তি চলমান ব্যক্তির চেয়ে উত্তম। চলমান ব্যক্তি ধাবমান ব্যক্তির চেয়ে উত্তম। যে ব্যক্তি ফিতনার দিকে তাকাবে ফিতনা তাকে ঘিরে ধরবে। তখন কেউ যদি কোন আশ্রয়ের জায়গা কিংবা নিরাপদ জায়গা পায়, তাহলে সে যেন আত্মরক্ষা করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬০১)
Allah's Messenger (ﷺ) said, "There will be afflictions (in the near future) during which a sitting person will
be better than a standing one, and the standing one will be better than a walking one, and the walking
one will be better than a running one, and whoever will expose himself to these afflictions, they will
destroy him. So whoever can find a place of protection or refuge from them, should take shelter in it."
ہم سے ابو الیمان نے بیان کیا ‘ کہا ہم کو شعیب نے خبر دی ‘ انہیں زہری نے ‘ انہیں ابوسلمہ بن عبدالرحمٰن نے خبر دی اور ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ایسے فتنے برپا ہوں گے کہ ان میں بیٹھنے والا کھڑے ہونے والے سے بہتر ہو گا اور کھڑا ہونے والا چلنے والے سے بہتر ہو گا اور چلنے والا دوڑنے والے سے بہتر ہو گا ۔ اگر کوئی ان کی طرف دور سے بھی جھانک کر دیکھے گا تو وہ اسے بھی سمیٹ لیں گے ایسے وقت جو کوئی اس سے کوئی پناہ کی جگہ پا لے اسے اس کی پناہ لے لینی چاہئیے ۔
আবূ হুরাইরাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শীঘ্রই ফিতনা দেখা দেবে। তখন উপবিষ্ট ব্যক্তি দাঁড়ানো ব্যক্তির চেয়ে ভাল (ফিতনামুক্ত) থাকবে, দাঁড়ানো ব্যক্তি চলমান ব্যক্তির চেয়ে ভাল থাকবে, চলমান ব্যক্তি ধাবমান ব্যক্তির চেয়ে ভাল থাকবে। যে ব্যক্তি সে ফিতনার দিকে তাকাবে, ফিতনা তাকে ঘিরে ধরবে। কাজেই তখন কেউ যদি কোথাও কোন নিরাপদ আশ্রয়স্থল কিংবা আত্মরক্ষার ঠিকানা পায়, তাহলে সে যেন সেখানে আশ্রয় নেয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬০২)
(Al-Ahnaf said:) I went out carrying my arms during the nights of the affliction (i.e. the war between
`Ali and `Aisha) and Abu Bakra met me and asked, "Where are you going?" I replied, "I intend to help
the cousin of Allah's Messenger (ﷺ) (i.e.,`Ali)." Abu Bakra said, "Allah's Messenger (ﷺ) said, 'If two Muslims take
out their swords to fight each other, then both of them will be from amongst the people of the Hell-
Fire.' It was said to the Prophet, 'It is alright for the killer but what about the killed one?' He replied,
'The killed one had the intention to kill his opponent.'" (See Hadith No. 30, Vol. 1)
Narrated Al-Ahnaf:
Abu Bakra said: The Prophet (ﷺ) said (as above, 204).
ہم سے عبداللہ بن عبدالوہاب نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے حماد بن زید نے بیان کیا ‘ ان سے ایک شخص نے جس کا نام نہیں بتایا ‘ ان سے امام حسن بصری نے بیان کیا کہ
میں ایک مرتبہ باہمی فسادات کے دنوں میں اپنے ہتھیار لگا کر نکلا تو ابوبکرہ رضی اللہ عنہ سے راستے میں ملاقات ہو گئی ۔ انہوں نے پوچھا کہاں جانے کا ارادہ ہے ؟ میں نے کہا کہ میں رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کے چچا کے لڑکے کی ( جنگ جمل وصفین میں ) مدد کرنی چاہتا ہوں ۔ انہوں نے کہا لوٹ جاؤ ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ہے کہ جب دو مسلمان اپنی تلواروں کو لے کر آمنے سامنے مقابلہ پر آ جائیں تو دونوں دوزخی ہیں ۔ پوچھا گیا یہ تو قاتل تھا ‘ مقتول نے کیا کیا ( کہ وہ بھی ناری ہو گیا ) فرمایا کہ وہ بھی اپنے مقابل کو قتل کرنے کا ارادہ کئے ہوئے تھا ۔ حماد بن زید نے کہا کہ پھر میں نے یہ حدیث ایوب اور یونس بن عبید سے ذکر کی ‘ میرا مقصد تھا کہ یہ دونوں بھی مجھ سے یہ حدیث بیان کریں ‘ ان دونوں نے کہا کہ اس حدیث کی روایت حسن بصری نے احنف بن قیس سے اور انہوں نے ابوبکر رضی اللہ عنہ سے کی ۔ ہم سے سلیمان بن حرب نے بیان کیا کہا ہم سے حماد بن زید نے یہی حدیث بیان کی اور مؤمل بن ہشام نے کہا کہ ہم سے حماد بن زید نے بیان کیا ‘کہا ہم سے ایوب ‘ یونس ‘ ہشام اور معلی بن زیاد نے امام حسن بصری سے بیان کیا ‘ ان سے احنف بن قیس اور ان سے ابوبکرہ رضی اللہ عنہ نے اور ان سے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے اور اس کی روایت معمر نے بھی ایوب سے کی ہے اور اس کی روایت بکار بن عبد العزیز نے اپنے باپ سے کی اور ان سے ابو بکرہ رضی اللہ عنہ نے اور غندر نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے شعبہ نے بیان کیا ‘ ان سے منصور نے ‘ ان سے ربعی بن حراش نے ‘ ان سے ابوبکرہ رضی اللہ عنہ نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے ۔ اور سفیان ثوری نے بھی اس حدیث کو منصور بن معتمر سے روایت کیا ‘ پھر یہ روایت مرفوعہ نہیں ہے ۔
হাসান বসরী (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, ফিতনার রাতে (অর্থাৎ জঙ্গে জামাল কিংবা জঙ্গে সিফ্ফীনে) আমি হাতিয়ার নিয়ে বের হলাম। হঠাৎ আবূ বকরাহ (রাঃ) আমার সামনে পড়লেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কোথায় যাচ্ছ? আমি বললাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চাচাতো ভাইয়ের সাহায্যার্থে যাচ্ছি। তখন তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি দু’জন মুসলিম তলোয়ার নিয়ে পরস্পর সংঘর্ষের জন্য মুখোমুখী হয়, তাহলে উভয়েই জাহান্নামীদের মধ্যে গণ্য হবে। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, হত্যাকারী তো জাহান্নামী। কিন্তু নিহত ব্যক্তির কী অপরাধ? তিনি বললেন, সেও তার বিপক্ষকে হত্যা করার সংকল্প করেছিল।
বর্ণনাকারী হাম্মাদ ইব্নু যায়দ বলেন, আমি এ হাদীসটি আইউব ও ইউনুস ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্র কাছে বললাম। আমি চাচ্ছিলাম তাঁরা এ হাদীসটি আমাকে বর্ণনা করবেন। তাঁরা বললেন, এ হাদীসটি হাসান বসরী (রহঃ) আহ্নাফ ইব্নু কায়সের মাধ্যমে আবূ বকরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (আ. প্র. ৬৫৯০, ই. ফা. ৬৬০৩)
আবূ বকরা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ ব্যতীত মা‘মার আইউব থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
বাক্কার ইব্নু ‘আবদুল ‘আযীয নিজ পিতার মাধ্যমে আবূ বকরাহ (রাঃ) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং গুন্দার ও আবূ বকরা (রাঃ) - র বর্ণনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে সুফ্ইয়ান সাওরী (রহঃ) মানসূর থেকে (পূর্বে উল্লেখিত সনদে হাদীসটি বর্ণনা করার সময়) মারফূ’ রূপে উল্লেখ করেননি।(আধুনিক প্রকাশনী- , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬০৪)
The people used to ask Allah's Messenger (ﷺ) about the good but I used to ask him about the evil lest I
should be overtaken by them. So I said, "O Allah's Messenger (ﷺ)! We were living in ignorance and in an
(extremely) worst atmosphere, then Allah brought to us this good (i.e., Islam); will there be any evil
after this good?" He said, "Yes." I said, 'Will there be any good after that evil?" He replied, "Yes, but
it will be tainted (not pure.)'' I asked, "What will be its taint?" He replied, "(There will be) some
people who will guide others not according to my tradition? You will approve of some of their deeds
and disapprove of some others." I asked, "Will there be any evil after that good?" He replied, "Yes,
(there will be) some people calling at the gates of the (Hell) Fire, and whoever will respond to their
call, will be thrown by them into the (Hell) Fire." I said, "O Allah s Apostle! Will you describe them
to us?" He said, "They will be from our own people and will speak our language." I said, "What do
you order me to do if such a state should take place in my life?" He said, "Stick to the group of
Muslims and their Imam (ruler)." I said, "If there is neither a group of Muslims nor an Imam (ruler)?"
He said, "Then turn away from all those sects even if you were to bite (eat) the roots of a tree till death
overtakes you while you are in that state."
ہم سے محمد بن مثنیٰ نے بیان کیا ‘انہوں نے کہا ہم سے ولید بن مسلم نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم سے ابن جابر نے بیان کیا ‘ ان سے بسر بن عبیداللہ الخصرمی نے بیان کیا ‘ انہوں نے ابو ادریس خولانی سے سنا ‘ انہوں نے حذیفہ بن الیمان رضی اللہ عنہ سے سنا ‘انہوں نے بیان کیا کہ
لوگ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے خیر کے بارے میں پوچھا کرتے تھے لیکن میں شر کے بارے میں پوچھتا تھا ۔ اس خوف سے کہ کہیں میری زندگی میں ہی شر نہ پیدا ہو جائے ۔ میں نے پوچھا یا رسول اللہ ! ہم جاہلیت اور شر کے دور میں تھے پھر اللہ تعالیٰ نے ہمیں اس خیر سے نوازا تو کیا اس خیر کے بعد پھر شر کا زمانہ ہو گا ؟ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ ہاں ۔ میں نے پوچھا کیا اس شر کے بعد پھر خیر کا زمانہ آئے گا ؟ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ہاں لیکن اس خیر میں کمزوری ہو گی ۔ میں نے پوچھا کہ کمزوری کیا ہو گی ؟ فرمایا کہ کچھ لوگ ہوں گے جو میرے طریقے کے خلاف چلیں گے ‘ ان کی بعض باتیں اچھی ہوں گی لیکن بعض میں تم برائی دیکھو گے ۔ میں نے پوچھا کیا پھر دور خیر کے بعد دور شر آئے گا ؟ فرمایا کہ ہاں جہنم کی طرف سے بلانے والے دوزخ کے دروازوں پر کھڑے ہوں گے ‘ جو ان کی بات مان لے گا وہ اس میں انہیں جھٹک دیں گے ۔ میں نے کہا یا رسول اللہ ! ان کی کچھ صفت بیان کیجئے ۔ فرمایا کہ وہ ہمارے ہی جیسے ہوں گے اور ہماری ہی زبان عربی بولیں گے ۔ میں نے پوچھا پھر اگر میں نے وہ زمانہ پایا تو آپ مجھے ان کے بارے میں کیا حکم دیتے ہیں ؟ فرمایا کہ مسلمانوں کی جماعت اور ان کے امام کے ساتھ رہنا ۔ میں نے کہا کہ اگر مسلمانوں کی جماعت نہ ہو اور نہ ان کا کوئی امام ہو ؟ فرمایا کہ پھر ان تمام لوگوں سے الگ ہو کر خواہ تمہیں جنگل میں جا کر درختوں کی جڑیں چبانی پڑیں یہاں تک کہ اسی حالت میں تمہاری موت آ جائے ۔
হুযাইফাহ ইব্নু ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, লোকেরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে কল্যাণের বিষয়াবলী জিজ্ঞেস করত। কিন্তু আমি তাঁকে অকল্যাণের বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতাম এ ভয়ে যে, অকল্যাণ আমাকে পেয়ে না বসে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা তো জাহিলীয়্যাত ও অকল্যাণের মাঝে ছিলাম। এরপর আল্লাহ্ তা‘আলা আমাদেরকে এ কল্যাণের মধ্যে নিয়ে আসলেন। এ কল্যাণের পর আবারও কি অকল্যাণ আসবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তবে এর মধ্যে কিছুটা ধূম্রজাল থাকবে। আমি প্রশ্ন করলাম, এর ধূম্রজাল কিরূপ? তিনি বললেনঃ এক জামা‘আত আমার তরীকা ছেড়ে অন্য পথ ধরবে। তাদের থেকে ভাল কাজও দেখবে এবং মন্দ কাজও দেখবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, সে কল্যাণের পর কি আবার অকল্যাণ আসবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। জাহান্নামের দিকে আহ্বানকারী এক সম্প্রদায় হবে। যে ব্যক্তি তাদের আহ্বানে সাড়া দেবে, তাকে তারা জাহান্নামে নিক্ষেপ করে ছাড়বে। আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! তাদের কিছু স্বভাবের কথা আমাদের বর্ণনা করুন। তিনি বললেনঃ তারা আমাদের লোকই এবং আমাদের ভাষায়ই কথা বলবে। আমি বললাম, যদি এমন অবস্থা আমাকে পেয়ে বসে, তাহলে কী করতে হুকুম দেন? তিনি বললেনঃ মুসলিমদের জামা‘আত ও ইমামকে আঁকড়ে থাকবে। আমি বললাম, যদি তখন মুসলিমদের কোন (সংঘবদ্ধ) জামা‘আত ও ইমাম না থাকে? তিনি বললেনঃ তখন সকল দলমত ত্যাগ করে সম্ভব হলে কোন গাছের শিকড় কামড়িয়ে পড়ে থাকবে, যতক্ষণ না সে অবস্থায় তোমার মৃত্যু উপস্থিত হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬০৫)
An army unit was being recruited from the people of Medina and my name was written among them.
Then I met `Ikrima, and when I informed him about it, he discouraged me very strongly and said, "Ibn
`Abbas told me that there were some Muslims who were with the pagans to increase their number
against Allah's Messenger (ﷺ) (and the Muslim army) so arrows (from the Muslim army) would hit one of
them and kill him or a Muslim would strike him (with his sword) and kill him. So Allah revealed:--
'Verily! As for those whom the angels take (in death) while they are wronging themselves (by staying
among the disbelievers).' (4.97)
ہم سے عبداللہ بن یزید نے بیان کیا ، کہا ہم سے حیوہ بن شریح وغیرہ نے بیان کیا کہ ہم سے ابوالاسود نے بیان کیا ، یا لیث نے ابوالاسود سے بیان کیا کہ
اہل مدینہ کا ایک لشکر تیار کیا گیا ( یعنی عبداللہ بن زبیر رضی اللہ عنہما کے زمانہ میں شام والوں سے مقابلہ کرنے کے لیے ) اور میرا نام اس میں لکھ دیا گیا ۔ پھر میں عکرمہ سے ملا اور میں نے انہیں خبر دی تو انہوں نے مجھے شرکت سے سختی کے ساتھ منع کیا ۔ پھر کہا کہ ابن عباس رضی اللہ عنہما نے مجھے خبر دی ہے کہ کچھ مسلمان جو مشرکین کے ساتھ رہتے تھے وہ رسول کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے خلاف ( غزوات ) میں مشرکین کی جماعت کی زیادتی کا باعث بنتے ۔ پھر کوئی تیر آتا اور ان میں سے کسی کو لگ جاتا اور قتل کر دیتا یا انہیں کوئی تلوار سے قتل کر دیتا ، پھر اللہ تعالیٰ نے یہ آیت نازل کی ” بلا شک وہ لوگ جن کو فرشتے فوت کرتے ہیں اس حال میں کہ وہ اپنی جانوں پر ظلم کرنے والے ہوتے ہیں ۔ “
আবুল আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, তিনি বলেন, একবার মাদীনাহ্বাসীদের উপর একটি যোদ্ধাদল তৈরির সিদ্ধান্ত হল। আমার নামও সে দলের অন্তর্ভুক্ত করা হল। এরপর ইক্রামাহ (রহঃ)-এর সঙ্গে দেখা হলে আমি তাকে এ খবর দিলাম। তিনি আমাকে কঠোরভাবে নিষেধ করলেন এবং বললেন, আমাকে ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) জানিয়েছেন যে, মুসলিমদের কতক লোক মুশরিকদের সঙ্গে ছিল। এতে তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুকাবিলায় মুশরিকদের দল ভারী করছিল। তখন কোন তীর যা নিক্ষিপ্ত হত এবং তাদের কাউকে আঘাত করে এটি তাকে হত্যা করত। অথবা কেউ তাকে তলোয়ার দিয়ে আঘাতে হত্যা করত। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা‘আলা আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ যারা নিজেদের আত্মার উপর যুল্ম করেছিল এমন লোকেদের প্রাণ হরণের সময় ফেরেশতারা তাদেরকে জিজ্ঞেস করে...... (সূরাহ আন্-নিসা ৪/৯৭)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬০৬)
Allah's Messenger (ﷺ) related to us, two prophetic narrations one of which I have seen fulfilled and I am
waiting for the fulfillment of the other. The Prophet (ﷺ) told us that the virtue of honesty descended in the
roots of men's hearts (from Allah) and then they learned it from the Qur'an and then they learned it
from the Sunna (the Prophet's traditions). The Prophet (ﷺ) further told us how that honesty will be taken
away: He said: "Man will go to sleep during which honesty will be taken away from his heart and only
its trace will remain in his heart like the trace of a dark spot; then man will go to sleep, during which
honesty will decrease further still, so that its trace will resemble the trace of blister as when an ember
is dropped on one's foot which would make it swell, and one would see it swollen but there would be
nothing inside. People would be carrying out their trade but hardly will there be a trustworthy person.
It will be said, 'in such-and-such tribe there is an honest man,' and later it will be said about some man,
'What a wise, polite and strong man he is!' Though he will not have faith equal even to a mustard seed
in his heart." No doubt, there came upon me a time when I did not mind dealing (bargaining) with
anyone of you, for if he was a Muslim his Islam would compel him to pay me what is due to me, and
if he was a Christian, the Muslim official would compel him to pay me what is due to me, but today I
do not deal except with such-and-such person.
ہم سے محمد بن کثیر نے بیان کیا ، کہا ہم کو سفیان نے خبر دی ، کہا ہم سے اعمش نے بیان کیا ، ان سے زید بن وہب نے بیان کیا ، ان سے حذیفہ نے بیان کیا ، کہا
ہم سے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے دو احادیث فرمائی تھیں جن میں سے ایک تو میں نے دیکھ لی دوسری کا انتظار ہے ۔ ہم سے آپ نے فرمایا تھا کہ امانت لوگوں کے دلوں کی جڑوں میں نازل ہوئی تھی پھر لوگوں نے اسے قرآن سے سیکھا ، پھر سنت سے سیکھا اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے ہم سے امانت کے اٹھ جانے کے متعلق فرمایا تھا کہ ایک شخص ایک نیند سوئے گا اور امانت اس کے دل سے نکال دی جائے گی اور اس کا نشان ایک دھبے جتنا باقی رہ جائے گا ، پھر وہ ایک نیند سوئے گا اور پھر امانت نکالی جائے گی تو اس کے دل میں آبلے کی طرح اس کا نشان باقی رہ جائے گا ، جیسے تم نے کوئی چنگاری اپنے پاؤں پر گرالی ہو اور اس کی وجہ سے آبلہ پڑ جائے ، تم اس میں سو جن دیکھوگے لیکن اندر کچھ نہیں ہو گا اور لوگ خریدوفروخت کریں گے لیکن کوئی امانت ادا کرنے والا نہیں ہو گا ۔ پھر کہا جائے گا کہ فلاں قبیلے میں ایک امانت دار آدمی ہے اور کسی کے متعلق کہا جائے گا کہ وہ کس قدر عقلمند ، کتنا خوش طبع ، کتنا دلاور آدمی ہے حالانکہ اس کے دل میں رائی کے دانے کے برابر بھی ایمان نہ ہو گا اور مجھ پر ایک زمانہ گزر گیا اور میں اس کی پروا نہیں کرتا تھا کہ تم میں سے کس کے ساتھ میں لین دین کرتا ہوں اگر وہ مسلمان ہوتا تو اس کا اسلام اسے میرے حق کے ادا کرنے پر مجبور کرتا اور اگر وہ نصرانی ہوتا تو اس کے حاکم لوگ اس کو دباتے ایمانداری پر مجبور کرتے ۔ لیکن آج کل تو میں صرف فلاں فلاں لوگوں سے ہی لین دین کرتا ہوں ۔
হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের দু’টি হাদীস বর্ণনা করেছিলেন, যার একটি আমি দেখেছি (সত্যে পরিণত হয়েছে) আর অপরটির অপেক্ষায় আছি। তিনি আমাদের বলেনঃ আমানাত মানুষের অন্তর্মূলে প্রবিষ্ট হয়। এরপর তারা কুরআন শিখে, তারপর তারা সুন্নাহ্র জ্ঞান অর্জন করে। তিনি আমাদের আমানাত বিলুপ্তি সম্পর্কেও বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ মানুষ এক সময় ঘুমাবে। তার অন্তর থেকে আমানাত উঠিয়ে নেয়া হবে। তখন একটি বিন্দুর মত চিহ্ন অবশিষ্ট থাকবে। এরপর সে আবার ঘুমাবে। তারপর আবার তুলে নেয়া হবে, তখন ফোসকার মত তার চিহ্ন অবশিষ্ট থাকবে। যেমন একটা জ্বলন্ত অঙ্গারকে যদি তুমি পায়ের উপর রেখে দাও এতে পায়ে ফোস্কা পড়ে, তখন তুমি সেটাকে ফোলা দেখবে। অথচ তার মধ্যে কিছুই নেই। (এ সময়) মানুষ বেচাকেনা করবে বটে কিন্তু কেউ আমানাত আদায় করবে না। তখন বলা হবে, অমুক গোত্রে একজন আমানাতদার ব্যক্তি আছেন। কোন কোন লোক সম্পর্কে বলা হবে যে, লোকটি কতই না বুদ্ধিমান, কতই না বিচক্ষণ, কতই না বীর, অথচ তার অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান নেই। [এরপর হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন] আমার উপর দিয়ে এমন একটি যুগ অতিবাহিত হয়েছে তখন আমি তোমাদের কার সঙ্গে লেনদেন করছি এ সম্পর্কে মোটেও চিন্তা-ভাবনা করতান না। কেননা, সে যদি মুসলিম হয় তাহলে তার দীনই (হক আদায়ের জন্য) তাকে আমার কাছে ফিরিয়ে আনবে। আর যদি সে খ্রিস্টান হয়, তাহলে তার অভিভাবকরাই (হক আদায়ের জন্য) তাকে আমার কাছে ফিরে আসতে বাধ্য করবে। কিন্তু বর্তমানে আমি অমুক অমুককে ব্যতীত কারো সঙ্গে বেচাকেনা করি না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬০৭)
That he visited Al-Hajjaj (bin Yusuf). Al-Hajjaj said, "O son of Al-Akwa`! You have turned on your
heels (i.e., deserted Islam) by staying (in the desert) with the bedouins." Salama replied, "No, but
Allah's Messenger (ﷺ) allowed me to stay with the bedouin in the desert." Narrated Yazid bin Abi Ubaid:
When `Uthman bin `Affan was killed (martyred), Salama bin Al-Akwa` went out to a place called Ar-
Rabadha and married there and begot children, and he stayed there till a few nights before his death
when he came to Medina.
ہم سے قتیبہ بن سعید نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے حاتم نے بیان کیا ، ان سے یزید بن ابی عبید نے بیان کیا ، ان سے سلمہ بن الاکوع رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
وہ حجاج کے یہاں گئے تو اس نے کہا کہ اے ابن الاکوع ! تم گاؤں میں رہنے لگے ہو کیا الٹے پاؤں پھر گئے ؟ کہا کہ نہیں بلکہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے مجھے جنگل میں رہنے کی اجازت دی تھی ۔ اور یزید بن ابی عبید سے روایت ہے ، انہوں نے کہا کہ جب حضرت عثمان بن عفان رضی اللہ عنہ شہید کئے گئے تو سلمہ بن الاکوع رضی اللہ عنہ ربذہ چلے گئے اور وہاں ایک عورت سے شادی کر لی اور وہاں ان کے بچے بھی پیدا ہوئے ۔ وہ برابر وہیں پر رہے ، یہاں تک کہ وفات سے چند دن پہلے مدینہ آ گئے تھے ۔
সালামাহ ইব্নু আকওয়া’ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, একবার হাজ্জাজ আমার কাছে এলেন। তখন সে তাঁকে বলল, হে ইব্নু আকওয়া’! আপনি আগের অবস্থায় ফিরে গেলেন না কি যে বেদুঈনের মত জীবন কাটাতে শুরু করেছেন? তিনি বললেন, না। বরং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বেদুঈন সুলভ জীবন যাপনের অনুমতি প্রদান করেছেন।
ইয়াযীদ ইব্নু আবূ ‘উবাইদুল্লাহ্ বর্ণনা করেন যে, যখন 'উসমান ইব্নু আফ্ফান (রাঃ) নিহত হলেন, তখন সালামাহ ইব্নু আকওয়া’ (রাঃ) ‘রাবাযা'য় চলে যান এবং সেখানে তিনি এক মহিলাকে বিয়ে করেন। সে মহিলার ঘরে তাঁর কয়েকজন সন্তান জন্মে। মৃত্যুর কয়েক দিন আগে তিনি মদিনায় আসেন। এর আগ পর্যন্ত তিনি সেখানেই বসবাসরত ছিলেন। [মুসলিম ৩৩/১৯, হাঃ ১৮৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬০৮)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 209
Hadith 7088
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي صَعْصَعَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
" يُوشِكُ أَنْ يَكُونَ خَيْرَ مَالِ الْمُسْلِمِ غَنَمٌ، يَتْبَعُ بِهَا شَعَفَ الْجِبَالِ وَمَوَاقِعَ الْقَطْرِ، يَفِرُّ بِدِينِهِ مِنَ الْفِتَنِ ".
Narrated Abu Sa`id Al-Khudri:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "There will come a time when the best property of a Muslim will be sheep which
he will take to the tops of mountains and the places of rainfall so as to flee with his religion from the
afflictions.
ہم سے عبداللہ بن یوسف نے بیان کیا ، کہا ہم کو مالک نے خبر دی ، انہیں عبدالرحمٰن بن عبداللہ بن ابی صعصعہ نے ، انہیں ان کے والد نے اور ان سے ابو سعید خدری رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا وہ وقت قریب ہے کہ مسلمان کا بہترین مال وہ بکریاں ہوں گی جنہیں وہ لے کر پہاڑی کی چوٹیوں اور بارش برسنے کی جگہوں پر چلا جائے گا ۔ وہ فتنوں سے اپنے دین کی حفاظت کے لیے وہاں بھاگ کر آ جائے گا ۔
আবূ সা'ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শীঘ্রই এমন এক সময় আসবে যখন মুসলিমদের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট সম্পদ হবে ছাগল। ফিত্না থেকে দ্বীন রক্ষার্থে পলায়নের জন্য তারা এগুলো নিয়ে পর্বতের চূড়ায় এবং বৃষ্টিপাতের জায়গাগুলোতে আশ্রয় নেবে। [১৫৭](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬০৯)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 210
Hadith 7089
حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ فَضَالَةَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ سَأَلُوا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم حَتَّى أَحْفَوْهُ بِالْمَسْأَلَةِ، فَصَعِدَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ يَوْمٍ الْمِنْبَرَ فَقَالَ " لاَ تَسْأَلُونِي عَنْ شَىْءٍ إِلاَّ بَيَّنْتُ لَكُمْ ". فَجَعَلْتُ أَنْظُرُ يَمِينًا وَشِمَالاً، فَإِذَا كُلُّ رَجُلٍ رَأْسُهُ فِي ثَوْبِهِ يَبْكِي، فَأَنْشَأَ رَجُلٌ كَانَ إِذَا لاَحَى يُدْعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ فَقَالَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ مَنْ أَبِي فَقَالَ " أَبُوكَ حُذَافَةُ ". ثُمَّ أَنْشَأَ عُمَرُ فَقَالَ رَضِينَا بِاللَّهِ رَبًّا، وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا، وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولاً، نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ سُوءِ الْفِتَنِ. فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " مَا رَأَيْتُ فِي الْخَيْرِ وَالشَّرِّ كَالْيَوْمِ قَطُّ، إِنَّهُ صُوِّرَتْ لِي الْجَنَّةُ وَالنَّارُ حَتَّى رَأَيْتُهُمَا دُونَ الْحَائِطِ ". قَالَ قَتَادَةُ يُذْكَرُ هَذَا الْحَدِيثُ عِنْدَ هَذِهِ الآيَةِ {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَسْأَلُوا عَنْ أَشْيَاءَ إِنْ تُبْدَ لَكُمْ تَسُؤْكُمْ}
Narrated Anas:
The people started asking the Prophet (ﷺ) too many questions importunately. So one day he ascended the
pulpit and said, "You will not ask me any question but I will explain it to you." I looked right and left,
and behold, every man was covering his head with his garment and weeping. Then got up a man who,
whenever quarreling with somebody, used to be accused of not being the son of his father. He said, "O
Allah's Messenger (ﷺ)! Who is my father?" The Prophet (ﷺ) replied, "Your father is Hudhaifa." Then `Umar got
up and said, "We accept Allah as our Lord, Islam as our religion and Muhammad as our Apostle and
we seek refuge with Allah from the evil of afflictions." The Prophet (ﷺ) said, " I have never seen the good
and bad like on this day. No doubt, Paradise and Hell was displayed in front of me till I saw them in
front of that wall," Qatada said: This Hadith used to be mentioned as an explanation of this Verse:-- 'O
you who believe! Ask not questions about things which, if made plain to you, may cause you trouble.'
(5.101)
ہم سے معاذ بن فضالہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے ہشام نے بیان کیا ، ان سے قتادہ نے اور ان سے انس رضی اللہ عنہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے لوگوں سے سوالات کئے آخر جب لوگ باربار سوال کرنے لگے تو آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم منبر پر ایک دن چڑھے اور فرمایا کہ آج تم مجھ سے جو سوال بھی کرو گے میں تمہیں اس کا جواب دوں گا ۔ انس رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ پھر میں دائیں بائیں دیکھنے لگا تو ہر شخص کا سراس کے کپڑے میں چھپا ہوا تھا اور وہ رورہا تھا ۔ آخر ایک شخص نے خاموشی توڑی ۔ اس کا جب کسی سے جھگڑا ہوتا تو انہیں ان کے باپ کے سوا دوسرے باپ کی طرف پکارا جاتا ۔ انہوں نے کہا یا رسول اللہ ! میرے والد کون ہیں ؟ فرمایا تمہارے والد حذافہ ہیں ۔ پھر عمر رضی اللہ عنہ سامنے آئے اور عرض کیا ہم اللہ سے کہ وہ رب ہے ، اسلام سے کہ وہ دین ہے ، محمد صلی اللہ علیہ وسلم سے کہ وہ سول ہیں راضی ہیں اور آزمائش کی برائی سے ہم اللہ کی پناہ مانگتے ہیں ۔ پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ میں نے خیروشر آج جیسا دیکھا کبھی نہیں دیکھا تھا ۔ میرے سامنے جنت و دوزخ کی صورت پیش کی گئی اور میں نے انہیں دیوار کے قریب دیکھا ۔ قتادہ نے بیان کیا کہ یہ بات اس آیت کے ساتھ ذکر کی جاتی ہے کہ ” اے لوگو ! جو ایمان لائے ہو ایسی چیزوں کے بارے میں سوال نہ کرو اگر وہ ظاہر کر دی جائیں تو تمہیں بری معلوم ہوں “ ۔
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, তিনি বলেছেন, লোকেরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে প্রশ্ন করত। এমন কি প্রশ্ন করতে করতে তারা তাঁকে বিরক্ত করে তুলত। একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে আরোহণ করলেন এবং বললেনঃ তোমরা (আজ) আমাকে যে প্রশ্নই করবে, আমি তারই উওর দিব। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি ডানে বামে তাকাচ্ছিলাম। দেখতে পেলাম প্রত্যেকেই আপন বস্ত্রে মাথা গুঁজে কাঁদছে। তখন এমন এক লোক পারস্পরিক ঝগড়ার সময় যাকে অন্য এক লোকের (যে আসলে তার পিতা নয়) সন্তান বলে সম্বোধন করা হত উঠে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর নাবী! আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ হুযাফা তোমার পিতা। এরপর ‘উমর (রাঃ) সম্মুখে এলেন আর বললেন, আমরা রব হিসেবে আল্লাহকে, দ্বীন হিসেবে ইসলামকে এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে রসূল হিসেবে মেনে পরিতুষ্ট। ফিতনার অনিষ্ট থেকে আমরা আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আজকের মত এত উওম বস্তু এবং এত খারাপ বস্তু আমি ইতিপূর্বে কখনো দেখেনি। আমার সামনে জান্নাত ও জাহান্নামের ছবি পেশ করা হয়েছিল। এমনকি আমি সে দু'টোকে এ দেয়ালের পাশেই দেখতে পাচ্ছিলাম। ক্বাতাদাহ বলেন, উপরে বর্ণিত হাদীসটি নিম্নোক্ত আয়াত প্রসঙ্গে বলে উল্লেখ করা হয়। ইরশাদ হলোঃ "হে ঈমানদারগণ! তোমরা এমন বিষয়ে প্রশ্ন করো না, যা তোমাদের কাছে প্রকাশ করা হলে তা তোমাদেরকে কষ্ট দিবে" - (সূরাহ আল-মায়িদাহ ৫/১০১)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১০)
The the above hadith was narrated by Anas through another chain and said (with the wording) "and every man had his head wrapped in his garment and weeping". And he said (with the wording) "seeking refuge with Allah from the evil of afflictions" or he said "I seek refuge with Allah from the evil of afflictions."
اور عباس النرسی نے بیان کیا ، ان سے یزید بن زریع نے بیان کیا ، ان سے سعید نے بیان کیا ، ان سے قتادہ نے بیان کیا اور ان سے انس رضی اللہ عنہ نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے یہی حدیث بیان کی
اور انس رضی اللہ عنہ نے کہا ہر شخص کپڑے میں اپنا سر لپیٹے ہوئے رورہا تھا اور فتنے سے اللہ کی پناہ مانگ رہا تھا یا یوں کہہ رہا تھا کہ میں اللہ سے فتنہ کی برائی سے پناہ مانگتا ہوں ۔
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আনাস (রাঃ) থেকে পূর্বোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ সূত্রে আনাস (রাঃ) كُلُّ رَجُلٍ رَأْسَهُ فِي ثَوْبِه يَبْكِي এর স্থলে كُلُّ رَجُلٍ لاَفًّا رَأْسَهُ فِي ثَوْبِه يَبْكِي (প্রত্যেক ব্যক্তি তার মাথায় কাপড় দিয়ে অচ্ছাদিত করে কাঁদছিল) বলে উল্লেখ করেছেন। এবং تَعَوَّذُ بِاللهِ مِنْ سُوءِ الْفِتَنِ এর স্থলে عَائِذًا بِاللهِ مِنْ سُوءِ الْفِتَنِ অথবা أَعُوذُ بِاللهِ مِنْ سَوْأَى الْفِتَن উল্লেখ করেছেন। [৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১০)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 1, Book 88, Hadith 211
Hadith 7091
وَقَالَ لِي خَلِيفَةُ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، وَمُعْتَمِرٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ قَتَادَةَ، أَنَّ أَنَسًا، حَدَّثَهُمْ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا وَقَالَ عَائِذًا بِاللَّهِ مِنْ شَرِّ الْفِتَنِ.
Narrated Anas:
The above hadith is narrated on the authority of Anas thorugh another chain and he said (with the wording) "seeking refuge with Allah from the evil of afflictions."
اور مجھ سے خلیفہ بن خیاط نے بیان کیا ، ان سے یزید بن زریع نے بیان کیا ، ان سے سعید و معتمر کے والد نے قتادہ سے اور ان سے انس رضی اللہ عنہ نے بیان کیا ،
پھر یہی حدیث آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے نقل کی ، اس میں بجائے سوء کے شر کا لفظ ہے ۔
ইমাম বুখারী (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ খালীফা (রহ.)....আনাস (রাঃ)-এর বর্ণনায় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পূর্বোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ সূত্রে তিনি عَائِذًا بِاللهِ مِنْ شَرِّ الْفِتَنِ বলেছেন। [৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১০)
The Prophet (ﷺ) stood up beside the pulpit (and pointed with his finger towards the East) and said,
"Afflictions are there! Afflictions are there, from where the side of the head of Satan comes out," or
said, "..the side of the sun.."
ہم سے عبداللہ بن محمد مسندی نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ہشام بن یوسف نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ان سے معمر نے بیان کیا ، ان سے زہری نے بیان کیا ، ان سے سالم نے ، ان سے ان کے والد نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم منبر کے ایک طرف کھڑے ہوئے اور فرمایا فتنہ ادھر ہے ، فتنہ ادھر ہے جدھر سے شیطان کا سینگ طلوع ہوتا ہے یا ” سورج کا سینگ “ فرمایا ۔
সালিমের পিতা ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু্ ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ সালিমের পিতা ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু্ ‘উমার (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, একবার তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছেনঃ ফিত্না এ দিকে, ফিত্না সে দিকে যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে। কিংবা বলেছিলেনঃ সূর্যের মাথা উদিত হয়। [৩১০৪; মুসলিম ৫২/১৬, হাঃ ২৯০৫, আহমাদ ৪৯৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১১)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 212
Hadith 7093
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهْوَ مُسْتَقْبِلٌ الْمَشْرِقَ يَقُولُ
" أَلاَ إِنَّ الْفِتْنَةَ هَا هُنَا مِنْ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ ".
Narrated Ibn `Umar:
I heard Allah's Messenger (ﷺ) while he was facing the East, saying, "Verily! Afflictions are there, from
where the side of the head of Satan comes out."
ہم سے قتیبہ بن سعید نے بیان کیا ، کہا ہم سے لیث نے بیان کیا ، ان سے نافع نے اور ان سے ابن عمر رضی اللہ عنہما نے کہ
انہوں نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے سنا ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم مشرق کی طرف رخ کئے ہوئے تھے اور فرما رہے تھے آگاہ ہو جاؤ ، فتنہ اس طرف ہے جدھر سے شیطان کا سینگ طلوع ہوتا ہے ۔
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে পূর্ব দিকে মুখ করে বলতে শুনেছেন, সাবধান! ফিত্না সে দিকে যে দিক থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়। [৩১০৪; মুসলিম ৫২/১৬, হাঃ ২৯০৫, আহমাদ ৫৪১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১২)
The Prophet (ﷺ) said, "O Allah! Bestow Your blessings on our Sham! O Allah! Bestow Your blessings on
our Yemen." The People said, "And also on our Najd." He said, "O Allah! Bestow Your blessings on
our Sham (north)! O Allah! Bestow Your blessings on our Yemen." The people said, "O Allah's
Apostle! And also on our Najd." I think the third time the Prophet (ﷺ) said, "There (in Najd) is the place
of earthquakes and afflictions and from there comes out the side of the head of Satan."
ہم سے علی بن عبداللہ مدینی نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ازہر بن سعد نے بیان کیا ، ان سے ابن عون نے بیان کیا ، ان سے نافع نے بیان کیا ، ان سے حضرت عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ
آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا اے اللہ ! ہمارے ملک شام میں ہمیں برکت دے ، ہمارے یمن میں ہمیں برکت دے ۔ صحابہ نے عرض کیا اور ہمارے نجد میں ؟ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے پھر فرمایا اے اللہ ہمارے شام میں برکت دے ، ہمیں ہمارے یمن میں برکت دے ۔ صحابہ نے عرض کی اور ہمارے نجد میں ؟ میرا گمان ہے کہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے تیسری مرتبہ فرمایا وہاں زلزلے اور فتنے ہیں اور وہاں شیطان کا سینگ طلوع ہو گا ۔
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলোচনা করছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি বলেনঃ হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বারকাত দাও। হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের ইয়ামানে বারকাত দাও। লোকেরা বলল আমাদের নজদেও। তিনি বললেন হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বরকত দাও। হে আল্লাহ! আমাদের জন্য বরকত দাও আমাদের ইয়ামানে। লোকেরা বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের নজদেও। (বর্ণনাকারী বলেন) আমার মনে হয়, তৃতীয়বারে তিনি বললেনঃ সেখানে তো কেবল ভূমিকম্প আর ফিত্না। আর তথা হতে শয়তানের শিং উদিত হবে। [১৫৮](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৩)
`Abdullah bin `Umar came to us and we hoped that he would narrate to us a good Hadith. But before
we asked him, a man got up and said to him, "O Abu `Abdur-Rahman! Narrate to us about the battles
during the time of the afflictions, as Allah says:--
'And fight them until there is no more afflictions (i.e. no more worshipping of others besides Allah).'"
(2.193) Ibn `Umar said (to the man), "Do you know what is meant by afflictions? Let your mother
bereave you! Muhammad used to fight against the pagans, for a Muslim was put to trial in his religion
(The pagans will either kill him or chain him as a captive). His fighting was not like your fighting
which is carried on for the sake of ruling."
ہم سے اسحاق بن شاہین واسطی نے بیان کیا ، کہا ہم سے خلف بن عبداللہ طحان نے بیان کیا ، ان سے بیان ابن بصیر نے ، ان سے وبرہ بن عبدالرحمٰن نے ، ان سے سعید بن جبیر نے بیان کیا کہ
عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما ہمارے پاس آئے تو ہم نے امید کی کہ وہ ہم سے کوئی اچھی بات کریں گے ۔ اتنے میں ایک صاحب حکیم نامی ہم سے پہلے ان کے پاس پہنچ گئے اور پوچھا اے ابوعبدالرحمن ! ہم سے زمانہ فتنہ میں قتال کے متعلق حدیث بیان کیجئے ۔ اللہ تعالیٰ فرماتا ہے تم ان سے جنگ کرو یہاں تک کہ فتنہ باقی نہ رہے ۔ ابن عمر رضی اللہ عنہما نے کہا تمہیں معلوم بھی ہے کہ فتنہ کیا ہے ؟ تمہاری ماں تمہیں روئے ۔ محمد صلی اللہ علیہ وسلم فتنہ رفع کرنے کے لیے مشرکین سے جنگ کرتے تھے ، شرک میں پڑنا یہ فتنہ ہے ۔ کیا آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی لڑائی تم لوگوں کی طرح بادشاہت حاصل کرنے کے لیے ہوتی تھی ؟
সা’ঈদ ইব্নু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন একবার ‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) আমাদের নিকট আসলেন। আমরা আশা করেছিলাম যে, তিনি আমাদের একটি উওম হাদীস বর্ণনা করবেন। এক ব্যক্তি তাঁর দিকে আমাদের চেয়ে এগিয়ে বলল, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! ফিত্নার সময় যুদ্ধ করা সম্পর্কে আমাদের কিছু বলুন। কেননা, আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেনঃ "তাদের সঙ্গে যুদ্ধ কর, যতক্ষণ না ফিত্নার অবসান ঘটে" - (সূরাহ আল-বাক্কারাহ ২/১৯৩)। তখন তিনি বললেন, তোমার মা তোমার জন্য বিলাপ করুক। ফিত্না কাকে বলে জান কি? মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো যুদ্ধ করতেন মুশরিকদের বিরুদ্ধে। কেননা, তাদের শিরকের মধ্যে থাকাটাই আসলে ফিত্না। কিন্তু তা তোমাদের রাজ্য নিয়ে লড়াইয়ের মত ছিল না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৪)
I heard Hudhaifa saying, "While we were sitting with `Umar, he said, 'Who among you remembers the
statement of the Prophet (ﷺ) about the afflictions?' Hudhaifa said, "The affliction of a man in his family,
his property, his children and his neighbors are expiated by his prayers, Zakat (and alms) and
enjoining good and forbidding evil." `Umar said, "I do not ask you about these afflictions, but about
those afflictions which will move like the waves of the sea." Hudhaifa said, "Don't worry about it, O
chief of the believers, for there is a closed door between you and them." `Umar said, "Will that door
be broken or opened?" I said, "No. it will be broken." `Umar said, "Then it will never be closed," I
said, "Yes." We asked Hudhaifa, "Did `Umar know what that door meant?" He replied, "Yes, as I
know that there will be night before tomorrow morning, that is because I narrated to him a true
narration free from errors." We dared not ask Hudhaifa as to whom the door represented so we
ordered Masruq to ask him what does the door stand for? He replied, "`Umar."
ہم سے عمر بن حفص بن غیاث نے بیان کیا ، کہا ہم سے ہمارے والد نے بیان کیا ، کہا ہم سے اعمش نے بیان کیا ، ان سے شقیق نے بیان کیا ، انہوں نے حذیفہ رضی اللہ عنہ سے سنا ، انہوں نے بیان کیا کہ
ہم حضرت عمر رضی اللہ عنہ کی خدمت میں بیٹھے ہوئے تھے کہ انہوں نے پوچھا تم میں سے کسے فتنہ کے بارے میں نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کا فرمان یاد ہے ؟ حذیفہ رضی اللہ عنہ نے کہا کہ انسان کا فتنہ ( آزمائش ) اس کی بیوی ، اس کے مال ، اس کے بچے اور پڑوسی کے معاملات میں ہوتا ہے جس کا کفارہ نماز ، صدقہ ، امربالمعروف اور نہی عن المنکر کر دیتا ہے ۔ حضرت عمر رضی اللہ عنہ نے کہا کہ میں اس کے متعلق نہیں پوچھتا بلکہ اس فتنہ کے بارے میں پوچھتا ہوں جو دریا کی طرح ٹھاٹھیں مارے گا ۔ حذیفہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ امیرالمؤمنین تم پر اس کا کوئی خطرہ نہیں اس کے اور تمہارے درمیان ایک بند دروازہ رکاوٹ ہے ۔ عمر رضی اللہ عنہ نے پوچھا کیا وہ دروازہ توڑ دیا جائے گا یا کھولا جائے گا ؟ بیان کیا توڑ دیا جائے گا ۔ عمر رضی اللہ عنہ نے اس پر کہا کہ پھر تو وہ کبھی بند نہ ہو سکے گا ۔ میں نے کہا جی ہاں ۔ ہم نے حذیفہ رضی اللہ عنہ سے پوچھا کیا عمر رضی اللہ عنہ اس دروازہ کے متعلق جانتے تھے ؟ فرمایا کہ ہاں ، جس طرح میں جانتا ہوں کہ کل سے پہلے رات آئے گی کیونکہ میں نے ایسی بات بیان کی تھی جو بے بنیاد نہیں تھی ۔ ہمیں ان سے یہ پوچھتے ہوئے ڈر لگا کہ وہ دروازہ کون تھے ۔ چنانچہ ہم نے مسروق سے کہا ( کہ وہ پوچھیں ) جب انہوں نے پوچھا کہ وہ دروازہ کون تھے ؟ تو انہوں نے کہا کہ وہ دروازہ حضرت عمر رضی اللہ عنہ تھے ۔
হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার আমরা উমার (রাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। হঠাৎ তিনি বললেন, ফিত্না সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বক্তব্য তোমাদের মধ্যে কে স্মরণ রেখেছে? হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন) মানুষ নিজের পরিবার, ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি ও প্রতিবেশীর ব্যাপারে যে ফিত্নায় পতিত হয়, সালাত, সদাকাহ, সৎকাজের আদেশ, অসৎ কাজের নিষেধ তার সে পাপকে মুছে ফেলে। তিনি বলেন, আমি তোমাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিনি, এবং সে ফিত্নার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছি যা সাগর লহরীর মত ঢেউ খেলবে। হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, হে আমীরুল মু'মিনীন! সে ফিত্নায় আপনার কোন অসুবিধা হবে না। কেননা, সে ফিত্না ও আপনার মাঝে একটি বন্ধ দরজা আছে। উমার (রাঃ) বললেন, দরজাটি কি ভেঙ্গে ফেলা হবে, না খুলে দেওয়া হবে? তিনি বললেন, না বরং ভেঙ্গে ফেলা হবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তা হলে তো সেটা আর কখনো বন্ধ করা যাবে না। (হুযাইফাহ বলেন) আমি বললাম হ্যাঁ। (শাকীক বলেন) আমরা হুযাইফাহ (রাঃ) - কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘উমার (রাঃ) কি দরজাটি সম্পর্কে জানতেন? উওরে তিনি বললেন, হ্যাঁ। যেমন আমি সুনিশ্চিতভাবে জানি যে আগামী দিনের পর রাত আসবে। কেননা আমি তাকে এমন হাদীস বর্ণনা করেছিলাম যা ত্রুটিমুক্ত। (শাকীক বলেন) দরজাটি কে সম্পর্কে আমরা হুযাইফাহ (রাঃ) - কে জিজ্ঞেস করতে আমরা ভয় পাচ্ছিলাম, তাই আমরা মাসরুককে জিজ্ঞেস করতে বললাম। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, দরজাটি কে? উওরে তিনি বললেন, ‘উমার (রাঃ) (নিজেই)। [১৫৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৫)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 216
Hadith 7097
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ شَرِيكِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، قَالَ خَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى حَائِطٍ مِنْ حَوَائِطِ الْمَدِينَةِ لِحَاجَتِهِ، وَخَرَجْتُ فِي إِثْرِهِ، فَلَمَّا دَخَلَ الْحَائِطَ جَلَسْتُ عَلَى بَابِهِ وَقُلْتُ لأَكُونَنَّ الْيَوْمَ بَوَّابَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَأْمُرْنِي فَذَهَبَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَقَضَى حَاجَتَهُ، وَجَلَسَ عَلَى قُفِّ الْبِئْرِ، فَكَشَفَ عَنْ سَاقَيْهِ وَدَلاَّهُمَا فِي الْبِئْرِ، فَجَاءَ أَبُو بَكْرٍ يَسْتَأْذِنُ عَلَيْهِ لِيَدْخُلَ فَقُلْتُ كَمَا أَنْتَ حَتَّى أَسْتَأْذِنَ لَكَ، فَوَقَفَ فَجِئْتُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا نَبِيَّ اللَّهِ أَبُو بَكْرٍ يَسْتَأْذِنُ عَلَيْكَ. قَالَ " ائْذَنْ لَهُ، وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ ". فَدَخَلَ فَجَاءَ عَنْ يَمِينِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَكَشَفَ عَنْ سَاقَيْهِ وَدَلاَّهُمَا فِي الْبِئْرِ، فَجَاءَ عُمَرُ فَقُلْتُ كَمَا أَنْتَ حَتَّى أَسْتَأْذِنَ لَكَ. فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " ائْذَنْ لَهُ، وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ ". فَجَاءَ عَنْ يَسَارِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَكَشَفَ عَنْ سَاقَيْهِ فَدَلاَّهُمَا فِي الْبِئْرِ، فَامْتَلأَ الْقُفُّ فَلَمْ يَكُنْ فِيهِ مَجْلِسٌ، ثُمَّ جَاءَ عُثْمَانُ فَقُلْتُ كَمَا أَنْتَ حَتَّى أَسْتَأْذِنَ لَكَ. فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " ائْذَنْ لَهُ، وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ، مَعَهَا بَلاَءٌ يُصِيبُهُ ". فَدَخَلَ فَلَمْ يَجِدْ مَعَهُمْ مَجْلِسًا، فَتَحَوَّلَ حَتَّى جَاءَ مُقَابِلَهُمْ عَلَى شَفَةِ الْبِئْرِ، فَكَشَفَ عَنْ سَاقَيْهِ ثُمَّ دَلاَّهُمَا فِي الْبِئْرِ. فَجَعَلْتُ أَتَمَنَّى أَخًا لِي وَأَدْعُو اللَّهَ أَنْ يَأْتِيَ. قَالَ ابْنُ الْمُسَيَّبِ فَتَأَوَّلْتُ ذَلِكَ قُبُورَهُمُ اجْتَمَعَتْ هَا هُنَا وَانْفَرَدَ عُثْمَانُ.
Narrated Abu Musa Al-Ash`ari:
The Prophet (ﷺ) went out to one of the gardens of Medina for some business and I went out to follow him.
When he entered the garden, I sat at its gate and said to myself, "To day I will be the gatekeeper of the
Prophet though he has not ordered me." The Prophet (ﷺ) went and finished his need and went to sit on the
constructed edge of the well and uncovered his legs and hung them in the well. In the meantime Abu
Bakr came and asked permission to enter. I said (to him), "Wait till I get you permission." Abu Bakr
waited outside and I went to the Prophet (ﷺ) and said, "O Allah's Prophet! Abu Bakr asks your permission
to enter." He said, "Admit him, and give him the glad tidings of entering Paradise." So Abu Bakr
entered and sat on the right side of the Prophet (ﷺ) and uncovered his legs and hung them in the well.
Then `Umar came and I said (to him), "Wait till I get you permission." The Prophet (ﷺ) said, "Admit him
and give him the glad tidings of entering Paradise." So `Umar entered and sat on the left side of the
Prophet and uncovered his legs and hung them in the well so that one side of the well became fully
occupied and there remained no place for any-one to sit. Then `Uthman came and I said (to him),
"Wait till I get permission for you." The Prophet (ﷺ) said, "Admit him and give him the glad tidings of
entering Paradise with a calamity which will befall him." When he entered, he could not find any
place to sit with them so he went to the other edge of the well opposite them and uncovered his legs
and hung them in the well. I wished that a brother of mine would come, so I invoked Allah for his
coming. (Ibn Al-Musaiyab said, "I interpreted that (narration) as indicating their graves. The first three
are together and the grave of `Uthman is separate from theirs.")
ہم سے سعید بن ابی مریم نے بیان کیا ، کہا ہم کو محمد بن جعفر نے خبر دی ، انہیں شریک بن عبداللہ نے ، انہیں سعید بن مسیب نے اور ان سے ابوموسیٰ اشعری رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم مدینہ کے باغات میں کسی باغ کی طرف اپنی کسی ضرورت کے لئے گئے ، میں بھی آپ کے پیچھے پیچھے گیا ۔ جب آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم باغ میں داخل ہوئے تو میں اس کے دروازے پر بیٹھ گیا اور اپنے دل میں کہا کہ آج میں حضرت کا دربان بنوں گا حالانکہ آپ نے مجھے اس کا حکم نہیں دیا تھا ۔ آپ اندر چلے گئے اور اپنی حاجت پوری کی ۔ پھر آپ کنوئیں کی منڈیر پر بیٹھ گئے اور اپنی دونوں پنڈلیوں کو کھول کر انہیں کنوئیں میں لٹکا لیا ۔ پھر ابوبکر رضی اللہ عنہ آئے اور اندر جانے کی اجازت چاہی ۔ میں نے ان سے کہا کہ آپ یہیں رہیں ، میں آپ کے لیے اجازت لے کر آتا ہوں ۔ چنانچہ وہ کھڑے رہے اور میں نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں حاضر ہو کر عرض کیا یا نبی اللہ ! ابوبکر رضی اللہ عنہ آپ کے پاس آنے کی اجازت چاہتے ہیں ۔ فرمایا کہ انہیں اجازت دے دو اور انہیں جنت کی بشارت سنا دو ۔ چنانچہ وہ اندر آ گئے اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی دائیں جانب آ کر انہوں نے بھی اپنی پنڈلیوں کو کھول کر کنوئیں میں لٹکا لیا ۔ اتنے میں عمر رضی اللہ عنہ آئے ۔ میں نے کہا ٹھہرو میں آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے اجازت لے لوں ( اور میں نے اندر جا کر آپ سے عرض کیا ) آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ان کو بھی اجازت دے اور بہشت کی خوشخبری بھی ۔ خیر وہ بھی آئے اور اسی کنوئیں کی منڈیر پر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے بائیں جانب بیٹھے اور اپنی پنڈلیاں کھول کر کنوئیں میں لٹکا دیں ۔ اور کنوئیں کی منڈیر بھر گئی اور وہاں جگہ نہ رہی ۔ پھر عثمان رضی اللہ عنہ آئے اور میں نے ان سے بھی کہا کہ یہیں رہئے یہاں تک کہ آپ کے لیے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے اجازت مانگ لوں ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ انہیں اجازت دو اور جنت کی بشارت دے دو اور اس کے ساتھ ایک آزمائش ہے جو انہیں پہنچے گی ۔ پھر وہ بھی داخل ہوئے ، ان کے ساتھ بیٹھنے کے لیے کوئی جگہ نہ تھی ۔ چنانچہ وہ گھوم کر ان کے سامنے کنوئیں کے کنارے پر آ گئے پھر انہوں نے اپنی پنڈلیاں کھول کر کنوئیں میں پاؤں لٹکالیے ، پھر میرے دل میں بھائی ( غالباً ابوبردہ یا ابورہم ) کی تمنا پیدا ہوئی اور میں دعا کرنے لگا کہ وہ بھی آ جاتے ، ابن المسیب نے بیان کیا کہ میں نے اس سے ان حضرت کی قبروں کی تعبیرلی کہ سب کی قبریں ایک جگہ ہوں گی لیکن عثمان رضی اللہ عنہ کی الگ بقیع غرقد میں ہے ۔
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রয়োজনবশত মাদীনার (দেয়াল ঘেরা) বাগানগুলোর একটি বাগানের উদ্দেশ্যে বের হলেন। আমি তাঁর পিছনে গেলাম। তিনি যখন বাগানে প্রবেশ করলেন, আমি এর দরজায় বসে থাকলাম এবং মনে মনে বললাম, আজ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রহরীর কাজ করব। অবশ্য তিনি আমাকে এর নির্দেশ দেননি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভিতরে গেলেন এবং স্বীয় প্রয়োজন সেরে নিলেন। এরপর একটি কূপের পোস্তার উপর বসলেন এবং হাঁটুর নিচের অংশের কাপড় তুলে নিয়ে দু’পা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিলেন। এমন সময় আবূ বাকর (রাঃ) এসে তাঁর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। আমি বললাম, আপনি অপেক্ষা করুন, যতক্ষণ না আমি আপনার জন্য অনুমতি নিয়ে আসছি। তিনি অপেক্ষা করলেন। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম এবং বললাম, হে আল্লাহ্র নাবী! আবূ বাকর (রাঃ) আপনার কাছে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছেন। তিনি বললেনঃ তাঁকে আসার অনুমতি দাও এবং তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও। আবূ বাকর (রাঃ) প্রবেশ করলেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ডান পার্শে গিয়ে বসলেন। এরপর তিনিও হাঁটুর নিচের অংশ অনাবৃত করে উভয় পা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিলেন। এরপর ‘উমার (রাঃ) আসলেন। আমি বললাম, আপনি নিজ জায়গায় অপেক্ষা করুন। আমি আপনার জন্য অনুমতি নিয়ে আসি। (অনুমতি প্রার্থনা করলে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাঁকে আসার অনুমতি দাও এবং জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তিনি এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বামদিকে বসলেন এবং হাঁটুর নিচের অংশ অনাবৃত করে দু’পা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিলেন। এতে কূপের পোস্তা পূর্ণ হয়ে গেল এবং সেখানে বসার আর কোন স্থান অবশিষ্ট বাকী থাকল না। এরপর ‘উসমান (রাঃ) আসলেন। আমি বললাম, আপনি নিজ জায়গায় অপেক্ষা করুন, যতক্ষণ আমি আপনার জন্য অনুমতি নিয়ে না আসি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাঁকে আসার অনুমতি দাও এবং তাঁকে বিপদগ্রস্ত হওয়াসহ জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তিনি প্রবেশ করলেন। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে বসার কোন জায়গা পেলেন না। কাজেই তিনি উল্টো দিকে এসে তাঁদের মুখোমুখী হয়ে কুয়ার পাড়ে বসে গেলেন এবং হাঁটুদ্বয়ের নিচের অংশ অনাবৃত করে উভয় পা কুয়ার ভিতরে ঝুলিয়ে দিলেন। আমি তখন আমার অন্য এক ভাই-এর (আগমন) কামনা করছিলাম এবং আল্লাহর নিকট দু’আ করছিলাম যেন সে (এ মূহূর্তে) আগমন করে।
ইব্নু মুসাইয়্যাব বলেন, আমি এ ঘটনার ভাবার্থ এভাবে গ্রহণ করেছি যে, তা হল তাঁদের তিনজনের কবর যা এখানে একসঙ্গে হয়েছে। আর ‘উসমান (রাঃ)-এর অন্য স্থানে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৬)
Someone said to Usama, "Will you not talk to this (Uthman)?" Usama said, "I talked to him (secretly)
without being the first man to open an evil door. I will never tell a ruler who rules over two men or
more that he is good after I heard Allah's Messenger (ﷺ) saying, 'A man will be brought and put in Hell (Fire)
and he will circumambulate (go around and round) in Hell (Fire) like a donkey of a (flour) grinding
mill, and all the people of Hell (Fire) will gather around him and will say to him, O so-and-so! Didn't
you use to order others for good and forbid them from evil?' That man will say, 'I used to order others
to do good but I myself never used to do it, and I used to forbid others from evil while I myself used to
do evil.' "
ہم سے بشر بن خالد نے بیان کیا ، کہا ہم کو جعفر نے خبر دی ، انہیں شعبہ نے ، انہیں سلیمان نے کہ میں نے ابووائل سے سنا ، انہوں نے کہا کہ
اسامہ رضی اللہ عنہ سے کہا گیا کہ آپ ( عثمان بن عفان رضی اللہ عنہ ) سے گفتگو کیوں نہیں کرتے ( کہ عام مسلمانوں کی شکایات کا خیال رکھیں ) انہوں نے کہا کہ میں نے ( خلوت میں ) ان سے گفتگو کی ہے لیکن ( فتنہ کے ) دروازہ کو کھولے بغیر کہ اس طرح میں سب سے پہلے اس دروازہ کو کھولنے والا ہوں گا میں ایسا آدمی نہیں ہوں کہ کسی شخص سے جب وہ دو آدمیوں پر امیر بنا دیا جائے یہ کہوں کہ تو سب سے بہتر ہے ۔ جبکہ میں رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے سن چکا ہوں ۔ آپ نے فرمایا کہ ایک شخص کو ( قیامت کے دن ) لایا جائے گا اور اسے آگ میں ڈال دیا جائے گا ۔ پھر وہ اس میں اس طرح چکی پیسے گا جیسے گدھا پیستا ہے ۔ پھر دوزخ کے لوگ اس کے چاروں طرف جمع ہو جائیں گے اور کہیں گے ، اے فلاں ! کیا تم نیکیوں کا حکم کرتے اور برائیوں سے روکا نہیں کرتے تھے ؟ وہ شخص کہے گا کہ میں اچھی بات کے لیے کہتا تو ضرور تھا لیکن خود نہیں کرتا تھا اور بری بات سے روکتا بھی تھا لیکن خود کرتا تھا ۔
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, উসামাহ (রাঃ) - কে বলা হল আপনি কি এ সম্পর্কে কিছু বলবেন না? তিনি বললেন, আমি এ সম্পর্কে বলেছি, তবে এমন পথে নয় যে, আমি তোমার জন্য একটি দ্বার (ফিতনার) উম্মোচিত করব যাতে আমিই হব এর প্রথম উন্মোচনকারী এবং আমি এমন ব্যক্তি নই যে, কোন লোক দুই ব্যক্তির আমীর নিযুক্ত হবার পর তার ব্যাপারে বলব, আপনি উত্তম। কেননা, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি যে (কিয়ামতের দিন) এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হবে এবং তাকে জাহান্নামে ফেলা হবে। এরপর তাকে গাধা দিয়ে চাকা ঘুরিয়ে যেমন গম পিষা হয়, তেমনি পিষে ফেলা হবে। জাহান্নামবাসীরা তার পাশে এসে জড় হবে এবং বলবে, হে অমুক! তুমিই কি আমাদের ভাল কাজের হুকুম ও মন্দ কাজের থেকে নিষেধ করতে না? তখন সে বলবে, হ্যাঁ, আমি ভালকাজের হুকুম দিতাম, তবে আমি নিজে তা করতাম না এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করতাম, তবে আমি নিজেই তা করতাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৭)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 218
Hadith 7099
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ الْهَيْثَمِ، حَدَّثَنَا عَوْفٌ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ، قَالَ لَقَدْ نَفَعَنِي اللَّهُ بِكَلِمَةٍ أَيَّامَ الْجَمَلِ لَمَّا بَلَغَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ فَارِسًا مَلَّكُوا ابْنَةَ كِسْرَى قَالَ
" لَنْ يُفْلِحَ قَوْمٌ وَلَّوْا أَمْرَهُمُ امْرَأَةً ".
Narrated Abu Bakra:
During the battle of Al-Jamal, Allah benefited me with a Word (I heard from the Prophet). When the
Prophet heard the news that the people of the Persia had made the daughter of Khosrau their Queen
(ruler), he said, "Never will succeed such a nation as makes a woman their ruler."
ہم سے عثمان بن ہیثم نے بیان کیا ، کہا ہم سے عوف نے بیان کیا ، کہا ان سے حسن نے اور ان سے ابوبکرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
جنگ جمل کے زمانہ میں مجھے ایک کلمہ نے فائدہ پہنچایا جب نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کو معلوم ہوا کہ فارس کی سلطنت والوں نے بوران نامی کسریٰ کی بیٹی کو بادشاہ بنا لیا ہے تو آپ نے فرمایا کہ وہ قوم کبھی فلاح نہیں پائے گی جس کی حکومت ایک عورت کے ہاتھ میں ہو ۔
আবূ বাক্রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একটি কথা দিয়ে আল্লাহ জঙ্গে জামাল (উষ্ট্রের যুদ্ধ) এর সময় আমাকে বড়ই উপকৃত করেছেন। (তা হল) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যখন এ খবর পৌছল যে, পারস্যের লোকেরা কিস্রার মেয়েকে তাদের শাসক নিযুক্ত করেছে, তখন তিনি বললেনঃ সে জাতি কখনো সফলকাম হবে না, যারা তাদের শাসনভার কোন স্ত্রীলোকের হাতে অর্পণ করে। [১৬০](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৮)
Narrated Abu Maryam `Abdullah bin Ziyad Al-Aasadi:
When Talha, AzZubair and `Aisha moved to Basra, `Ali sent `Ammar bin Yasir and Hasan bin `Ali
who came to us at Kufa and ascended the pulpit. Al-Hasan bin `Ali was at the top of the pulpit and
`Ammar was below Al-Hasan. We all gathered before him. I heard `Ammar saying, "`Aisha has
moved to Al-Busra. By Allah! She is the wife of your Prophet in this world and in the Hereafter. But
Allah has put you to test whether you obey Him (Allah) or her (`Aisha).
ہم سے عبداللہ بن محمد نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے یحییٰ بن آدم نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ابوبکر بن عیاش نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ابوحصین نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ابومریم عبداللہ بن زیاد الاسدی نے بیان کیا کہ
جب طلحہ ، زبیر اور عائشہ رضی اللہ عنہم بصرہ کی طرف روانہ ہوئے تو علی رضی اللہ عنہ نے عمار بن یاسر اور حسن بن علی رضی اللہ عنہما کو بھیجا ۔ یہ دونوں بزرگ ہمارے پاس کوفہ آئے اور منبر پر چڑھے ۔ حسن بن علی رضی اللہ عنہما منبر کے اوپر سب سے اونچی جگہ تھے اور عمار بن یاسر رضی اللہ عنہما ان سے نیچے تھے ۔ پھر ہم ان کے پاس جمع ہو گئے اور میں نے عمار رضی اللہ عنہ کو یہ کہتے سنا کہ عائشہ رضی اللہ عنہا بصرہ گئی ہیں اور خدا کی قسم وہ دنیا و آخرت میں تمہارے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی پاک بیوی ہیں لیکن اللہ تبارک و تعالیٰ نے تمہیں آزمایا ہے تاکہ جان لے کہ تم اس اللہ کی اطاعت کرتے ہو یا عائشہ رضی اللہ عنہا کی ۔
আবূ মারইয়াম ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু যিয়াদ আসাদী (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, ত্বলহা, যুবায়র ও ‘আয়িশাহ (রাঃ) যখন বসরার দিকে গেলেন, তখন ‘আলী (রাঃ) আম্মার ইব্নু ইয়াসির ও হাসান ইব্নু ‘আলী (রাঃ) - কে পাঠালেন। তাঁরা আমাদের কুফায় আসলেন এবং (মাসজিদের) মিম্বরে উপবেশন করলেন। হাসান ইব্নু ‘আলী (রাঃ) মিম্বারের সর্বোচ্চ ধাপে উপবিষ্ট ছিলেন, আর আম্মার (রাঃ) হাসান (রাঃ)-এর নিচের ধাপে দন্ডায়মান ছিলেন। আমরা এসে তাঁর নিকট জড় হলাম। এ সময় আমি শোনলাম, আম্মার (রাঃ) বলেছেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বস্রার দিকে রওনা হয়ে গেছেন। নিঃসন্দেহে তিনি দুনিয়া ও আখিরাতে তোমাদের (আমাদের) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পত্নী। কিন্তু আল্লাহ্ এ কথা স্পষ্ট করে জেনে নেয়ার জন্য তোমাদের পরীক্ষায় ফেলেছেন যে, তোমরা কি তাঁরই আনুগত্য কর, না তাঁর (অর্থাৎ ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর) আনুগত্য কর। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৯)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 220
Hadith 7101
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي غَنِيَّةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَامَ عَمَّارٌ عَلَى مِنْبَرِ الْكُوفَةِ، فَذَكَرَ عَائِشَةَ وَذَكَرَ مَسِيرَهَا وَقَالَ إِنَّهَا زَوْجَةُ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ، وَلَكِنَّهَا مِمَّا ابْتُلِيتُمْ.
Narrated Abu Wail:
`Ammar stood on the pulpit at Kufa and mentioned `Aisha and her coming (to Busra) and said, "She is
the wife of your Prophet in this world and in the Hereafter, but you people are being put to test in this
issue."
ہم سے ابونعیم نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ابن ابی غنیہ نے بیان کیا ، ان سے حکم نے بیان کیا اور ان سے ابووائل نے بیان کیا کہ
کوفہ میں عمار رضی اللہ عنہ منبر پر کھڑے ہوئے اور عائشہ رضی اللہ عنہا اور ان کی روانگی کا ذکر کیا اور کہا کہ بلاشبہ وہ دنیا و آخرت میں تمہارے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی زوجہ ہیں لیکن تم ان کے بارے میں آزمائے گئے ہو ۔
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আম্মার (রাঃ) কূফার (মাসজিদের) মিম্বরে দাঁড়ালেন এবং তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ) - ও তাঁর সফরের কথা উল্লেখ্য করলেন। এরপর তিনি বললেন, তিনি (‘আয়িশাহ (রাঃ)) দুনিয়া ও আখিরাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পত্নী। কিন্তু বর্তমানে তোমরা তাঁকে নিয়ে ভীষণ পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২০)
Abu Musa and Abii Mas`ud went to `Ammar when `Ali had sent him to Kufa to exhort them to fight
(on `Ali's side). They said to him, "Since you have become a Muslim, we have never seen you doing a
deed more criticizable to us than your haste in this matter." `Ammar said, "Since you (both) became
Muslims, I have never seen you doing a deed more criticizable to me than your keeping away from
this matter." Then Abu Mas`ud provided `Ammar and Abu Musa with two-piece outfits to wear, and
one of them went to the mosque (of Kufa).
ہم سے بدل بن محبر نے بیان کیا ، کہا ہم سے شعبہ نے بیان کیا ، کہا کہ مجھ کو عمرو نے خبر دی کہ میں نے ابووائل سے سنا ، انہوں نے بیان کیا کہ
ابوموسیٰ اور ابومسعود رضی اللہ عنہما دونوں عمار بن یاسر رضی اللہ عنہ کے پاس گئے جب انہیں علی رضی اللہ عنہ نے اہل کوفہ کے پاس اس لیے بھیجا تھا کہ لوگوں کو لڑنے کے لیے تیار کریں ۔ ابوموسیٰ اور ابومسعود رضی اللہ عنہما دونوں عمار رضی اللہ عنہ سے کہنے لگے جب سے تم مسلمانوں ہوئے ہو ہم نے کوئی بات اس سے زیادہ بری نہیں دیکھی جو تم اس کام میں جلدی کر رہے ہو ۔ عمار رضی اللہ عنہ نے جواب دیا میں نے بھی جب سے تم دونوں مسلمان ہوئے ہو تمہاری کوئی بات اس سے بری نہیں دیکھی جو تم اس کام میں دیر کر رہے ہو ۔ ابومسعود رضی اللہ عنہ نے عمار رضی اللہ عنہ اور ابوموسیٰ رضی اللہ عنہ دونوں کو ایک ایک کپڑے کا نیا جوڑا پہنایا پھر تینوں مل کر مسجد میں تشریف لے گئے ۔
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানাতে আম্মার (রাঃ) - কে কূফাবাসীদের নিকট পাঠালেন, তখন আবূ মূসা ও আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাঁর কাছে হাজির হয়ে বললেন, তোমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমাদের জানামতে বর্তমান বিষয়ে (যুদ্ধের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে) দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে অপছন্দনীয় কোন কাজ করতে আমরা তোমাকে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, যখন থেকে আপনারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আমি আপনাদের কোন কাজ দেখিনি যা আমাদের কাছে অপছন্দনীয় মনে হয়েছে বর্তমানের এ কাজে দেরী করা ব্যতীত। তখন আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাদের দু’জনকেই একজোড়া করে পোশাক পরিয়ে দিলেন। এরপর সকলেই (কূফা) মাসজিদের দিকে রওনা হলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২১)
I was sitting with Abu Mas`ud and Abu Musa and `Ammar. Abu Mas`ud said (to `Ammar), "There is
none of your companions but, if I wish, I could find fault with him except with you. Since you joined
the company of the Prophet (ﷺ) I have never seen anything done by you more criticizable by me than your
haste in this issue." `Ammar said, O Abu Mas`ud ! I have never seen anything done by you or by this
companion of yours (i.e., Abu Musa) more criticizable by me than your keeping away from this issue
since the time you both joined the company of the Prophet."
Then Abu Mas`ud who was a rich man, said (to his servant), "O boy! Bring two suits." Then he gave
one to Abu Musa and the other to `Ammar and said (to them), "Put on these suits before going for the
Friday prayer. "
ہم سے عبدان نے بیان کیا ، ان سے ابوحمزہ نے بیان کیا ، ان سے اعمش نے ، ان سے شقیق بن سلمہ نے کہ
میں ابومسعود ، ابوموسیٰ اور عمار رضی اللہ عنہم کے ساتھ بیٹھا ہوا تھا ۔ ابومسعود رضی اللہ عنہ نے عمار رضی اللہ عنہ سے کہا ہمارے ساتھ والے جتنے لوگ ہیں میں اگر چاہوں تو تمہارے سوا ان میں سے ہر ایک کا کچھ نہ کچھ عیب بیان کر سکتا ہوں ۔ ( لیکن تم ایک بے عیب ہو ) اور جب سے تم نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی صحبت اختیار کی ، میں نے کوئی عیب کا کام تمہارا نہیں دیکھا ۔ ایک یہی عیب کا کام دیکھتا ہوں ، تم اس دور میں یعنی لوگوں کو جنگ کے لیے اٹھانے میں جلدی کرہے ہو ۔ عمار رضی اللہ عنہ نے کہا ابومسعود رضی اللہ عنہ تم سے اور تمہارے ساتھی ابوموسیٰ اشعری سے جب سے تم دونوں نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی صحبت اختیار کی ہے میں نے کوئی عیب کا کام اس سے زیادہ نہیں دیکھا جو تم دونوں اس کام میں دیر کر رہے ہو ۔ اس پر ابومسعود رضی اللہ عنہ نے کہا اور وہ مالدار آدمی تھے کہ غلام ! دو حلے لاؤ ۔ چنانچہ انہوں نے ایک حلہ ابوموسیٰ رضی اللہ عنہ کو دیا اور دوسرا عمار رضی اللہ عنہ کو اور کہا کہ آپ دونوں بھائی کپڑے پہن کر جمعہ پڑھنے چلیں ۔
শাক্বীক্ব ইব্নু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ), আবূ মূসা (রাঃ) ও আম্মার (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমি ছাড়া তোমার সঙ্গীদের মাঝে এমন কেউ নেই, যার ব্যাপারে আমি ইচ্ছা করলে কিছু না কিছু বলতে পারি। তবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে দূষণীয় কোন কাজ তোমার নিকট হতে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তোমাদের সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে ইতস্তত করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে অধিক দূষণীয় কোন কাজ তোমার থেকে এবং তোমার এ সঙ্গী থেকে দেখিনি। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) ধনবান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি (তাঁর খাদেমকে) বললেন, হে বৎস! দু’জোড়া পোশাক নিয়ে এস। এরপর তিনি তার একটি আবূ মূসা (রাঃ) - কে ও অন্যটি আম্মার (রাঃ) - কে দিলেন এবং বললেন, এগুলো প’রে জুম’আহ্র সালাতে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২২)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 223
Hadith 7108
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
" إِذَا أَنْزَلَ اللَّهُ بِقَوْمٍ عَذَابًا، أَصَابَ الْعَذَابُ مَنْ كَانَ فِيهِمْ، ثُمَّ بُعِثُوا عَلَى أَعْمَالِهِمْ ".
Narrated Ibn `Umar:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "If Allah sends punishment upon a nation then it befalls upon the whole
population indiscriminately and then they will be resurrected (and judged) according to their deeds. "
ہم سے عبداللہ بن عثمان نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کو عبداللہ بن مبارک نے خبر دی ، انہیں یونس نے خبر دی ، انہیں زہری نے ، انہیں حمزہ بن عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے خبر دی اور ان سے حضرت عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے سنا ، انہوں نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ، جب اللہ کسی قوم پر عذاب نازل کرتا ہے تو عذاب ان سب لوگوں پر آتا ہے جو اس قوم میں ہوتے ہیں پھر انہیں ان کے اعمال کے مطابق اٹھایا جائے گا ۔
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আল্লাহ্ কোন কাওমের এর উপর আযাব অবতীর্ণ করেন তখন সেখানে বসবাসরত সকলের উপরই সেই আযাব পতিত হয়। অবশ্য পরে প্রত্যেককে তার ‘আমাল অনুযায়ী উঠানো হবে। [১৬১] [মুসলিম ৫১/১৯, হাঃ ২৮৭৯, আহমাদ ৪৯৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৩)
When Al-Hasan bin `Ali moved with army units against Muawiya, `Amr bin AL-As said to Muawiya,
"I see an army that will not retreat unless and until the opposing army retreats." Muawiya said, "(If the
Muslims are killed) who will look after their children?" `Amr bin Al-As said: I (will look after them).
On that, `Abdullah bin 'Amir and `Abdur-Rahman bin Samura said, "Let us meet Muawaiya and
suggest peace." Al-Hasan Al-Basri added: No doubt, I heard that Abu Bakra said, "Once while the
Prophet was addressing (the people), Al-Hasan (bin `Ali) came and the Prophet (ﷺ) said, 'This son of mine
is a chief, and Allah may make peace between two groups of Muslims through him."
ہم سے علی بن عبداللہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے سفیان نے بیان کیا ، کہا ہم سے اسرائیل ابوموسیٰ نے بیان کیا
اور میری ان سے ملاقات کوفہ میں ہوئی تھی ۔ وہ ابن شبرمہ کے پاس آئے اور کہا کہ مجھے عیسیٰ ( منصور کے بھائی اور کوفہ کے والی ) کے پاس لے چلو تاکہ میں اسے نصیحت کروں ۔ غالباً ابن شبرمہ نے خوف محسوس کیا اور نہیں لے گئے ۔ انہوں نے اس پر بیان کیا کہ ہم سے حسن بصری نے بیان کیا کہ جب حسن بن علی امیر معاویہ رضی اللہ عنہم کے خلاف لشکر لے کر نکلے تو عمرو بن عاص نے امیر معاویہ رضی اللہ عنہ سے کہا کہ میں ایسا لشکر دیکھتا ہوں جو اس وقت تک واپس نہیں جا سکتا جب تک اپنے مقابل کو بھگا نہ لے ۔ پھر امیر معاویہ رضی اللہ عنہ نے کہا کہ مسلمانوں کے اہل و عیال کا کون کفیل ہو گا ؟ جواب دیا کہ میں ۔ پھر عبداللہ بن عامر اور عبدالرحمٰن بن سمرہ نے کہا کہ ہم امیرمعاویہ رضی اللہ عنہ سے ملتے ہیں ( اور ان سے صلح کے لیے کہتے ہیں ) حسن بصری نے کہا کہ میں نے ابوبکرہ رضی اللہ عنہ سے سنا ، انہوں نے بیان کیا کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم خطبہ دے رہے تھے کہ حسن رضی اللہ عنہ آئے تو آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ میرا یہ بیٹا سید ہے اور امید ہے کہ اس کے ذریعہ اللہ مسلمانوں کی دو جماعتوں میں صلح کرا دے گا ۔
হাসান বস্রী (রহ.) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন হাসান ইব্নু ‘আলী (রাঃ) সেনাবাহিনী নিয়ে মু‘আবিয়াহ (রাঃ) এর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রওনা হলেন, তখন ‘আম্র ইব্নু ‘আস (রাঃ) মু‘আবিয়াহ (রাঃ) - কে বললেন, আমি এমন এক সেনাবাহিনী দেখছি, যারা বিপক্ষকে না ফিরিয়ে যাবে না। মু‘আবিয়াহ (রাঃ) বললেন, তাহলে মুসলিমদের সন্তান-সন্ততির দেখাশুনা কে করবে? ‘আম্র ইব্নু ‘আস (রাঃ) বললেন, আমি। এ সময় ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু আমির (রাঃ) ও ‘আবদুর রহমান ইব্নু সামুরাহ (রাঃ) বললেন, আমরা তাঁর সঙ্গে দেখা করব এবং তাঁকে সন্ধির কথা বলব। হাসান বস্রী (রহঃ) বলেন, আমি আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে শুনেছি, তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষণ দিচ্ছিলেন। এমন সময় হাসান (রাঃ) আসলেন। তিনি (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে দেখে) বললেনঃ আমার এ দৌহিত্র সরদার আর সম্ভবত আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর মাধ্যমে মুসলিমদের দু‘টি দলের মাঝে মীমাংসা করে দিবেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৪)
(Usama's Maula) Usama (bin Zaid) sent me to `Ali (at Kufa) and said, "`Ali will ask you, 'What has
prevented your companion from joining me?' You then should say to him, 'If you (`Ali) were in the
mouth of a lion, I would like to be with you, but in this matter I won't take any part.' " Harmala added:
"`Ali didn't give me anything (when I conveyed the message to him) so I went to Hasan, Hussain and
Ibn Ja`far and they loaded my camels with much (wealth).
ہم سے علی بن عبداللہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے سفیان نے ، کہا کہ عمرو نے بیان کیا ، انہیں محمد بن علی نے خبر دی ، انہیں اسامہ رضی اللہ عنہ کے غلام حرملہ نے خبر دی ۔ عمرو نے بیان کیا کہ
میں نے حرملہ کو دیکھا تھا ۔ حرملہ نے بیان کیا کہ مجھے اسامہ نے علی رضی اللہ عنہ کے پاس بھیجا اور مجھ سے کہا ، اس وقت تم سے علی رضی اللہ عنہ پوچھیں گے کہ تمہارے ساتھی ( اسامہ رضی اللہ عنہ ) جنگ جمل و صفین سے کیوں پیچھے رہ گئے تھے تو ان سے کہنا کہ انہوں نے آپ سے کہا ہے کہ اگر آپ شیر کے منہ میں ہوں تب بھی میں اس میں بھی آپ کے ساتھ رہوں لیکن یہ معاملہ ہی ایسا ہے یعنی مسلمانوں کی آپس کی جنگ تو ( اس میں شرکت صحیح ) نہیں معلوم ہوئی ( حرملہ کہتے ہیں کہ ) چنانچہ انہوں نے کوئی چیز نہیں دی ۔ پھر میں حسن ، حسین اور عبداللہ بن جعفر رضی اللہ عنہم کے پاس گیا تو انہوں نے میری سواری پر اتنا مال لدوا دیا جتنا کہ اونٹ اٹھا نہ سکتا تھا ۔
উসামাহ (রাঃ)-এর গোলাম হারমালাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, উসামাহ (রাঃ) আমাকে’ ‘আলী (রাঃ)-এর কাছে পাঠালেন। আর তিনি বলে দিলেন যে, সেখানে যাওয়ার পরই (‘আলী (রাঃ)) তোমাকে জিজ্ঞেস করবেন যে, তোমার সাথীকে (আমার সহযোগিতা থেকে) কিসে ফিরিয়ে রেখেছে? তুমি তাঁকে বলবে, তিনি আপনার কাছে এ কথা বলে পাঠিয়েছেন যে, যদি আপনি সিংহের মুখে পড়েন, তবুও আমি আপনার সঙ্গে সেখানে থাকাকে ভাল মনে করব। তবে এ বিষয়টি (অর্থাৎ মুসলিমদের মধ্যে) আমি ভাল মনে করছি না। (হারমালাহ বলেন) তিনি (‘আলী (রাঃ)) আমাকে কিছুই দিলেন না। এরপর আমি হাসান, হুসাইন ও ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু জা’ফর (রাঃ)-এর কাছ গেলাম। তাঁরা আমার বাহন বোঝাই করে দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৫)
When the people of Medina dethroned Yazid bin Muawiya, Ibn `Umar gathered his special friends
and children and said, "I heard the Prophet (ﷺ) saying, 'A flag will be fixed for every betrayer on the Day
of Resurrection,' and we have given the oath of allegiance to this person (Yazid) in accordance with
the conditions enjoined by Allah and His Apostle and I do not know of anything more faithless than
fighting a person who has been given the oath of allegiance in accordance with the conditions
enjoined by Allah and His Apostle , and if ever I learn that any person among you has agreed to
dethrone Yazid, by giving the oath of allegiance (to somebody else) then there will be separation
between him and me."
ہم سے سلیمان بن حرب نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے حماد بن زید نے بیان کیا ، ان سے ایوب نے ، ان سے نافع نے کہ
جب اہل مدینہ نے یزید بن معاویہ کی بیعت سے انکار کیا تو عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے اپنے خادموں اور لڑکوں کو جمع کیا اور کہا کہ میں نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے سنا ہے ۔ آپ نے فرمایا کہ ہر غدر کرنے والے کے لیے قیامت کے دن ایک جھنڈا کھڑا کیا جائے گا اور ہم نے اس شخص ( یزید ) کی بیعت ، اللہ اور اس کے رسول کے نام پر کی ہے اور میرے علم میں کوئی غدر اس سے بڑھ کر نہیں ہے کہ کسی شخص سے اللہ اور اس کے رسول کے نام پر بیعت کی جائے اور پھر اس سے جنگ کی جائے اور دیکھو مدینہ والو ! تم میں سے جو کوئی یزید کی بیعت کو توڑے اور دوسرے کسی سے بیعت کرے تو مجھ میں اور اس میں کوئی تعلق نہیں رہا ، میں اس سے الگ ہوں ۔
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন মাদীনার লোকেরা ইয়াযীদ ইব্নু মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর বাই‘আত ভঙ্গ করল, তখন ইব্নু ‘উমার (রাঃ) তাঁর বিশেষ ভক্তবৃন্দ ও সন্তানদের একত্রিত করলেন এবং বললেন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি যে, ক্বিয়ামতের দিন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি করে ঝান্ডা (পতাকা) উঠানো হবে। আর আমরা এ লোকটির (ইয়াযীদের) প্রতি আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের বর্ণিত শর্তানুযায়ী বাই‘আত গ্রহণ করেছি। বস্তুত কোন একজন লোকের প্রতি আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের দেয়া শর্ত মুতাবিক বাই‘আত গ্রহণ করার পর তার বিরুদ্ধে যুদ্ধের উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে বড় কোন বিশ্বাসঘাতকতা আছে বলে জানি না। ইয়াযীদের বাই‘আত ভঙ্গ করেছে, কিংবা তার আনুগত্য করছে না আমি যেন কারো সম্পর্কে জানতে না পাই। তা না হলে তার ও আমার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৬)
When Ibn Ziyad and Marwan were in Sham and Ibn Az-Zubair took over the authority in Mecca and
Qurra' (the Kharijites) revolted in Basra, I went out with my father to Abu Barza Al-Aslami till we
entered upon him in his house while he was sitting in the shade of a room built of cane. So we sat with
him and my father started talking to him saying, "O Abu Barza! Don't you see in what dilemma the
people has fallen?" The first thing heard him saying "I seek reward from Allah for myself because of
being angry and scornful at the Quraish tribe. O you Arabs! You know very well that you were in
misery and were few in number and misguided, and that Allah has brought you out of all that with
Islam and with Muhammad till He brought you to this state (of prosperity and happiness) which you
see now; and it is this worldly wealth and pleasures which has caused mischief to appear among you.
The one who is in Sham (i.e., Marwan), by Allah, is not fighting except for the sake of worldly gain:
and those who are among you, by Allah, are not fighting except for the sake of worldly gain; and that
one who is in Mecca (i.e., Ibn Az-Zubair) by Allah, is not fighting except for the sake of worldly
gain."
ہم سے احمد بن یونس نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم سے شہاب نے بیان کیا ان سے جوف نے بیان کیا ‘ ان سے ابومنہال نے بیان کیا کہ
جب عبداللہ بن زیاد اور مروان شام میں تھے اور ابن زبیر رضی اللہ عنہ نے مکہ میں اور خوارج نے بصرہ میں قبضہ کر لیا تھا تو میں اپنے والد کے ساتھ حضرت ابوبرزہ اسلمی رضی اللہ عنہ کے پاس گیا ۔ جب ہم ان کے گھر میں ایک کمرہ کے سایہ میں بیٹھے ہوئے تھے جو بانس کا بنا ہوا تھا ‘ ہم ان کے پاس بیٹھ گئے اور میرے والد ان سے بات کرنے لگے اور کہا اے ابوبرزہ ! آپ نہیں دیکھتے لوگ کن باتوں میں آفت اور اختلاف میں الجھ گئے ہیں ۔ میں نے ان کی زبان سے سب سے پہلی بات یہ سنی کہ میں جو ان قریش کے لوگوں سے ناراض ہوں تو محض اللہ کی رضامندی کے لیے ‘ اللہ میرا اجر دینے والا ہے ۔ عرب کے لوگو ! تم جانتے ہو پہلے تمہارا کیا حال تھا تم گمراہی میں گرفتار تھے ‘ اللہ نے اسلام کے ذریعہ اور حضرت محمد صلی اللہ علیہ وسلم کے ذریعہ تم کو اس بری حالت سے نجات دی ۔ یہاں تک کہ تم اس رتبہ کو پہنچے ۔ ( دنیا کے حاکم اور سردار بن گئے ) پھر اسی دنیا نے تم کو خراب کر دیا ۔ دیکھو ! یہ شخص جو شام میں حاکم بن بیٹھا ہے یعنی مروان دنیا کے لئے لڑ رہا ہے ۔ یہ لوگ جو تمہارے سامنے ہیں ۔ ( خوارج ) واللہ ! یہ لوگ صرف دنیا کے لیے لڑرہے ہیں اور وہ جو مکہ میں ہے عبداللہ بن زبیر رضی اللہ عنہما واللہ ! وہ بھی صرف دنیا کے لیے لڑ رہا ہے ۔
আবু মিনহাল (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, ইব্নু যিয়াদ ও মারওয়ান যখন সিরিয়ার শাসনকর্তা নিযুক্ত ছিলেন এবং ইব্নু যুবায়র (রাঃ) মক্কার শাসন ক্ষমতা দখল করেন, আর ক্বারী নামধারীরা (খারেজীরা) বসরায় ক্ষমতায় চেপে বসল, তখন একদিন আমি আমার পিতার সাথে আবূ বারযা আসলামী (রাঃ)-এর উদ্দেশ্যে রওনা করে আমরা তাঁর ঘরে প্রবেশ করলাম। এ সময় তিনি তাঁর বাঁশের তৈরি ঘরের ছায়ায় উপবিষ্ট ছিলেন। আমরা তাঁর কাছে বসলাম। আমার পিতা তাঁর নিকট হতে কিছু হাদীস শুনতে চাইলেন। পিতা বললেন, হে আবূ বারযা! লোকেরা কী ভীষণ বিপদে পড়েছে তা কি আপনি দেখছেন না? সর্বপ্রথম যে কথাটি তাঁকে বলতে শুনলাম তা হল, আমি যে কুরাইশের গোত্রগুলোর প্রতি বিরূপ ভাব পোষণ করি, এজন্য আল্লাহ্র কাছে অবশ্যই সওয়াবের আশা করি। হে আরববাসীরা! তোমরা যে কেমন ভ্রষ্টতা, অভাব-অনটন ও লাঞ্ছনার মধ্যে ছিলে তা তোমরা জান। মহান আল্লাহ্ তা’আলা ইসলাম ও মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাধ্যমে সে অবস্থা থেকে মুক্ত করে তোমাদের বর্তমান অবস্থায় পৌঁছিয়েছেন, যা তোমরা দেখছ। আর এ পার্থিব দুনিয়াই তোমাদের মাঝে গোলযোগের সৃষ্টি করেছে। ঐ যে লোকটা সিরিয়ায় (ক্ষমতা বসে আছে) আছে, আল্লাহ্র কসম! কেবল পার্থিব স্বার্থ ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে সে লড়াই করেনি। [১৬২](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৭)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 228
Hadith 7113
حَدَّثَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ وَاصِلٍ الأَحْدَبِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ، قَالَ إِنَّ الْمُنَافِقِينَ الْيَوْمَ شَرٌّ مِنْهُمْ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كَانُوا يَوْمَئِذٍ يُسِرُّونَ وَالْيَوْمَ يَجْهَرُونَ.
Narrated Abi Waih:
Hudhaifa bin Al-Yaman said, 'The hypocrites of today are worse than those of the lifetime of the
Prophet, because in those days they used to do evil deeds secretly but today they do such deeds
openly.'
ہم سے آدم بن ابی ایاس نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے شعبہ نے بیان کیا ‘ ان سے واصل احدب نے ‘ ان سے ابووائل نے اور ان سے حذیفہ بن الیمان نے بیان کیا کہ
آج کل کے منافق نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے زمانے کے منافقین سے بد تر ہیں ۔ اس وقت چھپاتے تھے اور آج اس کا کھلم کھلا اظہار کر رہے ہیں ۔
হুযাইফাহ ইব্নু ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, বর্তমান কালের মুনাফিকরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কালের মুনাফিকদের চেয়েও জঘন্য। কেননা, সে কালে তারা (মুনাফিকী) করত গোপনে আর আজ করে প্রকাশ্যে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৮)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 229
Hadith 7114
حَدَّثَنَا خَلاَّدٌ، حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي الشَّعْثَاءِ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ إِنَّمَا كَانَ النِّفَاقُ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأَمَّا الْيَوْمَ فَإِنَّمَا هُوَ الْكُفْرُ بَعْدَ الإِيمَانِ.
Narrated Abi Asha'sha:
Hudhaifa said, 'In fact, it was hypocrisy that existed in the lifetime of the Prophet (ﷺ) but today it is Kufr
(disbelief) after belief.'
ہم سے خلاد نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم سے مسعر نے بیان کیا ‘ ان سے حبیب بن ابی ثابت نے بیان کیا ‘ ان سے ابوالشعثاء نے بیان کیا اور ان سے حذیفہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے زمانہ میں نفاق تھا آج تو ایمان کے بعد کفر اختیار کرنا ہے ۔
হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন নিফাক বস্তুত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে ছিল। আর এখন হল তা ঈমান গ্রহণের পর কুফরী।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৯)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 230
Hadith 7115
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَمُرَّ الرَّجُلُ بِقَبْرِ الرَّجُلِ فَيَقُولُ يَا لَيْتَنِي مَكَانَهُ ".
Narrated Abu Huraira:
The Prophet (ﷺ) said, "The Hour will not be established till a man passes by a grave of somebody and
says, 'Would that I were in his place.' "
ہم سے اسماعیل نے بیان کیا ‘ کہا مجھ سے امام مالک نے بیان کیا ‘ ان سے ابوالزناد نے ‘ ان سے اعرج نے اور ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا قیامت قائم نہ ہو گی یہاں تک کہ ایک شخص دوسرے کی قبر کے پاس سے گزرے گا اور کہے گا کاش ! میں اسی کی جگہ ہوتا ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ কোন লোক অন্য লোকের কবরের পাশ দিয়ে যাবার সময় না বলবে, হায়! যদি আমি তার স্থলে হতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৩০)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 231
Hadith 7116
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ قَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ أَخْبَرَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَضْطَرِبَ أَلَيَاتُ نِسَاءِ دَوْسٍ عَلَى ذِي الْخَلَصَةِ ". وَذُو الْخَلَصَةَ طَاغِيَةُ دَوْسٍ الَّتِي كَانُوا يَعْبُدُونَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ.
Narrated Abu Huraira:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "The Hour will not be established till the buttocks of the women of the tribe of
Daus move while going round Dhi-al-Khalasa." Dhi-al-Khalasa was the idol of the Daus tribe which
they used to worship in the Pre Islamic Period of ignorance.
ہم سے ابو الیمان نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم کو شعیب نے خبر دی ‘ ان سے زہری نے بیان کیا ‘ ان سے سعید بن مسیب نے بیان کیا اور انہیں حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے خبر دی کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا قیامت قائم نہیں ہو گی یہاں تک کہ قبیلہ دوس کی عورتوں کا ذوالخلصہ کا ( طواف کرتے ہوئے ) چوتڑ سے چوتڑ چھلے گا اور ذوالخلصہ قبیلہ دوس کا بت تھا جس کو وہ زمانہ جاہلیت میں پوجا کرتے تھے ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি যে, ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ ‘যুল্খালাসাহ্র’ পাশে দাওস গোত্রীয় মহিলাদের নিতম্ব দোলায়িত না হবে।
‘যুলখালাসাহ’ হলো দাওস গোত্রের একটি মূর্তি। জাহিলী যুগে তারা এর ইবাদাত করত।[মুসলিম ৫২/১৭, হাঃ ২৯০৬, আহমাদ ৭৬৮১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৩১)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 232
Hadith 7117
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ، عَنْ ثَوْرٍ، عَنْ أَبِي الْغَيْثِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَخْرُجَ رَجُلٌ مِنْ قَحْطَانَ يَسُوقُ النَّاسَ بِعَصَاهُ ".
Narrated Abu Huraira:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "The Hour will not be established till a man from Qahtan appears, driving the
people with his stick."
ہم سے عبدالعزیز بن عبداللہ نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے سلیمان نے بیان کیا ‘ ان سے ابو الغیث نے اور ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا قیامت اس وقت تک قائم نہ ہو گی یہاں تک کہ قحطان کا ایک شخص ( بادشاہ بن کر ) نکلے گا اور لوگوں کو اپنے ڈنڈے سے ہانکے گا ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না কাহ্তান গোত্র থেকে এমন এক লোক বের হবে, যে মানুষকে লাঠি দিয়ে তাড়িয়ে দেবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৩২)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 233
Hadith 7118
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ أَخْبَرَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَخْرُجَ نَارٌ مِنْ أَرْضِ الْحِجَازِ، تُضِيءُ أَعْنَاقَ الإِبِلِ بِبُصْرَى ".
Narrated Abu Huraira:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "The Hour will not be established till a fire will come out of the land of Hijaz,
and it will throw light on the necks of the camels at Busra."
ہم سے ابو الیمان نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا شعیب نے خبر دی ‘ انہوں نے کہا ہمیں زہری نے خبر دی کہ سعید بن مسیب نے بیان کیا کہ مجھے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے خبر دی کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا قیامت قائم نہ ہو گی یہاں تک کہ سرزمین حجاز سے ایک آگ نکلے گی اور بصریٰ میں اونٹوں کی گردنوں کو روشن کر دے گی ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ হিজাযের যমীন থেকে এমন আগুন বের হবে, যা বুস্রার উটগুলোর গর্দান আলোকিত করে দেবে।[মুসলিম ৩৩/৪১, হাঃ ১৯০২, আহমাদ ১৯৫৫৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৩৩)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 234
Hadith 7119
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ الْكِنْدِيُّ، حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ جَدِّهِ، حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يُوشِكُ الْفُرَاتُ أَنْ يَحْسِرَ عَنْ كَنْزٍ مِنْ ذَهَبٍ، فَمَنْ حَضَرَهُ فَلاَ يَأْخُذْ مِنْهُ شَيْئًا ".
قَالَ عُقْبَةُ وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ " يَحْسِرُ عَنْ جَبَلٍ مِنْ ذَهَبٍ ".
Narrated Abu Huraira:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "Soon the river "Euphrates" will disclose the treasure (the mountain) of gold, so
whoever will be present at that time should not take anything of it." Al-A'raj narrated from Abii
Huraira that the Prophet (ﷺ) said the same but he said, "It (Euphrates) will uncover a mountain of gold
(under it).
ہم سے عبداللہ بن سعید الکندی نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم سے عقبہ بن خالد نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم سے عبیداللہ نے بیان کیا ‘ ان سے خبیب بن عبدالرحمٰن نے بیان کیا ‘ان سے ان کے دادا حفص بن عاصم نے بیان کیا ‘ ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا عنقریب دریائے فرات سے سونے کا ایک خزانہ نکلے گا پس جو کوئی وہاں موجود ہو وہ اس میں سے کچھ نہ لے ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিকট ভবিষ্যতে ফোরাত নদী তার ভূগর্ভস্থ সোনার খণি বের করে দেবে। সে সময় যারা উপস্থিত থাকবে তারা যেন তা থেকে কিছুই গ্রহণ না করে।
‘উক্বাহ (রাঃ).....আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ হাদীসটি এরূপেই বর্ণনা করেছেন। তবে সেখানে كَنْزٍ مِنْ ذَهَبٍএর স্থলে جَبَلٍ مِنْ ذَهَبٍ (স্বর্ণের পর্বত) উল্লেখ আছে। [মুসলিম ৫২/৮, হাঃ ২৮৯৪, আহমাদ ২১৩১৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৩৪)
I heard Allah's Messenger (ﷺ) saying, "Give in charity because there will come a time on the people when a
person will go out with his alms from place to place but will not find anybody to accept it."
ہم سے مسدد نے بیان کیا ، کہا ہم سے یحییٰ بن ابی کثیر نے بیان کیا ، ان سے شعبہ نے ، ان سے معبد نے بیان کیا ، انہوں نے حارثہ بن وہب رضی اللہ عنہ سے سنا ، انہوں نے بیان کیا کہ
میں نے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے سنا ، آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ صدقہ کرو کیونکہ عنقریب لوگوں پر ایک ایسا زمانہ آ : ے گا جب ایک شخص اپنا صدقہ لے کر پھرے گا اور کوئی اسے لینے والا نہیں ملے گا ۔ مسدد نے بیان کیا کہ حارثہ عبیداللہ بن عمر کے ماں شریک بھائی تھے ۔
হারিসা ইব্নু ওয়াহ্ব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা সাদাকা কর। কেননা, শীঘ্রই এমন এক সময় আসবে যে মানুষ সদাকাহ নিয়ে ঘোরাফেরা করবে কিন্তু সদাকাহ গ্রহণ করে এমন কাউকে পাবে না। মুসাদ্দাদ (রহঃ) বলেন, হারিসা 'উবাইদুল্লাহ্ ইব্নু 'উমার (রাঃ)-এর বৈপিত্রেয় ভাই। [১৬৪](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৩৫)
Allah's Messenger (ﷺ) said, "The Hour will not be established (1) till two big groups fight each other
whereupon there will be a great number of casualties on both sides and they will be following one and
the same religious doctrine, (2) till about thirty Dajjals (liars) appear, and each one of them will claim
that he is Allah's Messenger (ﷺ), (3) till the religious knowledge is taken away (by the death of Religious
scholars) (4) earthquakes will increase in number (5) time will pass quickly, (6) afflictions will
appear, (7) Al-Harj, (i.e., killing) will increase, (8) till wealth will be in abundance ---- so abundant
that a wealthy person will worry lest nobody should accept his Zakat, and whenever he will present it
to someone, that person (to whom it will be offered) will say, 'I am not in need of it, (9) till the people
compete with one another in constructing high buildings, (10) till a man when passing by a grave of
someone will say, 'Would that I were in his place (11) and till the sun rises from the West. So when
the sun will rise and the people will see it (rising from the West) they will all believe (embrace Islam)
but that will be the time when: (As Allah said,) 'No good will it do to a soul to believe then, if it
believed not before, nor earned good (by deeds of righteousness) through its Faith.' (6.158) And the
Hour will be established while two men spreading a garment in front of them but they will not be able
to sell it, nor fold it up; and the Hour will be established when a man has milked his she-camel and has
taken away the milk but he will not be able to drink it; and the Hour will be established before a man
repairing a tank (for his livestock) is able to water (his animals) in it; and the Hour will be established
when a person has raised a morsel (of food) to his mouth but will not be able to eat it."
ہم سے ابوالیمان نے بیان کیا ، کہا ہم کوشعیب نے خبر دی ، کہا ہم سے ابوالزنادنے بیان کیا ، ان سے عبدالرحمٰن نے اور ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا قیامت اس وقت تک قائم نہ ہو گی جب تک دو عظیم جماعتیں جنگ نہ کریں گی ۔ ان دونوں جماعتوں کے درمیان بڑی خونریزی ہو گی ۔ حالانکہ دونوں کا دعویٰ ایک ہی ہو گا اور یہاں تک کہ بہت سے جھوٹے دجال بھیجے جائیں گے ۔ تقریباً تین دجال ۔ ان میں سے ہر ایک دعویٰ کرے گا کہ وہ اللہ کا رسول ہے اور یہاں تک کہ علم اٹھا لیا جائے گا اور زلزلوں کی کثرت ہو گی اور زمانہ قریب ہو جائے گا اور فتنے ظاہر ہو جائیں گے اور ہرج بڑھ جائے گا اور ہرج سے مراد قتل ہے اور یہاں تک کہ تمہارے پاس مال کی کثرت ہو جائے گی بلکہ بہہ پڑے گا اور یہاں تک کہ صاحب مال کو اس کا فکر دامن گیر ہو گا کہ اس کا صدقہ قبول کون کرے اور یہاں تک کہ وہ پیش کرے گا لیکن جس کے سامنے پیش کرے گا وہ کہے گا کہ مجھے اس کی ضرورت نہیں ہے اور یہاں تک کہ لوگ بڑی بڑی عمارتوں پر آپس میں فخر کریں گے ۔ ایک سے ایک بڑھ چڑھ کر عمارات بنائیں گے اور یہاں تک کہ ایک شخص دوسرے کی قبر سے گزرے گا اور کہے گا کہ کاش میں بھی اسی جگہ ہوتا اور یہاں تک کہ سورج مغرب سے نکلے گا ۔ پس جب وہ اس طرح طلوع ہو گا اور لوگ دیکھ لیں گے تو سب ایمان لے آئیں گے لیکن یہ وہ وقت ہو گا جب کسی ایسے شخص کو اس کا ایمان لانا فائدہ نہ پہنچائے گا جو پہلے سے ایمان نہ لایا ہو یا اس نے اپنے ایمان کے ساتھ اچھے کام نہ کئے ہوں اور قیامت اچانک اس طرح قائم ہو جائے گی کہ دو آدمیوں نے اپنے درمیان کپڑا پھیلا رکھا ہو گا اور اسے ابھی بیچ نہ پائے ہوں گے نہ لپیٹ پائے ہوں گے اور قیامت اس طرح برپا ہو جائے گی کہ ایک شخص اپنی اونٹنی کا دودھ نکال کر واپس ہوا ہو گا کہ اسے کھا بھی نہ پایا ہو گا اور قیامت اس طرح قائم ہو جائے گی کہ وہ اپنے حوض کو درست کر رہا ہو گا اور اس میں سے پانی بھی نہ پیا ہو گا اور قیامت اس طرح قائم ہو جائے گی کہ اس نے اپنالقمہ منہ کی طرف اٹھایا ہو گا اور ابھی اسے کھایا بھی نہ ہو گا ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ দু'টি বড় দল পরস্পরে মহাযুদ্ধে লিপ্ত না হবে। উভয় দলের দাবি হবে অভিন্ন। আর যতক্ষণ ত্রিশের কাছাকাছি মিথ্যাচারী দাজ্জাল-এর প্রকাশ না পাবে। তারা প্রত্যেকেই নিজেকে আল্লাহ্র প্রেরিত রাসূল বলে দাবি করবে এবং যতক্ষণ ইল্ম উঠিয়ে নেয়া না হবে। আর ভূমিকম্প আধিক হারে না হবে। আর যামানা (কাল) সংক্ষিপ্ত না হবে এবং (ব্যাপক হারে) ফিতনা প্রকাশ না পাবে। আর হারজ ব্যাপকতা লাভ করবে। হারজ হল হত্যা। আর যতক্ষণ তোমাদের মাঝে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি না পাবে। তখন সম্পদের এমন সয়লাব শুরু হবে যে, সম্পদের মালিক তার সদাকাহ কে গ্রহণ করবে - এ নিয়ে চিন্তাযুক্ত হয়ে পড়বে। এমন কি যার নিকট সে সম্পদ আনা হবে সে বলবে আমার এ মালের কোনই প্রয়োজন নেই। আর যতক্ষণ মানুষ উঁচু উঁচু প্রাসাদ নির্মাণের জন্য পরস্পরে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ না হবে। আর যতক্ষণ এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির কবরের পাশ অতিক্রম করার সময় বলবে হায়! আমি যদি এ কবরবাসীর স্থলে হতাম এবং যতক্ষণ সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত না হবে। যখন সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উঠবে এবং সকল লোক তা দেখবে এবং সেদিন সবাই ঈমান আনবে। কিন্তু সে দিন তার ঈমান কাজে আসবে না, যে এর আগে ঈমান আনেনি। কিংবা ইতোপূর্বে যারা ঈমান আনেনি কিংবা ঈমানের মাধ্যমে কল্যাণ অর্জন করেনি - (সূরাহ আন'আম ৬/১৫৮)। আর অবশ্যই ক্বিয়ামাত এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, দু'ব্যক্তি (পরস্পরে বেচাকেনার উদ্দেশ্যে) কাপড় খুলবে। কিন্তু তারা বেচাকেনা ও গুটিয়ে রাখা শেষ করতে পারবে না। অবশ্যই ক্বিয়ামাত এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি তার উটের দুধ দোহন করে নিয়ে ফিরেছে। কিন্তু সে তা পান করতে পারবে না। ক্বিয়ামাত এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি তার হাওয আস্তর করছে, কিন্তু সে পানি পান করাতে পারবে না। অবশ্যই ক্বিয়ামাত এমন (অতর্কিত) ভাবে কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি মুখের কাছে লোক্মা তুলবে কিন্তু সে তা আহার করতে পারবে না।[৮৫; মুসলিম ১/৭২, হাঃ ১৫৭, আহমাদ ৭১৬৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৩৬)
Nobody asked the Prophet (ﷺ) as many questions as I asked regarding Ad-Dajjal. The Prophet (ﷺ) said to me,
"What worries you about him?" I said, "Because the people say that he will have a mountain of bread
and a river of water with him (i.e. he will have abundance of food and water)" The Prophet (ﷺ) said, "Nay,
he is too mean to be allowed such a thing by Allah"' (but it is only to test mankind whether they
believe in Allah or in Ad-Dajjal.)
ہم سے مسدد نے بیان کیا ، کہا ہم سے یحییٰ نے بیان کیا ، کہا مجھ سے اسماعیل نے بیان کیا ، ان سے قیس نے بیان کیا ، کہ مجھ سے مغیرہ بن شعبہ رضی اللہ عنہ نے کہا کہ
دجال کے بارے میں نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے جتنا میں نے پوچھا اتنا کسی نے نہیں پوچھا اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے مجھ سے فرمایا تھا کہ اس سے تمہیں کیا نقصان پہنچے گا ۔ میں نے عرض کیا کہ لوگ کہتے ہیں کہ اس کے ساتھ روٹی کا پہاڑ اور پانی کی نہر ہو گی ۔ فرمایا کہ وہ اللہ پر اس سے بھی زیادہ آسان ہے ۔
মুগীরাহ ইব্নু শু'বাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে দাজ্জালের ব্যাপারে যত বেশি প্রশ্ন করতাম তত আর কেউ করেনি। তিনি আমাকে বললেনঃ তা থেকে তোমার কি ক্ষতি হবে? আমি বললাম, লোকেরা বলে যে, তার সঙ্গে রুটির পর্বত ও পানির নহর থাকবে। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্র নিকট তা খুব সহজ। [১৬৫][মুসলিম ৫২/২২, হাঃ ২৯৩৯, আহমাদ ১৮১৭৯] (আধুনিক প্রকাশনী-৬৬২৩ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৩৭)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 238
Hadith 7123
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أُرَاهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" أَعْوَرُ عَيْنِ الْيُمْنَى، كَأَنَّهَا عِنَبَةٌ طَافِيَةٌ ".
Narrated Ibn 'Umar (ra) :
The Prophet (ﷺ) said (about Ad-Dajjal) that he is one eyed, his right eye is as if a protruding out grape."
ہم سے موسیٰ بن اسماعیل نے بیان کیا کہا ہم سے وہیب نے کہا ہم سے ایوب سختیانی نے انہوں نے نافع سے انہوں نے ابن عمر رضی اللہ عنہما سے امام بخاری رحمہ اللہ نے کہا میں سمجھتا ہوں کہ
ابن عمر رضی اللہ عنہما نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے روایت کی آپ نے فرمایاد جال داہنی آنکھ سے کانا ہو گا اس کی آنکھ کیا ہے گویا پھولا ہوا انگور ۔
ইব্নু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, আবূ 'আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয় তিনি হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকেই বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ দাজ্জালের ডান চোখ কানা হবে, যেন তা ফোলা আঙ্গুরের ন্যায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৩৮)
The Prophet (ﷺ) said, "Ad-Dajjal will come and encamp at a place close to Medina and then Medina will
shake thrice whereupon every Kafir (disbeliever) and hypocrite will go out (of Medina) towards him."
ہم سے سعد بن حفص نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے شیبان نے بیان کیا ، ان سے یحییٰ نے بیان کیا ، ان سے اسحاق بن عبداللہ بن ابی طلحہ نے اور ان سے انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا دجال آئے گا اور مدینہ کے ایک کنارے قیام کرے گا ۔ پھر مدینہ تین مرتبہ کانپے گا اور اس کے نتیجے میں ہر کافر اور منافق نکل کر اس کی طرف چلا جائے گا ۔
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দাজ্জাল আসবে। অবশেষে মাদীনাহ্র এক পার্শ্বে অবতরণ করবে। (এ সময় মাদীনাহ) তিনবার কেঁপে উঠবে হবে। তখন সকল কাফির ও মুনাফিক বের হয়ে তার নিকট চলে আসবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৩৯)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 239
Hadith 7125
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" لاَ يَدْخُلُ الْمَدِينَةَ رُعْبُ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ، وَلَهَا يَوْمَئِذٍ سَبْعَةُ أَبْوَابٍ، عَلَى كُلِّ باب مَلَكَانِ ".
Narrated Abu Bakra:
The Prophet (ﷺ) said, "The terror caused by Al-Masih Ad-Dajjal will not enter Medina and at that time
Medina will have seven gates and there will be two angels at each gate (guarding them).
ہم سے عبدالعزیز بن عبداللہ اویسی نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابراہیم بن عبدالرحمٰن بن عوف کے دادا نے بیان کیا ، انہوں نے ابوبکرہ سے انہوں نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے
آپ نے فرمایا مدینہ والوں پر دجال کا رعب نہیں پڑے گا اس دن مدینہ کے سات دروازے ہوں گے ہر دروازے پر دو فرشتے ( پہرہ دیتے ) ہوں گے ۔
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ বাক্রাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ মাসীহ্ দাজ্জালের প্রভাব মদিনায় প্রভাব পড়বে না। সে সময় মদিনায় সাতটি প্রবেশপথ থাকবে। প্রতিটি প্রবেশপথে দু'জন করে ফেরেশ্তা নিযুক্ত থাকবেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৪১)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 240
Hadith 7126
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" لاَ يَدْخُلُ الْمَدِينَةَ رُعْبُ الْمَسِيحِ، لَهَا يَوْمَئِذٍ سَبْعَةُ أَبْوَابٍ، عَلَى كُلِّ باب مَلَكَانِ ".
قَالَ وَقَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ عَنْ صَالِحِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَدِمْتُ الْبَصْرَةَ فَقَالَ لِي أَبُو بَكْرَةَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا.
Narrated Abu Bakra:
[as above]
ہم سے علی بن عبداللہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے محمد بن بشر نے بیان کیا ، کہا ہم سے مسعر نے بیان کیا ، ان سے سعد بن ابراہیم نے بیان کیا ، ان سے ان کے والد نے اور ان سے ابوبکرہ رضی اللہ عنہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا مدینہ پر مسیح دجال کا رعب نہیں پڑے گا ۔ اس وقت اس کے سات دروازے ہوں گے اور ہر دروازے پر پہرہ دار دو فرشتے ہوں گے ۔ علی بن عبداللہ نے کہا کہ محمد بن اسحاق نے صالح بن ابراہیم سے روایت کیا ، ان سے ان کے والد ابراہیم بن عبدالرحمٰن بن عوف نے بیان کیا کہ میں بصرہ گیا تو مجھ سے ابوبکرہ رضی اللہ عنہ نے یہی حدیث بیان کی ۔
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ বাক্রাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ মদিনায় মাসীহ্ দাজ্জাল-এর প্রভাব পড়বে না। সে সময় মদিনায় সাতটি প্রবেশদ্বার থাকবে। প্রতিটি প্রবেশদ্বারে দু'জন করে ফেরেশ্তা নিযুক্ত থাকবেন। (আ. প্র. ৬৬২৭, ই. ফা. ৬৬৪০)
ইব্নু ইসহাক.....ইব্রাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আমি যখন বস্রায় আগমন করলাম তখন আবূ বাক্রাহ (রাঃ) আমাকে বললেন যে, এ হাদীসটি আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৪০)
Allah's Messenger (ﷺ) stood up amongst the people and then praised and glorified Allah as He deserved and
then he mentioned Ad-Dajjal, saying, "I warn you of him, and there was no prophet but warned his
followers of him; but I will tell you something about him which no prophet has told his followers: Ad-
Dajjal is one-eyed whereas Allah is not."
ہم سے عبدالعزیز بن عبداللہ نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ابرہیم نے بیان کیا ، ان سے صالح نے بیان کیا ، ان سے ابن شہاب نے بیان کیا ، ان سے سالم بن عبداللہ نے بیان کیا اور ان سے حضرت عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم لوگوں میں کھڑے ہوئے اور اللہ کی تعریف اس کی شان کے مطابق بیان کی ۔ پھر دجال کا ذکر فرمایا کہ میں تمہیں اس سے ڈراتا ہوں اور کوئی نبی ایسا نہیں گزرا جس نے اپنی قوم کو اس سے نہ ڈرایا ہو ، البتہ میں تمہیں اس کے بارے میں ایک بات بتاتا ہوں جو کسی نبی نے اپنی قوم کو نہیں بتائی تھی اور وہ یہ کہ وہ کانا ہو گا اور اللہ تعالیٰ کانا نہیں ہے ۔
আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোক সমাবেশে দাঁড়ালেন এবং মহান আল্লাহ্র প্রশংসা করলেন। এরপর তিনি দাজ্জাল প্রসঙ্গে বললেনঃ তার সম্পর্কে আমি তোমাদেরকে সতর্ক করছি। এমন কোন নবী নেই যিনি তাঁর কাওমকে এ বিষয়ে সতর্ক করেননি। তবে তার সম্পর্কে আমি তোমাদের এমন একটি কথা বলব যা কোন নাবীই তাঁর জাতিকে বলেননি। তা হল এই যে, সে কানা হবে আর আল্লাহ্ অবশ্যই কানা নন। [১৬৬](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৪২)
Allah's Messenger (ﷺ) said. "While I was sleeping, I saw myself (in a dream) performing Tawaf around the
Ka`ba. Behold, I saw a reddish-white man with lank hair, and water was dropping from his head. I
asked, "Who is this?' They replied, 'The son of Mary.' Then I turned my face to see another man with
a huge body, red complexion and curly hair and blind in one eye. His eye looked like a protruding out
grape. They said (to me), He is Ad-Dajjal." The Prophet (ﷺ) added, "The man he resembled most is Ibn
Qatan, a man from the tribe of Khuza`a. "
ہم سے یحییٰ بن بکیر نے بیان کیا ، کہا ہم سے لیث بن سعد نے بیان کیا ، ان سے عقیل نے ، ان سے ابن شہاب نے ، ان سے سالم نے اور ان سے عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا میں سویا ہوا ( خواب میں ) کعبہ کا طواف کر رہا تھا کہ ایک صاحب جو گندم گوں تھے اور ان کے سر کے بال سیدھے تھے اور سر سے پانی ٹپک رہا تھا ( پر میری نظر پڑی ) میں نے پوچھا یہ کون ہیں ؟ میرے ساتھ کے لوگوں نے بتایا کہ یہ حضرت عیسیٰ ابن مریم علیہما السلام ہیں پھر میں نے مڑ کر دیکھا تو موٹے شخص پر نظر پڑی جو سرخ تھا اس کے بال گھونگھریالے تھے ، ایک آنکھ کا کانا تھا ، اس کی ایک آنکھ انگور کی طرح اٹھی ہوئی تھی ۔ لوگوں نے بتایا کہ یہ دجال ہے ۔ اس کی صورت عبدالعزیٰ بن قطن سے بہت ملتی تھی ۔
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি ঘুমের অবস্থায় দেখতে পেলাম যে, আমি কা’বার তাওয়াফ করছি। হঠাৎ একজন লোককে দেখতে পেলাম ধূসর বর্ণের আলুথালু কেশধারী, তার মাথা থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছে কিংবা টপকে পড়ছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইনি কে? লোকেরা বলল, ইনি মারিয়ামের পুত্র। এরপর আমি তাকাতে লাগলাম, হঠাৎ দেখতে পেলাম, এক ব্যক্তি স্থুলকায় লাল বর্ণের, কোঁকড়ানো চুল, এক চোখ কানা, চোখটি যেন ফোলা আঙ্গুরের মত। লোকেরা বলল এ-হল দাজ্জাল! তার সঙ্গে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ লোক হল ইব্নু কাতান, বানী খুযা’আর এক লোক। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৪৩)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 242
Hadith 7129
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسْتَعِيذُ فِي صَلاَتِهِ مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ.
Narrated `Aisha:
I heard Allah's Messenger (ﷺ) in his prayer, seeking refuge with Allah from the afflictions of Ad-Dajjal.
ہم سے عبدالعزیز بن عبداللہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابراہیم بن سعد نے بیان کیا ، ان سے صالح نے ، ان سے ابن شہاب نے ، ان سے عروہ نے اور ان سے حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ
میں نے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے سنا ، آپ اپنی نماز میں دجال کے فتنے سے پناہ مانگتے تھے ۔
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন যে, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – কে, সালাতের ভিতরে দাজ্জালের ফিতনা হতে পানাহ চাইতে শুনেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৪৪)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 243
Hadith 7130
حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ رِبْعِيٍّ، عَنْ حُذَيْفَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي الدَّجَّالِ
" إِنَّ مَعَهُ مَاءً وَنَارًا، فَنَارُهُ مَاءٌ بَارِدٌ، وَمَاؤُهُ نَارٌ ". قَالَ أَبُو مَسْعُودٍ أَنَا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
Narrated Hudhaifa:
The Prophet (ﷺ) said about Ad-Dajjal that he would have water and fire with him: (what would seem to
be) fire, would be cold water and (what would seem to be) water, would be fire.
ہم سے عبدان نے بیان کیا کہ مجھے میرے والد نے خبر دی ، انہیں شعبہ نے ، انہیں عبدالملک نے ، انہیں ربعی نے اور ان سے حذیفہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے دجال کے بارے میں فرمایا کہ اس کے ساتھ پانی اور آگ ہو گی اور اس کی آگ ٹھنڈا پانی ہو گی اور پانی آگ ہو گا ۔ ابومسعود رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ میں نے بھی یہ حدیث رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے سنی ہے ۔
হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হুযাইফাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি দাজ্জাল সম্পর্কে বলেছেনঃ তার সঙ্গে পানি ও আগুন থাকবে। আসলে তার আগুনই হবে শীতল পানি, আর তার পানি হবে আগুন।
আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, আমিও এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৪৫)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 244
Hadith 7131
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، رضى الله عنه قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
" مَا بُعِثَ نَبِيٌّ إِلاَّ أَنْذَرَ أُمَّتَهُ الأَعْوَرَ الْكَذَّابَ، أَلاَ إِنَّهُ أَعْوَرُ، وَإِنَّ رَبَّكُمْ لَيْسَ بِأَعْوَرَ، وَإِنَّ بَيْنَ عَيْنَيْهِ مَكْتُوبٌ كَافِرٌ ". فِيهِ أَبُو هُرَيْرَةَ وَابْنُ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
Narrated Anas:
The Prophet (ﷺ) said, "No prophet was sent but that he warned his followers against the one-eyed liar
(Ad-Dajjal). Beware! He is blind in one eye, and your Lord is not so, and there will be written
between his (Ad-Dajjal's) eyes (the word) Kafir (i.e., disbeliever)." (This Hadith is also quoted by Abu
Huraira and Ibn `Abbas).
ہم سے سلیمان بن حرب نے بیان کیا ، کہا ہم سے شعبہ نے بیان کیا ، ان سے قتادہ نے اور ان سے انس رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جو نبی بھی مبعوث کیا گیا تو انہوں نے اپنی قوم کو کانے جھوٹے سے ڈرایا ۔ آگاہ رہو کہ وہ کانا ہے اور تمہارا رب کانا نہیں ہے ۔ اور اس کی دونوں آنکھوں کے درمیان ” کافر “ لکھا ہوا ہے ۔ اس باب میں ابوہریرہ رضی اللہ عنہ اور ابن عباس رضی اللہ عنہما نے بھی نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے یہ حدیث روایت کی ہے ۔
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এমন কোন নাবী প্রেরিত হন নি যিনি তার উম্মাতকে এই কানা মিথ্যাবাদী সম্পর্কে সতর্ক করেননি। জেনে রেখো, সে কানা, আর তোমাদের রব কানা নন। আর তার দুই চোখের মাঝখানে কাফির كَافِرٌ শব্দটি লিপিবদ্ধ থাকবে। এ সম্পর্কে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) ও ইবনু ‘আববাস (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। [৭৪০৮; মুসলিম ৫২/২০, হাঃ ২৯৩৩, আহমাদ ১৩৩৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৪৬)
One day Allah's Messenger (ﷺ) narrated to us a long narration about Ad-Dajjal and among the things he
narrated to us, was: "Ad-Dajjal will come, and he will be forbidden to enter the mountain passes of
Medina. He will encamp in one of the salt areas neighboring Medina and there will appear to him a
man who will be the best or one of the best of the people. He will say 'I testify that you are Ad-Dajjal
whose story Allah's Messenger (ﷺ) has told us.' Ad-Dajjal will say (to his audience), 'Look, if I kill this man
and then give him life, will you have any doubt about my claim?' They will reply, 'No,' Then Ad-
Dajjal will kill that man and then will make him alive. The man will say, 'By Allah, now I recognize
you more than ever!' Ad-Dajjal will then try to kill him (again) but he will not be given the power to
do so."
ہم سے ابوالیمان نے بیان کیا ، کہا ہم کو شعیب نے خبر دی ، انہیں زہری نے ، انہیں عبیداللہ بن عبداللہ بن عتبہ بن مسعود نے خبر دی ، ان سے ابوسعید رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
ایک دن رسول کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے ہم سے دجال کے متعلق ایک طویل حدیث بیان کی ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے ارشادات میں یہ بھی تھا کہ آپ نے فرمایا دجال آئے گا اور اس کے لیے ناممکن ہو گا کہ مدینہ کی گھاٹیوں میں داخل ہو ۔ چنانچہ وہ مدینہ منورہ کے قریب کسی شور والی زمین پر قیام کرے گا ۔ پھر اس دن اس کے پاس ایک مرد مومن جائے گا اور وہ افضل ترین لوگوں میں سے ہو گا ۔ اور اس سے کہے گا کہ میں گواہی دیتا ہوں اس بات کی جو رسول کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے ہم سے بیان فرمایا تھا ۔ اس پر دجال کہے گا کیا تم دیکھتے ہو اگر میں اسے قتل کر دوں اور پھر زندہ کروں تو کیا تمہیں میرے معاملہ میں شک و شبہ باقی رہےگا ؟ اس کے پاس والے لوگ کہیں گے کہ نہیں چنانچہ وہ اس صاحب کو قتل کر دے گا اور پھر اسے زندہ کر دے گا ۔ اب وہ صاحب کہیں گے کہ واللہ ! آج سے زیادہ مجھے تیرے معاملے میں پہلے اتنی بصیرت حاصل نہ تھی ۔ اس پر دجال پھر انہیں قتل کرنا چاہے گا لیکن اس مرتبہ اسے مار نہ سکے گا ۔
আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে দাজ্জাল সম্পর্কে দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করলেন। তিনি তার সম্পর্কে আমাদেরকে যা কিছু বলেছিলেন, তাতে এও বলেছেন যে, দাজ্জাল আসবে, তবে মাদীনার প্রবেশপথে তার প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ থাকবে। মাদীনার নিকটবর্তী বালুময় একটি স্থানে সে অবস্থান নিবে। এ সময় তার দিকে এক ব্যক্তি আসবে, যে মানুষের মাঝে উত্তম। কিংবা উত্তম ব্যক্তিদের একজন। সে বলবে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তুই সেই দাজ্জাল, যার সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে তাঁর হাদীস বর্ণনা করেছেন। তখন দাজ্জাল বলবে, তোমরা দেখ - আমি যদি একে হত্যা করে আবার জীবিত করে দেই তাহলে কি তোমরা এ ব্যাপারে সন্দেহ করবে? লোকেরা বলবে, না। এরপর সে তাকে হত্যা করবে এবং আবার জীবিত করবে। তখন সে লোকটি বলবে, আল্লাহ্র কসম! তোর সম্পর্কে আজকের মত দৃঢ় বিশ্বাসী ছিলাম না। তখন দাজ্জাল তাকে হত্যা করতে চাইবে কিন্তু সে তা করতে পারবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৪৭)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 246
Hadith 7133
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نُعَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُجْمِرِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
" عَلَى أَنْقَابِ الْمَدِينَةِ مَلاَئِكَةٌ، لاَ يَدْخُلُهَا الطَّاعُونُ وَلاَ الدَّجَّالُ ".
Narrated Abu Huraira:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "There are angels at the mountain passes of Medina (so that) neither plague nor
Ad-Dajjal can enter it.'
ہم سے عبداللہ بن مسلمہ نے بیان کیا ، ان سے امام مالک نے بیان کیا ، ان سے نعیم بن عبداللہ بن المجمر نے بیان کیا ، اور ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا مدینہ منورہ کے راستوں پر فرشتے پہرہ دیتے ہیں نہ یہاں طاعون آ سکتی ہے اور نہ دجال آ سکتا ہے ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মাদীনার প্রবেশপথগুলোতে ফেরেশ্তা নিযুক্ত আছেন। কাজেই সেখানে প্লেগ ও দাজ্জাল প্রবেশ করবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৪৮)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 247
Hadith 7134
حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" الْمَدِينَةُ يَأْتِيهَا الدَّجَّالُ، فَيَجِدُ الْمَلاَئِكَةَ يَحْرُسُونَهَا، فَلاَ يَقْرَبُهَا الدَّجَّالُ ـ قَالَ ـ وَلاَ الطَّاعُونُ، إِنْ شَاءَ اللَّهُ ".
Narrated Anas bin Malik:
The Prophet (ﷺ) said, "Ad-Dajjal will come to Medina and find the angels guarding it. So Allah willing,
neither Ad-Dajjal, nor plague will be able to come near it."
مجھ سے یحییٰ بن موسیٰ نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے یزید بن ہارون نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کو شعبہ نے خبر دی ، انہیں قتادہ نے ، انہیں انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا دجال مدینہ تک آئے گا تو یہاں فرشتوں کو اس کی حفاظت کرتے ہوئے پائے گا ۔ چنانچہ نہ دجال اس کے قریب آ سکتا ہے اور نہ طاعون ، انشاءاللہ ۔
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আনাস (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন যে, মাদীনাহ্র দিকে দাজ্জাল আসবে, সে ফেরেশ্তাদেরকে মাদীনা প্রহরারত অবস্থায় দেখতে পাবে। অতএব দাজ্জাল ও প্লেগ এর নিকটবর্তী হবে না ইনশা আল্লাহ্।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৪৯)
That one day Allah's Messenger (ﷺ) entered upon her in a state of fear and said, "None has the right to be
worshipped but Allah! Woe to the Arabs from the Great evil that has approached (them). Today a hole
has been opened in the dam of Gog and Magog like this." The Prophet (ﷺ) made a circle with his index
finger and thumb. Zainab bint Jahsh added: I said, "O Alllah's Apostle! Shall we be destroyed though
there will be righteous people among us?" The Prophet (ﷺ) said, "Yes, if the (number) of evil (persons)
increased."
ہم سے ابوالیمان نے بیان کیا ، کہا ہم کو شعیب نے خبر دی ، انہیں زہری نے ، ( دوسری سند ) اور امام بخاری نے کہا کہ ہم سے اسماعیل بن ابی اویس نے بیان کیا ، کہا مجھ سے میرے بھائی عبدالحمید نے ، ان سے سلیمان بن بلال نے ، ان سے محمد بن ابی عتیق نے ، ان سے ابن شہاب نے ، ان سے عروہ بن زبیر نے ، ان سے زینب بنت ابی سلمہ نے بیان کیا ، ان سے ام حبیبہ بنت ابی سفیان رضی اللہ عنہم نے اور ان سے زینب بنت جحش رضی اللہ عنہا نے کہ
ایک دن رسول کریم صلی اللہ علیہ وسلم ان کے پاس گھبرائے ہوئے داخل ہوئے ، آپ فرما رہے تھے کہ تباہی ہے ۔ عربوں کے لیے اس برائی سے جو قریب آ چکی ہے ۔ آج یاجوج و ماجوج کی دیوار سے اتنا کھل گیا ہے اور آپ نے اپنے انگوٹھے اور اس کی قریب والی انگلی کو ملا کر ایک حلقہ بنایا ۔ اتنا سن کر زینب بن جحش رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ میں نے عرض کیا یا رسول اللہ ! تو کیا ہم اس کے باوجود ہلاک ہو جائیں گے کہ ہم میں نیک صالح لوگ بھی زندہ ہوں گے ؟ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ ہاں جب برائی بہت بڑھ جائے گی ۔
যাইনাব বিন্ত জাহাশ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উদ্বিগ্ন অবস্থায় এরূপ বলতে বলতে আমার গৃহে প্রবেশ করলেন যে, আল্লাহ্ ব্যতীত কোন উপাস্য নাই। আক্ষেপ আরবের জন্য মন্দ থেকে যা অতি নিকটবর্তী। বৃদ্ধাঙ্গুল ও তৎসংলগ্ন আঙ্গুল গোলাকৃতি করে তার দিকে ইশারা করে বললেনঃ আজ ইয়াজূজ ও মাজূজের দেয়াল এ পরিমাণ খুলে গেছে। যাইনাব বিন্ত জাহাশ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের মাঝে সৎ লোকেরা উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, যদি পাপকাজ বৃদ্ধি পায়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৫০)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 9, Book 88, Hadith 249
Hadith 7136
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا ابْنُ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" يُفْتَحُ الرَّدْمُ رَدْمُ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ مِثْلَ هَذِهِ ". وَعَقَدَ وُهَيْبٌ تِسْعِينَ.
Narrated Abu Huraira:
The Prophet (ﷺ) said, "A hole has been opened in the dam of Gog and Magog." Wuhaib (the sub-narrator)
made the number 90 (with his index finger and thumb).
ہم سے موسیٰ بن اسماعیل نے بیان کیا ، کہا ہم سے وہیب بن خالد نے بیان کیا ، ان سے عبداللہ بن طاؤس نے بیان کیا ، ان سے ان کے والد نے اور ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ” سد “ یعنی یاجوج و ماجوج کی دیوار اتنی کھل گئی ہے ۔ وہیب نے نوے کا اشارہ کر کے بتلایا ۔
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ ইয়াজূজ- মাজূজের দেয়াল এ পরিমাণ খুলে গেছে। রাবী ওহায়ব নব্বই সংখ্যা নির্দেশক গোলাকৃতি তৈরি করে (দেখালেন)(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৫১)